কুড়িটা রান

আহসান শামীমঃ দিবা রাত্রির প্রথম টি টুয়েন্টি ম্যাচে বৃহস্পতিবার ২০ রানে হারল বাংলাদেশ। হারের কারণ সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাজে ব্যাটিং আর বেশি পরিমান ডটবল। গত টেস্ট ও ওয়ানডে হারার পর বাংলাদেশ দলের টি-২০ দলের নেতৃত্ব পান সাকিব। মনে করা হচ্ছিল হয়ত কিছু একটা হবে। কিন্তু হলো না। তবে পরাজয়ের ব্যবধান টা ছিল খুবই সামান্য এটা সান্তনা।
১৯৬ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭৫। মেনে নিতে হয়েছে ২০ রানের হার। অবশ্য এই হার আগের কয়েকটা হারের মতো অসহায় আত্মসর্মন ছিল না। ব্যবধানেই স্পষ্ট, ২০ ওভারের ম্যাচে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটই খেলেছে বাংলাদেশ।সাকিব বলছেন, বোলিংয়ের শেষ পাঁচ ওভার ও ব্যাটিংয়ে ডট বলগুলোই বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে।

টস জয় করে ব্যাটিংএর সিদ্ধান্তে প্রোটিয়ারা।মিরাজের দুই উইকেট , রুবেল আর সাকিব ১ টা করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের শেষ পাঁচ ওভারে ৬২ রান তুলেছে প্রোটিয়ারা।আর ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ৪৫ টা ডট বল দিয়েছে প্রোটিয়াদের। সংখ্যাটা ৪৫ না হয়ে ২৫ হলেও ম্যাচ শেষে বিজয়ের হাসিটা শোভা পেতে পারত সৌম্য, সাব্বির, সাইফুদ্দিনদের । ১৭৫ রান করলেও বলার মতো ইনিংস কেবল সৌম্যর ৪৭ ও সাইফুদ্দিনের অপরাজিত ৩৯ আশা জাগিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি মুশফিক, সাব্বিররা , সাকিবরা। প্রথম ১০.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান ৯২/২।এখান থেকে ১০১ এ পৌঁছাতে আরও ৩ উইকেট হারায় বিপদে পরে যায় বাংলাদেশ।শেষ পর্যন্ত হাতে উইকেট না থাকায় বাংলাদেশকে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।

ব্লুমফন্টেইনের মাঙ্গাউং ওভালের ভেন্যু ম্যানেজার নিকো প্রিটোরিয়াস।ক্রিকেট ম্যাচে টস জেতা হারার উপর অনেক কিছু নির্ভর করলেও এই উইকেটে টস কোন গুরুত্বই রাখেনা বলেও জানিয়েছিলেন নিকো প্রিটোরিয়াস। তিনি ম্যাচের আগেই জানিয়েছিলেন ,”এটা একদম ফ্ল্যাট পিচ, যে দলই প্রথমে ব্যাট করুক না কেন আশা করছি এখান থেকে অনেক রান স্কোরবোর্ডে তুলতে পারবে। এছাড়াও এই উইকেট থেকে স্পিনারদের কোন সহায়তা পাবেনা।”
সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টির উইকেট হবে ব্যাটিং সহায়ক। উইকেট থেকে কোন ধরণের সাহায্য পাবেননা স্পিনাররা। জানিয়েছিলেন তিনি বলেছিলেন , “প্রথম ম্যাচের উইকেট থেকে ব্যাটসম্যানরা সহজেই রান করতে পারবে। এটা ১৮৫ থেকে ২০০ রানের পিচ। আশা করছি টসে জিতে প্রোটিয়ারা আগে ব্যাট করবে।” যদিও বাংলাদেশের স্পিনারাই উইকেটের দেখা পান।

ছবিঃ ইএসপিএন