প্রাণের সংযুক্তি

নান্দনিক

সাহিত্য

নির্বাচিত

খেলার জগৎ

প্রাণের কথা

এবার বিষয় পরকীয়া। নারী অথবা পুরুষের মনের এক ভিন্ন ক্রিয়া। ভালোবাসা তো এক ধরণের একরোখা, অবিরাম প্রবাহিত অনুভূতির নাম। কিন্তু পরকীয়া এক ভিন্ন ধরণের প্রেমের অনুভূতির শিরোনাম। সে প্রেম আড়াল করে রাখা হয় কৌশলে। সে প্রেম গোপনীয়তার আবর্তে থাকে মুখ লুকিয়ে। বলা যায় গভীর সমুদ্রের তলায় সচল ডুবো জাহাজের মতো। দৃষ্টিসীমার বাইরে গহীনে তার চলাচল। সেই প্রেম ভেসে উঠলেই শুরু হয় বিপত্তি। সম্প্রতি এই পরকীয়া প্রণয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে জোর আলোচনা। আলোচনায় জড়িয়ে গেছে নারী-পুরুষ উভয় সম্প্রদায়ই। পরকীয়া প্রেমের স্বীকৃতি, অস্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশ্ন উঠেছে নারী-পুরুষের ভূমিকা নিয়ে। অনেকে ব্যস্ত ভালোবাসা অথবা প্রেমের সংজ্ঞা নিয়ে নতুন করে ভাবতে।
ভালোবাসা তো আসলে রঙীন বসন্তের সুতো দিয়ে বোনা একটাই জামা। আমরা সেটাকে নানা মাপে, নানা ডিজাইনে কেটে ভিন্ন আকার দেয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কখনো সে পরিচ্ছদ শরীরে আঁটো হয়ে গেলে অথবা বেঢপ হলে ঝামেলা তৈরী হয়। আসল কথা হচ্ছে জামাটা আমরা কে কোনভাবে পড়তে চাই। মানুষের মনই আসল কথা। হয়তো শেষ কথাও। ভালোবাসা সবাই আমরা চাই। কিন্তু সে ভালোবাসা প্রাপ্তি যদি অন্যের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে, যদি সে ভালোবাসার অ্যাসিডে পুড়ে যায় সংসার, বিনষ্ট হয় শান্তি তবে সেখানে তো আর ভালোবাসা থাকে না। পড়ে থাকে শুধু ক্রিয়া। মন হারিয়ে ফেলে শরীরের ভালোবাসা তো হাহাকারের মতো।
ভালো থাকবেন সবাই।আশা করছি সবাই ভালো থাকবেন। কিন্তু দেশের মানুষ ভালো নেই। পরকীয়ার সংকটের চাইতে অনেক বড় সংকটে এখন দেশের মানুষ। বন্যায় ডুবে গেছে গোটা দেশ। আমাদের এখন সব বিতর্ক ভুলে দাঁড়ানো উচিত অসহায়, সম্বলহীন মানুষের পাশে। যার পক্ষে যেটুকু সম্ভব সেভাবেই বন্যা আক্রান্ত মানুষদের সহায়তা করার চেষ্টা করাটাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

এবার নতুন একটি বিষয় সংযোজিত হলো পত্রিকায়। লেখার সঙ্গে বাম দিকের কোণে দেখা মিলবে একটি বেলের ছবি। বেলের ওপর ক্লিক করে আপনারা মোবাইল ফোন অথবা পিসিতে নিয়মিত পেতে পারেন প্রাণের বাংলার সব আপডেট।

sign

এই সংখ্যায় যা থাকছে

ক্যামেরার চোখে

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!