হাসির হাওয়া

বাঙালীর রসবোধ বলে কথা। বাঙালীর চিন্তায় অস্পষ্টতা আছে, উগ্র মেজাজ আছে, অলসতা আছে, আছে অস্থিরতা। কিন্তু এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই সঙ্গে রসবোধটাও আছে।আর এই বোধটুকু না থাকলে অর্থনৈতিক, সামাজিক কারণে এক ধরণের নিরানন্দ জীবনের বাতাবরণে বাঙালীর মন পটল তুলতো কবেই। কোন সংকটটা নেই আমাদের? সকালবেলা বাড়ি থেকে বের হয়ে বাজারে ঢুকে জিনিসের দাম শুনলে হাসপাতালে ভর্তি হতে ইচ্ছে হয়। পথে বের হলে যানজট নামের এক ফাঁদ অপেক্ষা করে আমাদের জন্য। এই সময়টোকে মনে হতে পারে টাইম মেশিন। বাহনে বসেই চোখ বন্ধ করে ঘুরে আসতে পারেন মোঘল আমল থেকে শুরু করে মিশরীয় সভ্যতার কালে। আবার কোনোরকমে এসব অগ্নিপথ অতিক্রম করে বাড়ি ফিরে সহ্য করতে হয় গিন্নীর চোখ রাঙানী। কিন্তু এর মাঝেই আছে আমাদের রসবোধ।

এবার প্রাণের বাংলার প্রচ্ছদ আয়োজনের বিষয়ও বাঙালীর অমর রসবোধ।

আমাদের পুরান ঢাকায় এই রসিকতাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয়  পুংটামি। পুরনো শহরের খাবারের পাশাপাশি মানুষের রসিকতারও ঐতিহ্য আছে। সেই যে এক বিখ্যাত গল্প এখনি মনে করা যেতে পারে, ঘোড়ার গাড়ি চলা পুরনো আমলের শহরে এক যাত্রীর মুখে ভাড়া কমানোর কথা শুনে গাড়ির গাড়োয়ান মন্তব্য করেছিলো, ‘এইটা কী কন, হুইনা তো আমার ঘোড়াও ভি হাসবো।’ ঘোড়া হাসার ব্যাপাটা কিন্তু অসাধারণ চিন্তা। রসিকতা অথবা রসবোধ কোথায় পৌঁছালে এমন কথা অবলীলায় বলে দেয়া যায়! মহান অভিনয় শিল্পী, পরিচালক চার্লি চ্যাপলিন একবার বলেছিলেন-এই জীবনটাকে ক্লোজ আপে দেখলে ট্রাজেডি আর লং শটে দেখলে কমেডি। কী অসাধারণ কথা। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা ঠিক কোন কৌণিকে জীবনকে দেখতে চাই? জীবনের সার্কাসের তাবুতে যখন প্রতি মুহূর্তে সংকটের ক্লাউনের আগমন, জটিলতা যখন পোষা বিড়ালের মতো পায়ে পায়ে ঘোরে তখন বাঙালী মনে হয় লং শটেই জীবনকে দেখতে চায়।করতে চায় পুংটামি।

কেউ বলতে পারেন, বাঙালী অলস আর আড্ডাবাজ। তাদের অর্থনৈতিক উদ্যোগ বলে বরাবরই কম, চিন্তার চাইতে গালগল্পই তাদের কাছে প্রিয়তর। তাই তাদের অলস মস্তিষ্কে নানা ধরণের দুষ্টামী বাসা বাঁধে। কিন্তু আমি বলি, অলস মস্তিষ্কের আর একটি ইতিবাচক দিক আছে। অলস অথবা অপদার্থ মানুষ জীবনরসিকও হতে পারে। সে কিছু করে না বটে, কিন্তু দেখে, এবং যা দেখে তার অন্দরমহলে সে রসবস্তুর সন্ধান করে জৈব তাগিদেই। আর সম্ভবত এ কারণেই বেকার অথবা চাকরীজীবী, ব্যবসায়ী অথবা কেরাণী, ছাত্র, ঘোড়ার গাড়ির গাড়োয়ান, বাজারের মাছ বিক্রেতা,  সবার মধ্যেই সরস মেজাজ আর বাকভঙ্গী আছে। আর এই ভঙ্গীর জোরেই বাঙালী অশ্রুবাষ্পের জমাট মেঘের ওপর হাসির ইন্দ্রধনু ছড়িয়ে দিতে জানে।

তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে। একদিন সন্ধ্যাবেলা বাড়িতে উপস্থিত কয়েকজনকে  “হে মাধবী দ্বিধা কেন” গানটি শেখাচ্ছিলেন । এমন সময় সেই দৃশ্যপটে ভৃত্য বনমালীর আবির্ভাব, হাতে আইসক্রীমের প্লেট। রবীন্দ্রনাথকে গান শেখাতে দেখে প্লেট হাতে ঘরে ঢুকতে ইতস্তত করছিলো বনমালী। রবীন্দ্রনাথ বনমালীকে দেখে আবার গেয়ে উঠলেন- “ হে মাধবী দ্বিধা কেন’’?

