এই গরমে কী করবেন, কী করবেন না

pranerbanglaA3গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। সূর্যের তেজও কমার কোন লক্ষণ নেই। কিন্তু জীবিকার প্রয়োজনে মানুষকে ঘর থেকে বের হতেই হচ্ছে। বাড়ছে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা। চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন গণহারে মানুষ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে। এ অবস্থায় গরমের উপযোগী খাবার খাওয়া আর সাবধাণতা অবলম্বন আপনাকে রক্ষা করতে পারে।
চিকিৎসকরা প্রথমেই বলছেন বেশী পানি খাওয়ার কথা। প্রতিদিন একজন মানুষের শরীরে তিন লিটার পানির প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি রাস্তায় ডাব খাওয়া যেতে পারে। তবে তারা পথের ধারে শরবতের দোকান সম্পর্কে সাবধাণ
বাণী উচ্চারণ করেছেন। তাদের মতে. এসব শরবতে যে পানি ব্যবহার করা হয় তা সবসময় ভালো ভাবে ফুটানো থাকে না। তাতে আপনি পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হতে পারেন।
রোদের তেজ থেকে নিজেকে বাঁচাতে সবসময় ছাতা ব্যবহার করতে হবে। সঙ্গে রুমাল অথবা ট্যিসু রাখা ভালো ঘাম মুছে ফেলার জন্য।
তবে এই শরবতের বদলে প্রচুর মৌসুমী দেশী ফল ও ফলের রস খাওয়া যেতে পারে।
এই গররেম ভাজা খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। না-খাওয়া ভালো মাংস। করলা ছাড়াও বিভিন্ন ধরণের তেতো সব্জী, ভর্তা খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। গরমে টক জাতীয় তরকারী শরীরকে আরাম দেবে। খেতে পারেন দই ও চিড়া।
শিশুদের ক্ষেত্রে পাতলা সুজি বা পায়েস খওয়ানো যেতে পারে। তাছাড়া মাল্টার জুস খাওয়ানো যেতে পারে।
গরমে মানুষের গোসলের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু ডাক্তারী পরামর্শ হচ্ছে, দিনে দুবারের বেশী গোসল করা আপনার শরীরের ত্বকের জন্য উপকারী নয়। বেশী গোসল না করে বারবার হাত মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
এই গরমে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকে জ্বরেও আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন এই সমস্যা দূর করতে প্রধান অস্ত্র হচ্ছে প্রচুর পানি খাওয়া। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল সর্দির হামলা থেকে আপনাকে নিরাপদ রাখবে।
গলায় খুচখুচে কাশি, টনসিলে ব্যথা থেকে বাঁচতে হলে রাতে শোবার আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গারগেল করতে পারেন। লেবু মেশানো লাল চা অথবা কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন। উপকার পাবেন।
এসব অসুখের সময় মনে রাখতে হেবে অষুধের দোকানীর পরামর্শে কোন ধরণের ওষুধ খাবেন না। বাড়াবাড়ি হলে ডাক্তার দেখিয়ে নেবেন।