জয়ের ধারায় ফের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

এজাজ রহমানঃ বিপিএল-এ ক্রমাগত হারের ধারায় থেকে আলেচিনার শিরোণাম হয়েছিল মাশরাফির টিম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এবার জয়ের ধারায় ফিরে আবারও আলোচনায় দলটি। ক্রিকেট ভাষ্যকাররা বলছেন, জ্বলে উঠতে অনেক সময় নিল কুমিল্লা। কিন্তু টানা তিন ম্যাচ জিতে শেষ চারে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাটা জোরদার করে তুললো কুমিল্লা।

ফেভারিট বরিশাল বুলস আর রাজশাহী কিংসের আগের দুই ম্যাচেই আট উইকেটে জিতেছে তারা। গতকাল মিরপুরেও সেই জয়ের ধারাটাই ধরে রাখলো দলটি। খুলনা টাইটানসকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে মাশরাফির দলের পয়েন্ট দাঁড়ালো ১১ ম্যাচে ৮। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট থাকলেও রান রেটের দিক থেকে তারা এখন কুমিল্লার ঠিক নিচে েঅবস্থান করছে।

খেলা শেষে গতকাল হাসিতে উজ্জ্বল মাশরাফি সংবাদ সম্মেলনে বলছেন, ‘শেষ কয়েকটা ম্যাচে জিততে পারায় ভালো লাগছে। সেরা হওয়াটা সবসময়ই কঠিন।তবে আপনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন কি না, সেটাই আসল কথা।’

বরিশাল ১৪২ রানের টার্গেট দিয়েছিল কুমিল্লার সামনে। লক্ষ্যটা ধরে ফেলতে বড় ভূমিকা পালন করলেন মারলেন স্যামুয়েলস। তার আগে মাত্র ১ রান নিয়ে ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ড্রেসিংরুমে ফিরে যাবার পর উইকেটে এসে ঝড় তুলেছিলেন সেমুয়েলসন। ৫৭ বলে আটটা বাউন্ডারিসহ অপরাজিত ৬৯। এই ঝোড়ো ব্যাটিংই ঘুরিয়ে দিল ম্যাচের ভাগ্য।দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি। আবার ষষ্ঠ উইকেটে লিটন দাসের সঙ্গে ৪২ রানের জুটি তৈরী করে খেলার ভাগ্যই বদলে দেন তিনি। দিনের ম্যান অব দা ম্যাচের তখমাটাও তারই।

তার আগে মাশরাফির ১১ বলে ২০ রানও দর্শকদের আনন্দ দেয়। যদিও মাশরাফির ইনিংসে কোন বাউন্ডারি নেই। ২০ রানের মধ্যে হাঁকিয়েছেন তিন ছক্কা। খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহরও অবশ্য এক ওভারে দুটি ছক্কা আছে।

কুমিল্লা সম্ভবত ১৫-১৬ ওভারে খেলাটা শেষ করতে চাইছিল। তাতে তাদের রান রেটও ভালো হতো। তবে অধিনায়ক বল হাতে মাঠে ঝলক দেখিয়েছেন। হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা নিয়েও তার বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ৪-০-১৬-৩। প্রথম বলেই তিনি ফিরিয়েছেন আবদুল মজিদকে। তারপর সংহার করেছেন হাসানুজ্জামান আর  নিকোলাস পুরানের উইকেট। ব্যর্থতার এই দিনে খুলনা দলের হয়ে সামান্য লড়াইটা করেছেন মাহমুদউল্লাই।