সেন্স অফ হিউমার বোধ করি একেই বলে। বনমালী‘র উদ্দেশ্যে এই কৌতুকবাণ নিক্ষেপ করার সময় কবিগুরুর গোঁফের ফাঁকে যে হাসি ফুটে উঠেছিলো, সে আমি এই সময়ে বসে হলপ করে বলে দিতে পারি। কিন্তু এই মানুষটি-ই আবার যখন লেখেন-‘‘অসংগতি যখন আমাদের মনের অনতিগভীর স্তরে আঘাত করে তখনই আমাদের কৌতুকবোধ হয়, গভীরতর স্তরে আঘাত করিলে দুঃখবোধ হয়’’ তখন সেই মৃদু হাসিমাখা মুখের আড়ালে টলমল করে ওঠে অশ্রুবিন্দু। জীবন তো আসলে এমনই।

বাঙালীর এই সেন্স অফ হিউমারেই ধাক্কা দিয়েছিলেন স্বয়ং সুকুমার রায়।রামগরুড়ের ছানাদের মাঝে জাগিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন হাসির ফোয়ারা। তাঁর সেই লাইনগুলো কে ভুলতে পারে!

ঘুম নাহি তার চোখে   আপনি বকে বকে

          আপনারে কয় হাসিস যদি

          মারব কিন্তু তোকে।

সুকুমার রায়ের স্যাটায়ার এভাবেই ঘা মেরেছে নিরানন্দ মানুষকে। জাগিয়ে তুলেছে হাসির ফোয়ারা।আমাদের জীবনে শত কান্নার মাঝেও রাজত্ব করেছে হাসি।

এই এমনতর হাসি কান্নার দোল দোলানো জীবনকে হাসির ফোয়ারায় সিক্ত করে অন্যমাত্রা দিয়ে গিয়েছেন শিবরাম চক্রবর্তী। তাঁর লেখা আর জীবন কাহিনী হাসি-কান্নার নিক্তির দুই প্রান্তে আলোকচ্ছটা ছড়িয়ে দিয়েছিলো।চিরকুমার মানুষটি থাকতেন কলকাতা শহরের মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের এক মেসে। পুরো জীবন সেখানেই একটা ঘরে কাটিয়ে গেছেন। মৃত্যুর আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে ছিলেন মেসবাড়ির বাথরুমে। কিন্তু সেই সঙ্গ নিঃসঙ্গের মেসবাড়ি সম্পর্কে লিখতে গিয়ে কী লিখলেন? ‘‘১৩৪ নং মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের মেসবাড়ির দোতলার একটি ঘর । আর এই মেসবাড়ির ঘরের ‘মুক্ত আরামে , ছারপোকা পোষিত ‘তক্তারামে’ শুয়ে শুয়ে , দিনের পর দিন শুক্তারাম খেয়ে নট-নড়ন-চড়ন। জীবন তাকে ক্ষত বিক্ষত করলেও রসবোধ ছেড়ে যায়নি কখনোই।

সেন্স অফ হিউমার বা হাস্যরস বলতে মানুষ, বস্তু, বা কোন অবস্থার সে সব বৈশিষ্ট্য বা কর্মকাণ্ডকে বোঝায় যা অন্য মানুষের মধ্যে হাসির বা আনন্দের উদ্রেক ঘটায়। মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বা বিনোদনের একটি রূপ হাস্যরস । শব্দটি প্রাচীন গ্রীস এর humoral medicine নামক তত্ত্ব থেকে এসেছে। এই তত্তানুযায়ী humor নামক এক ধরনের তরল (Liquid) মানব শরীরের যাবতীয় কার্যাদি, বিশেষ করে তার আবেগ ও স্বাস্থ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে । যেকোনো বয়স বা সংস্কৃতির মানুষই হিউমার বা হাস্যরসে সাড়া দেবে বা এই সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে এটা একটা সহজাত প্রবৃত্তি। আপনি যত বেশি সেন্স অফ হিউমার বা হাস্যরস এর অধিকারী, আশে-পাশের মানুষকে ততো বেশি প্রভাবিত বা আকর্ষিত করতে পারবেন | হাসি জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ যা সহজাত। বলা যায় মানুষের জন্মগত অধিকার| এই অধিকারের পাল্লাটা বোধ হয় বাঙালীর বেলায় ভারী। এতো ভঙ্গ বঙ্গ দেশ তবু রঙ্গ ভরা। কথাটা পুরনো হলেও শ্লোগান নয়। নিরুদ্যম, অলস বাঙালীর রসবোধ নিয়ে প্রশ্ন চলে না।

