দশ দিনে চুল সুন্দর করুন

pranerbanglaA1ag1আপনার চুল রূক্ষ, নিস্প্রান?চিন্তায় পরেছেন? ভয়ের কিছু নাই। মাত্র দশ দিনে চুল রেশম ,মসৃন করতে চাইলে জেনে নিন এর উপায়।

* যাদের চুল খুব রুক্ষ তারা একদিন পর পর চুল নারিকেল তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন তারপর চুলে গরম পানির ভাপ নিন।এবং রিঠা ফোটানো পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল মসৃন হবে।

* যাদের চুলের রং লালচে অথচ উজ্জ্বল ভাব চলে গেছে তারা ১০দিনের মধ্যে ৩বার  মেহেদি ও আমলা পাউডারের সঙ্গে টকদই ও ডিম মিশিয়ে চুলে লাগান। দেড় ঘন্ট পর ভেষজ কোন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

* যদি খাদ্য তালিকা থেকে মাখন বাদ দিয়ে থাকেন তাহলে এই ১০ দিন অল্প অল্প করে মাখন খাবেন। চুল উজ্জ্বল হবে।

* প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে ভিনিগার দুই চামচ পরিমান দিয়ে চুল ধুয়ে নিবেন।চুল উজ্জ্বল হবে।

* মাথায় খুশকি থাকার কারণে অনেক সময় চুল রূক্ষ হয়ে যায়।ত্রিফলার ক্বাথ ও নারিকেল তেল একসঙ্গে ফুটিয়ে রোজ মাথায় লাগালে খুশকি সমস্যা দূর হবে ও মসৃনতা ফিরে আসবে

* যাদের চুল পাকা অথচ রং করতে চান না তারা দুদিন পর পর ল্যাভেন্ডার দিয়ে চুল ধুলে চুলে আসবে শুভ্রতার ঝিলিক।

* সপ্তাহে একদিন ৪০/৫০ ফোঁটা মধু অল্প পানিতে মিশিয়ে চুল ধুলে রূক্ষ মসৃনভাব ফিরে আসবে।

* অত্যধিক খুশকির কারণে চুলেব দশা বিশ্রী হলে আদার রস, লেবুর রস ও ভিনিগার মিশিয়ে এক দিন অন্তর মাথায় লাগালে খুশকি কমে গিয়ে চুলে চিকনভাব আসবে।

* সপ্তাহে অন্ততঃ ৩দিন মুসুর ডাল বাটা চুলে লাগিয়ে আধ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেললে চুলে চিকন ভাব আসবে।

* ভাতের ফেন দিয়ে চুল ধুলে চুল উজ্জ্বল হয়।

* ছোট পেয়াজ থেঁতো করে ১ঘন্টা চুলে লাগিয়ে রেখে রিঠা ফুটিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।চুলের নিস্প্রভ ভাব চলে যাবে।

* এই১০ দিন খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমান মাছ সব্জি, ফলের রস ও পানি রাখুন।

* তিনশো গ্রাম আমলা. শিকাকাই ৬ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। পরদিন সকালে তা ফুটিয়ে ছেঁকে পানিটা বোতলে ভরে রাখুন।গোসলের পর ১০ দিন মাথায় লাগাবেন।

* এই ১০ দিন যখনই শ্যাম্পু করবেন সঙ্গে কয়েকফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিবেন। দেখবেন চুলে কেমন চমক আসবে।

* চুলে ঝকঝকে আলো ঠিকরানো মসৃনতা আনতে গেলে এই ১০ দিনের মধ্যে সপ্তাহে ২ বার কাঁচা ডিম মাথায় লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

* নারিকেল তেল বা অলিভ ওয়েল ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে  এটি মাথায় ম্যাসেজ করুন আধঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

*যদি আপনার চুল পড়ে তবে এই ১০ দিনে চুল পড়া বন্ধ করতে ১ দিন পর পর ক্যাস্টর অয়েল মাথায় লাগিয়ে গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চুলে জড়িয়ে নিন। কদিনেই চুল পড়া বন্ধ হবে।

* যাদের চুল খুব ঘন না তারা পুরো মাথার চুল সামনের দিকে এনে ১৫ মিনিট ধরে মোটা দাড়ার চিরূনি দিয়ে চুল আচঁড়ান। দেখবেন মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যাওয়ায় চুলে ঘন ভাব ফিরে আসবে।

 

স্বাগতা জাহ্নবী

 

ঘরে বসে তেল তৈরী করুন

চুলের পুষ্টির জন্য তেলের বিকল্প নেই। তেল চিটচিটে ভাবের জন্য অনেকে চুলে তেল লাগাতে চায় না। এতে চুলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে থাকে। তেল চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যোগিয়ে চুলকে সিল্কি, শাইনি করে তোলে। আমরা সাধারণত বাজারের নারকেল তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকি। আয়ুর্বেদিক তেল চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুল পড়া রোধ করে চুলকে স্বাস্থ্যজ্বল ঝলমলে করে তোলে।

* আয়ুর্বেদিক আমলা তেল

উপকরণ:১০০ গ্রাম আমলকি পাউডার, ২৫০ গ্রাম বিশুদ্ধ নারকেল তেল, ৪ লিটার পানি

প্রণালী:এক তৃতীয়াংশ আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন। অল্প আঁচে মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন পানি ১ লিটারে কমে না আসা পর্যন্ত। এবার পানিটি একটি সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। বাকী আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এখন একটি বড় পাত্রে আগের ছাকা আমলকি পানি এর সাথে আমলকির পেস্ট এবং নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার পাত্রটি চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে গ্লাস কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।pranerbanglaA1sg1

* তুলসি আয়ুর্বেদিক তেল

উপকরণ:নতুন তুলসি পাতা, অথবা তুলসি পাউডার, বিশুদ্ধ নারকেল তেল, পানি ,মেথি

প্রণালী:কয়েকটি তুলসি পাতা অথবা কয়েক চামচ তুলসি পাতা গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি তুলসি পাতা ব্যবহার করেন তবে তুলসি পাতা পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার ১০০ মিলিলিটার নারকেল তেলের সাথে তুলসি পাতার পেস্ট মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। এর সঙ্গে কয়েকটি মেথি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দেওয়ার পর নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এটি কাঁচের জারে সংরক্ষণ রাখুন। সপ্তাহে দুইবার এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যম্পু করে ফেলুন।

টিপস:আয়ুর্বেদিক তেল ঠান্ডা স্থানে রাখুন। এতে কোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করার কারণে রোদের তাপে তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যবহার পর খুব ভাল করে তেলের ঢাকনাটি লাগিয়ে রাখুন। এই তেল আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলবে।

কান্তা আহমেদ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

*বেলে আছে ভিটামিন সি । ভিটামিন সি গ্রীষ্মকালীন বহু রোগ বালাইকে দূরে রাখে।

বেল পেট ঠাণ্ডা রাখে। গরমের সময় পরিশ্রম করার পর বেলের সরবত খেলে ক্লান্তি ভাব দূর হয় ।

নিয়মিত বেল খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা কমে যায় ।

 

 

 

*টক দই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে | তাই গ্রীষ্মকালে টক দই খেলে ভালো ।

ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ এর রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে এসব অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন ।

দইয়ের ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়ক| তাই এটি পাকস্থলীর ও জ্বালাপোড়া কমাতে বা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে|।

 

 

*পুরনো তেঁতুল খেলে কাশি সারে।পাকা তেতুল খেলে কাশি সারে ।

তেঁতুল দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে ।

তেঁতুলে খাদ্যশক্তির পরিমান নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে বেশি।