প্রাণের সংযুক্তি

নান্দনিক

সাহিত্য

নির্বাচিত

খেলার জগৎ

প্রাণের কথা

স্কুলের বাথরুমের দেয়াল, গাছ, খাতার পৃষ্ঠা, চিঠি, এখন আধুনিক স্মার্ট ফোন, কোথায় না পান পাতার মতো লাল রঙের এই চিহ্নটি আঁকা হয় নি? মুখ চলতি কথায় বলা হয় লাভ সাইন। বহু পুরনো এক সংকেত কীভাবে যেন ধীরে ধীরে ভালোবাসা অথবা হৃদয়ের প্রতীক চিহ্ন হয়ে উঠেছে। কিন্তু কোত্থেকে এলো এই চিহ্ন? কবে দখল করে নিলো আমাদের ভাবনা কেউ সঠিক করে বলতে পারে না। এখন রীতিমতো গবেষণা চলছে এই প্রতীক নিয়ে। গবেষকরা বলছেন হাজার তিনেক বছর আগের মাটির পাত্রে দেখা গেছে এ ধরণের চিহ্নের ব্যবহার। এই ভালোবাসার প্রতীক চিহ্নের অন্ধিসন্ধি নিয়ে অনেক কথা এক জায়গায় জড়ো করে রহস্য সমাধানের চেষ্টা এবার। তবুও সঠিক কোন উত্তর খুঁজে পাওয়া গেলো না। আসলে কি যায়? ভালোবাসা কি চিহ্নে লুকিয়ে থাকে? সে তো বুকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া এক অদ্ভূত অনুভূতির নাম। ভালোবাসা ছাড়া আমাদের এই বেঁচে থাকা বিস্বাদ।

অস্থির এক সময়ের মধ্যে এখন ভালোবাসার খুব প্রয়োজন আমাদের। পৃথিবী হিংসার আগুনে পুড়ছে এখন। সে আগুন নেবাবে কে? সে তো ভালোবাসাই। ভালোবাসার জয় হোক। আপনারা ভালোবাসায় থাকবেন, ভালোবাসায় রাখবেন কাছের মানুষকে।

এবার নতুন একটি বিষয় সংযোজিত হলো পত্রিকায়। লেখার সঙ্গে বাম দিকের কোণে দেখা মিলবে একটি বেলের ছবি। বেলের ওপর ক্লিক করে আপনারা মোবাইল ফোন অথবা পিসিতে নিয়মিত পেতে পারেন প্রাণের বাংলার সব আপডেট।

sign

শেষ সংযুক্তি

এই সংখ্যায় যা থাকছে

মুক্তমত

আমাদের সমাজে মেয়েরা কি নিরাপদ?

কিছু শিখি

Allot (এ্যালট) – বরাদ্দ করা
Astral (এ্যাস্ট্রাল) – তারকাসন্ধীয়
Aggression (এ্যাগরেশন) – জবর দখল।
Armour (আর্মার) – বর্ম
Author (অথার) – গ্রন্থকার

ক্যামেরার চোখে

খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!
খাঁচার ভেতর অচিন পাখি? না, খাঁচার পাখিকে অচিন বলে কী হবে! আকাশের পাখিও তো আমাদের অচেনা। আসলে জীবনের দুটো প্রান্তই আসলে মানুষের কাছে গোটা জীবন অচেনাই থেকে যায়। জীবনকে আমরা সারা জীবন চিনতে পারলাম না বলেই তো এতো জটিলতা। এই মানব জনম কেন এতো কন্কময় কে জানে!