বাংলা সাহিত্যের অনেক বড় বড় সাহিত্যিকই হাস্যরস নিয়ে চর্চা করেছেন । এবং তার মধ্যে অনেক রচনাই অতি উচ্চস্তরের হয়ে উঠেছে যা আমাদের চিরকালের সম্পদ হয়ে থাকবে । বঙ্কিমচন্দ্র , রবীন্দ্রনাথ, বীরবল, সুকুমার রায় , কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, পরশুরাম, নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায় , সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, তারাপদ রায়  এঁরা সবাই তাদের লেখায় সৃষ্টি করেছেন অনন্য রস। তাদের লেখার আনন্দ উপচে গেছে সময়ের পাত্র। গড়িয়ে গেছে কালকে অতিক্রম করে।
আধুনিক বাংলা কথা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্র  ছিলেন জীবনের এক ভিন্ন রূপকার। তাঁর সব রচনাতেই পাওয়া যায় মেধার পরিচয়। কিন্তু তিনি অনুভব করেছিলেন হাস্যরসকে তৎকালীন খেউড়-ভাঁড়ামির স্তর থেকে টেনে সরিয়ে আনাটা খুব প্রয়োজন। আর সেই তাগিদ থেকেই সম্ভবত কমলাকান্তের উৎপত্তি ।কমলাকান্তর ছোট ছোট স্কেচের মধ্যে যে প্রচ্ছন্ন শ্লেষ আছে তা কখনই নির্মল হাস্যরসের ধারাকে ব্যাহত করেনি। তাই কমলাকান্ত আজও অনাধুনিক হয়ে যায় নি । বাংলা সাহিত্যের এই হাস্যরসাত্নক সাহিত্যের ধারায় পথ চলতে গেলে বঙ্কিমচন্দ্রের কাছে ঋণ স্বীকার করতেই হবে । রবীন্দ্রনাথ তাঁর সৃষ্ট হাস্যকৌতুককে  স্যাটায়ার থেকে দুরেই রাখতে চেয়েছেন । তবু তাঁর কৌতুক রসের লেখাগুলি একই সঙ্গে বুদ্ধিদীপ্ত , রুচিস্নিগ্ধ , এবং প্রচুর হাসির উপাদান সম্বৃদ্ধ। আর এই হাস্যরস তো উৎসারিত হয় নিজেদের জীবনে চর্চা করা পরিমিত, তীক্ষ রসবোধ থেকেই। এমনই এক মানুষ ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর প্যারোডি গান আর ব্যাঙ্গাত্নক কবিতার ভেতরে খুঁজে পাওয়া যায় সেই স্বপ্রাণ মানুষটির অস্বিত্ব। কাজী নজরুল একবার আসাদউদ্দৌলা সিরাজীর ঘরে খেতে বসেছেন। আসাদউদ্দৌলা নিজেই ইলিশ ভাজা দিচ্ছেন সবার পাতে। ইলিশ পড়া মাত্র নজরুল সেটা খেয়ে ফেললেন। তখন কে যেন আরও কয়েক টুকরো ইলিশ দিতে যাচ্ছিলেন কবির পাতে। কবি তাকে বাধা দিয়ে বললেন, ‘আরে করছ কী!’ সেই পরিবেশনকারী বললেন, ‘ইলিশভাজা দিচ্ছি!’ কবি বললেন, ‘আমাকে এতো ইলিশ দিও না। শেষকালে বিড়াল কামড়াবে তো।’

