প্রাণের সংযুক্তি

নান্দনিক

সাহিত্য

pb-ads

নির্বাচিত

সর্বজয়া

pb-ads

খেলার জগৎ

প্রাণের কথা

‘আমি অনেক সময় ভেবে দেখেছি, সুখী হলুম কি দুঃখী হলুম সেইটে আমার পক্ষে শেষ কথা নয়।আমাদের অন্তরতম প্রকৃতি সমস্ত সুখদুঃখের ভিতরে নিজের একটা প্রসার অনুভব করতে থাকে। আমাদের ক্ষণিক জীবন এবং চিরজীবন দুটো একত্রে সংলগ্ন হয়ে আছে মাত্র, কিন্তু দুটো এক নয়-এ আমি স্পষ্ট উপলব্ধি করি। আমাদের ক্ষণিক জীবনই সুখদুঃখ ভোগ করে;আমাদের চিরজীবন সেই সুখদুঃখ নেয় না, তার থেকে একটা তেজ সঞ্চয় করে। গাছের পাতা প্রতিদিন রৌদ্রে প্রসারিত হয়ে শুষ্ক হয়ে ঝরে যাচ্ছে, আবার নতুন পাতা গজাচ্ছে;গাছের ক্ষণিক জীবন কেবল রৌদ্র ভোগ করছে এবং সেই উত্তাপেই শুকিয়ে পড়ে যাচ্ছে, আর গাছের চিরজীবন তার ভিতর থেকে দাহহীন চির-অগ্নি সঞ্চয় করছে। আমাদেরও প্রতিদিনের প্রতি মুহূর্তের পল্লবরাশি চতুর্দিকে প্রসারিত হয়ে জগতের সমস্ত প্রবাহমান সুখদুঃখ ভোগ করছে এবং সেই সুখদুঃখের উত্তাপেই শুষ্ক হয়ে দগ্ধ হয়ে ঝরে পড়ে যাচ্ছে; কিন্তু আমাদের চিরজীবনকে সেই প্রতি মুহূর্তের দাহ স্পর্শ করতে পারছে না, অথচ তার তেজটুকু সে ক্রমাগত গ্রহণ করছে’।

ছিন্নপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন কথাই লিখেছেন। যখন বলার কথা ফুরিয়ে যায়, চলমান সময়ের স্রোতের নানা আঘাতে এ জীবনকে অসার বলে মনে হয় তখন রবীন্দ্রনাথের কাছে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না হয়তো।

সবাই ভালো থাকবেন, প্রাণের বাংলার সঙ্গে থাকবেন।

sign

pb7

শেষ সংযুক্তি

pb-6

এই সংখ্যায় যা থাকছে

bankasia-bd

ক্যামেরার চোখে

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!