ফুটবলে নতুন সংকট

বাংলাদেশ ফুটবলের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে সংকট। ২০১৫-১৬ মৌসুমে কাল রবিবার দেশি খেলোয়াড়দের নিবন্ধনের শেষ দিন। আজ শেখ রাসেল ও রহমতগঞ্জ দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে। শেষ দিনে আসছে অন্য ক্লাবগুলোও। তবে শেখ জামাল আবার বেঁকে বসেছে। আজ ফুটবল ফেডারেশনকে এক চিঠিতে তাদের তাদের দাবীকৃত ৯ ফুটবলারের ব্যাপারে বাফুফের সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছে ক্লাবটি।

শেখ জামালের ফুটবল কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আব্দুল গাফফার বলেন, ‘ক্লাব থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামীকাল আমরা দলবদল করতে যাব না। আমরা ফেডারেশনকে ৯ ফুটবলারের ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছি। ফেডারেশন সিদ্ধান্ত না জানালে আমরা রাষ্ট্রীয় আইনের দ্বারস্থ হব।’
দলবদলে না আসলে ঘরোয়া ফুটবলে নতুন সংকট তৈরি হবে। ফুটবল ফেডারেশন কি শেখ জামালের জন্য দলবদলের সময় বর্ধিত করবে নাকি শেখ জামালকে ছাড়াই লিগ শুরু করার সাহসিকতা দেখাবে? এই বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করছেন না বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদি। তিনি বলেন, ‘আরও ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আছে। আমরা আশা করছি এর মধ্যে সবাই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।’
বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ শেখ জামালের আবেদন প্রসঙ্গে বলেন, ‘শেখ জামাল এর আগেও এমন একটি আবেদন করেছে। প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি এই বিষয়টি দেখবে। এই সপ্তাহে প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির সভা রয়েছে।’ সার্বিক পরিস্থিতিতে বোঝা যাচ্ছে ৩০ মার্চ স্বাধীনতা কাপ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

                                                                                                                            বাফুফের নির্বাচন ৩০ এপ্রিল

bafaদেশের ফুটবল এখন অনেকটাই স্তিমিত। কিন্তু নতুন করে সরগরম হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন নিয়ে। গত কিছুদিন থেকে এপ্রিলের শেষ অথবা মে মাসের শুরুর দিকে বাফুফের এই নির্বাচন হওয়ার একটা জোর গুজব শোনা গিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, নতুন নির্বাচন আগামী ৩০ এপ্রিল। গঠন হয়েছে নির্বাচন কমিশনও।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক আমলা                    মেজবাহউদ্দিন আহমেদকে। তিনি বাফুফের গত নির্বাচনেও একই দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর অধীনে থাকা আরো দুই নির্বাচন কমিশনার হলেন- মাহফুজুর রহমান সিদ্দিকী ও আতিকুর রহমান খান।

বাফুফের এই নির্বাচন হয় চার বছর পরপর। গত দুটি নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক তারকা ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন। এবারও তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

অবশ্য গতবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন সালাউদ্দিন। এবার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে পারেন তিনি। তাঁর বন্ধু শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের সভাপতি মনজুর কাদের হতে পারেন সভাপতি পদে আরেক প্রর্থী। এই পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ সাবেক ফুটবলার গোলাম রাব্বানী হেলালেরও।