প্রাণের সংযুক্তি

নান্দনিক

সাহিত্য

নির্বাচিত

খেলার জগৎ

প্রাণের কথা

কারো বাগানে শিউলি ফুল দেখলে বুঝতে পারি শরৎকাল এসে গেলো, এসে গেলো দূর্গাপূজা।ভোরবেলা শরতের হাওয়ায় কেঁপে উঠবে শেষ রাতের আবছায়াটুকু। এসময় হয়তো শিশির ঝরবে কোন গ্রামের মাঠে, যেন আকাশ থেকে খসে যাওয়া শ্রাবণের মেঘ। মন্দিরে শোনা যাবে ঢাকের শব্দ, হঠাৎ করে নামবে বৃষ্টি। বৃষ্টির আঘাতে ঝরে পড়বে কাশফুল। সময়টাই অদ্ভূত সুন্দর। কাঁটার আঘাতে বিক্ষত আমাদের এই অস্থির সময়। তার মাঝেও এই বদলে যাওয়া প্রকৃতি নিয়ে আসে অন্য ঘ্রাণ, অন্য রঙ। আর প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হয় শারদীয় উৎসব।

উৎসব মানেই আনন্দ, নতুন পোশাক আর খাবারের আয়োজন। দূর্গাপূজার সঙ্গে আমাদের বাঙালীর উৎসবের আমেজ জড়িয়ে আছে বহুকাল ধরেই। ভীড় আর উদ্বেগে আক্রান্ত এই শহর ঢাকায় সে উৎসব পাখা মেলতে না-পারলেও দূর গ্রাম অথবা মফস্বল শহরে গেলে মেলে সেই পুরনো উৎসবের ছোঁয়া।বহু নাগরিক যেন এই শহুরে নির্বাসন কাল ভুলে নস্টালজিক হয়ে ওঠেন। ফিরে যেতে চান ফেলে আসা শৈশব অথবা কৈশোরে। মানুষ তো সুন্দর সময়ের অভিমূখে যেতে চায়।যেমন গাছ যেতে  চায় আলোর দিকে । কিন্তু আবার সেই মানুষের সৃষ্ট সংকটই সে যাত্রাকে ব্যহত করে।

দেবী দূর্গা এই পৃথিবীতে আসেন অসুর নিধন করতে। তাকে শাস্তি দিতে। সনাতন ধর্মশাস্ত্রে তেমনটাই বলা আছে।মানুষের মাঝে সেই অসুর নিধনের জন্য আমরাও অপেক্ষা করে থাকি।

প্রাণের বাংলার পাঠক ও সহগামীদের জানাই পূজার শুভেচ্ছা। আপনারা সবাই মিলে অন্যদের সঙ্গে নিয়ে ভালো থাকবেন।

sign

শেষ সংযুক্তি

এই সংখ্যায় যা থাকছে

ক্যামেরার চোখে

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!