ক্রিকেটের কথা কিছুই যায় না বলা

এজাজ রহমানঃ স্যামি ঝড়ে ডুবলো চিটাগাংয়ের তরী। হেসেখেলে খুলনার বিরুদ্ধে জয় পেল ঢাকা। তারপরেও সামনের দিনের জন্য রইলো টেনশন। এবার বিপিএল-এর শিরোপা কার ঘরে যাবেেএ প্রশ্নের উত্তর সহজে দেয়া সম্ভব নয়। ক্রিকেটের বেলায় তো আরও নয়।

রাজশাহী আর চিটাগাংয়ের ম্যাচটার কথাই ধরা যাক। স্যামি যখন ব্যাট করতে এলেন তখন বেশ অনেকটাই ত্রাহি অবস্থা রাজশাহী দলের। লক্ষ্যে পৌঁছাতে ৫৯ বলে প্রয়োজন ৮৮ রান। নেই কঠিন পথে স্যামির সঙ্গে জুটি বাঁধলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন সপ্তম উইকেটে যোগ করলেন ৩৭ রান।দলের জন্য আশার আলোটা একটু জ্বলে উঠলো। তারপর হঠাৎ মিরাজের রান আউট যেন আশার আলো নিভিয়ে দিল। তখন রাজশাহীর সামনে টার্গেট ৩৪ বলে ৪৩ রান। পিচে যেন ঝড় হয়ে দেখা দিলেন স্যামি। সংহার মূর্তি ধারণ করে েএক ওভারে মারলেন তিন বাউন্ডারি। অষ্টম উইকেট পর্যন্ত জুটি বেধে যোগ করলেন ২৫ বলে ৪৯ রান। ২৭ বলে স্যামির অপরাজিত ৫৫ রানই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় জানিয়ে দিল তামিম ইকবালের চিটাগাং ভাইকিংসকে।

ক্রিস গেইল আর তামিম মিলে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। দুজন দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ বলে যোগ করেন ৭৪ রান। তারপরেই গেইলের বিদায়। একই পথ ধরে ফিরে গেলেন তামিমও। এরপর শুরু হয় চিটাগাংয়ের পিছু হটার পালা।

ঢাকা ডাইনামাইটসের ম্যাচটা ছিল নিরুত্তাপ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে খুলনাকে ৫৪ রানে হেসেখেলে হারিয়ে সাকিবের দল পা রাখলো ফাইনালে।

ঢাকার এই বড় জয়ের মূল স্থপতি দুই ক্যারিবিয়ান আন্দ্রে রাসেল ও ডোয়াইন ব্রাভো। ব্যাটিং আর বোলিং দুই জায়গাতেই উজ্জ্বল ছিলেন ক্যারিবিয়ান খেলোয়াড়রা। ১৩.৪ ওভারে ৮৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকা যখন চাপের মুখে তখনই রাসেল আর ব্রাভো হাল ধরেন। তাদের ৩২ বলে ৪৯ রান লড়াই করার শক্তি পায় ঢাকা।

ম্যাচটা কিছুটা একপেশে হলেও পাওয়ার প্লেতে দুই দলের রানই সমান ছিল। মাহমুদউল্লাহ কাল তেমন কিছু করতে পারেনেনি। ৫ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। একই ওভারে আরেকটি উইকেটের পতন ঘটায় এলোমেলো হয়ে যায় খুলনা দল। অবশ্য এই হারে সব আশা শেষ হয়ে যাচ্ছে না খুলনার। ফাইনালে যেতে হলে আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীকে বধ করতেই হবে তাদের।