প্রাণের সংযুক্তি

নান্দনিক

সাহিত্য

নির্বাচিত

খেলার জগৎ

প্রাণের কথা

গুটিসুটি পায়ে  নয় বেশ দৌড়েই বছরটা চলে গেল আর সময়তো এই ভাবেই পালায় আমাদের হাতের ফাঁক থেকে। আর মাত্র ক’দিন,তারপরই  ‘প্রাণের বাংলা’ পূর্ণ করবে তার পথচলার এক বছর। এই চলার পথে আমাদের অর্জন কী? উত্তর একটাই, স্বজন তৈরী করা, কাছের মানুষ তৈরী করা। পত্রিকাটির সূচনালগ্নে বিশ্বজুড়ে কোটি বাঙালীর প্রাণ একটি গ্রন্থিতে বেঁধে রাখার স্বপ্নই তো দেখেছিলাম আমরা। প্রাণের বাংলা পত্রিকা আপনাদের চাওয়া, আপনাদের ভালোলাগাকে কতটা ছুঁতে পেরেছে সে প্রশ্ন নিয়ত আমাদের এক অপূর্ণতার অনুভূতির মধ্যে ফেলে রাখে। কিন্তু পাশাপাশি এই ভেবে ভালোলাগে যে, এই ব্রতযাত্রায় অনেক মানুষ পেলাম আমাদের পাশে। তারা দু‘হাতে সাহায্য করলেন প্রাণের বাংলাকে পথচলার বন্ধুর সময়ে।এই বন্ধু-আর স্বজনদের সহযোগিতার জন্যই প্রাণের বাংলা শুকনো ডালে সঞ্চারিত করতে পেরেছে কয়েকটি পাতা, হয়তো ফোটাতে পেরেছে সামান্য ফুল।
সবাইকে নিয়ে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে এসে এখন মনে হচ্ছে,আমরা আগামী দিনগুলোতেও এই যাত্রা, এই স্বকীয়তা ধরে রাখতে পারবো কি? সবার আস্থা তৈরী হয়েছে।আশা এবং স্বপ্ন আরও বড় হয়েছে।তবে ভয় নয়, কুন্ঠা নয়, সাহস নিয়েই বলছি, আপনারাতো আছেনই সঙ্গী হবেন আরও অনেক স্বজন।আর আমরা এগিয়ে যাবো আমাদের লক্ষ্যে। আনন্দ দিতে পারবো আপনাদের।আপনাদের সব সমালোচনা আমরা মাথা পেতে নিচ্ছি। কারণ রবীন্দ্রনাথের সেই কথাটায় আমরাও বিশ্বাস করি, ‘‘ভালো হতো আরো ভালো হলে’’।
শেষে এসে আবারও বলি, আপনাদের মতামত এবং পর্যালোচনা আমাদের দপ্তরে পাঠান।কোন সংকোচ নয়, মন খুলে লিখুন।সঙ্গে থাকুন ‘প্রাণের বাংলা’র। সবাই ভালো থাকবেন।আমাদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

এবার নতুন একটি বিষয় সংযোজিত হলো পত্রিকায়। লেখার সঙ্গে বাম দিকের কোণে দেখা মিলবে একটি বেলের ছবি। বেলের ওপর ক্লিক করে আপনারা মোবাইল ফোন অথবা পিসিতে নিয়মিত পেতে পারেন প্রাণের বাংলার সব আপডেট।

sign

শেষ সংযুক্তি

এই সংখ্যায় যা থাকছে

মুক্তমত

আমাদের সমাজে মেয়েরা কি নিরাপদ?

কিছু শিখি

Allot (এ্যালট) – বরাদ্দ করা
Astral (এ্যাস্ট্রাল) – তারকাসন্ধীয়
Aggression (এ্যাগরেশন) – জবর দখল।
Armour (আর্মার) – বর্ম
Author (অথার) – গ্রন্থকার

ক্যামেরার চোখে

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!