শিবরাম চক্রবর্তীর জীবনে এমন ঘটনা ঘটেছে অবিরাম। লেখায় যেমন শব্দ নিয়ে খেলা করতে ভালোবাসতেন বাস্তব জীবনেও তার ব্যতিক্রম ঘটতো না। কথার চাবুকে আমাদের তথাকথিত জীবনের বৈপরীত্যগুলোকে তছনছ করে দিতেন। একবার এক সাংবাদিক এসেছেন শিবরামের কাছে , ঘরে প্রচুর জঞ্জাল দেখে সাংবাদিক ঢুকতে একটু ইতস্তত করছেন দেখে শিবরাম তাকে বললেন – পায়ে নোংরা লেগে থাকলে মুছে নিন না আমার বিছানায় ! হতভম্ব সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন বিছানায় মুছবো ? নির্বিকার শিবরাম বললেন – বিছানায় মানে ওই চাদরের নিচে একটা কম্বল আছে না , ওটাতেই মুছে নিন , আমিও তাই করি , চাদরটা চাকনচিকন থাকলেই হল , চাদরের নিচে আর কে দেখতে যাচ্ছে !
সেই মেসবাড়ির ঘরের দেওয়ালে পেনসিলে লিখে রাখতেন অজস্র টেলিফোন নম্বর আর ঠিকানা। বাড়িওয়ালাকে কখনোই ঘর চুনকাম করতে দিতেন না শিবরাম।এমনি রসিক মানুষটিকে আর এক রসিক পন্ডিত মানুষ সৈয়দ মুজতবা আলি প্রশ্ন করেছিলেন , এত গল্প আপনি পান কোত্থেকে , আপনার গ্রন্থের সংগ্রহ নিশ্চয়ই অনেক ? শিবরামের ঝটিতে উত্তর – একটাও বই নেই আমার ঘরে ,এমন কি আমার নিজের লেখা বইও নেই একটাও । পড়বো কখন , পড়তে গেলে আর লেখা যায় না , আর আমি তো লিখে খাই আর খেয়ে লিখি।মজদুরের মত।

এমনি হাস্যরসের মণিমানিক্য ছড়িয়েছেন সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী।জীবন তার কাছে ছিলো যেন দু আঙুলে পোষা দাস। শান্তিনিকেতনে অধ্যাপনা করতে চেয়েছিলেন আলী সাহেব। সেখানে সাড়ে চার বছর বসবাস করার পর অধ্যাপনার কাজ পেয়েছিলেন। মজা হলো চাকরি মিলে যাবার পর আলী সাহেব ১৯৬১ সালের ২০ আগস্ট সোমেন চট্টোপাধ্যায়কে লিখলেন-সাহেবের।

“শেষটায় আমিও চাকরী নিয়েছি । গত শুক্রবার, পয়লা ভাদ্র বিশ্বভারতীতে জঈন ( বানান অপরিবর্তিত) করেছি as Reader of Islamic History and German. 15th August… দেশ স্বাধীন হয়েছিল আর আমি 18th August স্বাধীনতা হারালুম। এই কাজ নিয়ে হয়তো মুহম্মদের জীবনীটি লেখা হয়ে যাবে- এই যা সান্ত্বনা।”

বঙ্কিমচন্দ্রের সেই কমলাকান্তের কথায় আবার ফিরে আসি। কোর্টে কমলাকান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে-

উকিলঃ         তোমার পেশা কী?

কমলাঃ          আমার আর পেশা কী? আমি কি উকিল যে, আমার পেশা আছে।

উকিলঃ         বলি খাও কী করিয়া?

কমলাঃ          ভাতের সঙ্গে ডাল মাখিয়া, দক্ষিণ হস্তে গ্রাস তুলিয়া, মুখে পুরিয়া গলাধঃকরণ করি।

লাইনগুলো পড়ে মনে পড়লো অনেক বছর আগে আমার এক বন্ধুর গল্প। সে বসে আছে এক হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে। পাশে বসা এক ব্যক্তি বারবার গায়ে পড়ে নানা প্রশ্ন করে যাচ্ছে আর বন্ধৃটি বিরক্ত হচ্ছে। সেই গায়ে পড়া ভদ্রলোক তাকে প্রশ্ন করে, আপনি কী করেন ভাই? আমার বিরক্ত বন্ধু অনেক কষ্টে রাগ চেপে উত্তর দেয়-চেষ্টা করি। বলাই বাহুল্য এরপর সেই ভদ্রলোক আর কোনো প্রশ্ন করেনি। বাঙালীর এই রসবোধ পৃথিবীর আর কোনো জাতির মধ্যে খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

লেখার শেষে পৌঁছে গেছি। এই রসবোধের আরেকটি গল্প বলে বিদায় নিই। ছাত্র বয়সে রাতেরবেলা কয়েক যুবক মিলে মদ্যপান করে ঘুরতে গেছে এই ঢাকা শহরের এক উদ্যানে। একটু পরেই পুলিশ এসে হাজির। কঠিন গলায় এক পুলিশের প্রশ্ন-আপনারা এতো রাতে এখানে কী করেন? এক যুবকের সোজাসাপ্টা উত্তর-চাঁদের গায়ে মুত্রত্যাগ করার চেষ্টা করি।

এরপরের পরিণতি আশা করি প্রিয় পাঠক আপনাদের বুঝিয়ে বলতে হবে না। তবু এটুকু বলা যায় এতো সংকটে এই রসবোধই বাঙালীকে বাঁচিয়ে রেখেছে, বাঁচিয়ে রাখবে।

ইরাজ আহমেদ
ছবিঃ গুগল

প্রচ্ছদ অলঙ্করণঃ জুলফিকার সুমন