বাচ্চাদের দাঁতের সমস্যা ও সমাধান

ডাঃ অরূপ কুমার সাহা

ডাঃ অরূপ কুমার সাহা

আমাদের মায়েরা বাচ্চাদের দাঁতের বিষয়ে অনেক চিন্তিত !বাচ্চাদের মুখের রোগ সমূহ , লক্ষণ সমূহ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা এর প্রধান অন্তরায়। পেডোডন্টিক্স বা পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি একটি বয়স ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ বিষয়।এতে প্রাথমিক/অস্থায়ী দাঁত ও স্থায়ী দাঁত এর রোগ প্রতিরোধ, চিকিৎসা এবং মুখের অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বিধান দেওয়াহয়।এটাইনফ্যান্টস্ ও বাচ্চা থেকে এডোলসেন্ট বয়স( ১৮বছর) পর্যন্ত এর অন্তর্ভূক্ত।এটা মুখ ও দাঁতের সুস্থতা, ব্যাথা নির্মূল, সংক্রমণ প্রতিরোধ, প্রতিকার এবং কার্য ক্ষমতা ঠিক রাখে এবং প্রাথমিক অবস্থায় রোগ প্রতিরোধ করায় বিশেষ ভূমিকা রাখে বাচ্চাদের বিশেষ প্রয়োজনীয়তার বিষয় প্রধান্য দেয় (শারীরিক, মানসিকওচিকিৎসাগত)।

 

বাচ্চাদের দাঁতের প্রধান অসুখ সমূহঃ

* বেবি বোটল ক্যারিজ / দন্তক্ষয়।

* মুখে হাত বা আঙ্গুল চোষা

* আঘাত জনিত

* আঁকাবাকা দাঁতdr-_dec3

* মাড়ির প্রদাহ

* মাড়ির সংক্রমণ

* প্রাথমিক হারপিস সংক্রামণ

* কোল্ড সোর

*হারপিস জোস্টার

* ইমপেটিগো

* স্কারলেট ফিভার

*ক্যানডিডিয়াসিস ( থ্রাস)

*এপথাসআলসার

  প্রতিরোধের উপায়:

পরিস্কার কাপড় দিয়ে নিয়মিত বাচ্চাদের দাঁত পরিস্কার (বিশেষ করে যে বাচ্চারা রাতের বেলা মিষ্টি জাতীয় খাবার খায়) রাখতে হবে।

নিয়মিত দুই বেলা ব্রাশ করা। ( বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার পরদাঁত পরিষ্কার রাখা)।

নিয়মিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে মুখের চেকআপ করা।

বাচ্চারা মুখে বোতলে কোন খাবার দিয়ে বিছানায় দেয়া যাবে না।

যদি দাঁতের রং এর পরিবর্তন বা সাদা দাগ দেখা যায় তবে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে।

সঠিক নিয়মে দাঁত ও মুখের যত্ন নিতে হবে ( ব্রাশ, ফ্লস, মাউথ ওয়াশ এর সঠিক নিয়ম জানতে হবে )

ফ্লোরাইডযুক্ত খাবার, মাউথ ওয়াশ ও টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে।

স্বাভাবিক দাঁতের খাবার জমলে, নিচু অংশগুলো সিলেন্ট জাতীয় ফিলিং দিয়ে পূরণ করতে হবে।

নিয়মিত বছরে দুই বার বিষেশজ্ঞ ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়ে ওরাল চেকআপ করতে হবে।

সহকারীঅধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান,

হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হসপিটাল ডেন্টাল ইউনিট, ঢাকা