হালদার প্রগ্রেস রিপোর্ট ভালো

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীকে ঘিরে তৌকির আহমেদের সৃষ্টি ‘হালদা’।  নাচ-গান বা অ্যাকশন ধাঁচের জনপ্রিয় ফর্মুলার চলচ্চিত্র না হয়েও ৮১টি হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। একে ধরা হচ্ছে চলচ্চিত্রটির প্রাথমিক সাফল্য। আর এখন ‘হালদা’ ছবি মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে সম্প্রতি বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়া দুটি ভারতীয় সিনেমাকে।

কিছুদিন আগে আমদানি করা ‘বলো দুগ্গা মাঈকী’ বক্স অফিসে একদমই জায়গা করে নিতে পারেনি। এরপর দেশিয় দুই তারকা ফেরদৌস ও বিদ্যা সিনহা মিম থাকা সত্ত্বেও প্রসেনজিৎ অভিনীত ‘ইয়েতি অভিযান’ হালে একদমই পানি পাইনি। উল্টো তিনদিনের মাথায় নেমে গেছে অনেক হল থেকে।

‘হালদা’ আর্ট হাউস ঘরানার হয়েও এখনো ঝরে পড়েনি কোনো হল থেকে। অন্যদিকে শহরের বড় হলগুলোতে দর্শক উৎসাহ নিয়ে দেখছেন। কোথাও কোথাও শুক্রবার-শনিবার কিছু প্রদর্শনী হাউসফুল গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে ৬৫ লক্ষ টাকা বাজেটের ছবিটি দেশিয় বাজার থেকে সহজেই ২০-৩০ লক্ষ টাকা তুলে নিতে পারবে। এছাড়া রয়েছে স্পন্সর ও টেলিভিশন সত্ত্ব।

বিদেশের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ব্যবসা করছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। ‘হালদা’ও ষোলটির মতো মার্কেটে মুক্তি পাবে। ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর মতো ঝড় না তুললেও দেশের বাইরে মাধ্যম মানের ব্যবসা করবে তা সহজে বলা যায়। পাশাপাশি আমাদের চলচ্চিত্র আরো শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়ালো।

 

বিনোদন ডেস্ক

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

ছবি: গুগল