আমার শহর – দিল্লি

দীপারুণ ভট্টাচার্য্য

দীপারুণ ভট্টাচার্য্য

আমার শহরে আজকে যখন, বসেছে চাঁদের হাট,
আমার শহরে আজকে তখন, অমাবস্যার রাত।

সত্যি বলতে ‘আমার শহর’ নিয়ে লেখা আমার জন্য একটু মুস্কিলের। কারণ এখনও পর্যন্ত আমি ৬-৭টা শহরে থেকেছি। পড়াশুনা ও কর্মসূত্রে বারবার পাল্টেছে আমার শহুরে ঠিকানা। তাই কোনটা সঠিক অর্থে আমার শহর, আমি জানি না। কবীর সুমনের একটা গান মনে পড়ে, ‘এই শহর জানে আমার প্রথম সব কিছু, পালাতে চাই যত সে আসে আমার পিছু পিছু’ – আমার ক্ষেত্রে সব শহরই আমার কিছু কিছু প্রথম জানে, তাই নির্বাচন বেশ কঠিন। কিন্তু যদি এভাবে ভাবি, কোন শহরে থেকেছি সব চেয়ে বেশি সময়? তাহলে কোলকাতা কে নিয়ে লিখতে হয়। কিন্তু আমি ভাবছি লিখবো দিল্লি শহরটাকে নিয়ে। যেখানে আমি রয়েছি বিগত কয়েক বছর।

প্রথম যৌবনে শুনেছিলাম অঞ্জন দত্তের শ্রুতিনাটক, ‘প্রিয় বন্ধু’। যেখানে নায়ক অর্ণবের বান্ধবী, আসমা চৌধুরী জয়িতা কোলকাতা থেকে চলে যায় দিল্লিতে। তাকে আটকাতে অর্ণব বলেছিল, ‘দিল্লি খুব খাজা জায়গা’। সেই আমার দিল্লি সম্পর্কে প্রথম শোনা। তারপর অফিসের কাজে অনেক বার নতুন দিল্লি এসেছি। কিন্তু কখনও পাকাপাকি থাকার কথা ভাবিনি। কিন্তু ভাগ্য বলে তো একটা বস্তু আছে। তাই জীবন সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে একদিন কোলকাতার চাকরিতে জবাব দিয়ে সেই দিল্লিতেই এলাম নতুন চাকরি নিয়ে। তখন ভেবেছিলাম ২-৪ বছর পর আবার পাকাপাকি কোলকাতায় ফিরবো। এখন অবশ্য আমার সে ধারণা বদলেছে। সে বছর প্রবল ঠান্ডা পড়েছিল দিল্লিতে। তার পর আরো কয়েকটা শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা পেরিয়ে এই শহরটাকে আমি খানিকটা চিনেছি; এখনো চিনছি।

ইন্ডিয়া গেট, নতুন দিল্লি

ইন্ডিয়া গেট, নতুন দিল্লি

আমরা যদিও দিল্লি বলি, কিন্তু আসল নাম দুটি। পুরাতন শহরের নাম দিল্লি ও নতুন অংশের নাম নতুন দিল্লি।
নতুন দিল্লি, ভারতের এই রাজধানী শহরটি প্রকৃত অর্থে কিন্তু শহর নয়। তার থেকে অনেক বড়। একটা উদাহরণ দিলে শহরের ব্যাপ্তি খানিকটা পরিষ্কার হবে। নির্বাচনে কোলকাতাতে আছে দুটি  লোকসভা কেন্দ্র। দিল্লিতে আছে সাতটি। এবাদে আশপাশের রাজ্যের চার পাঁচটি জেলা মিলে গেছে দিল্লির সঙ্গে, তৈরি হয়েছে Delhi NCR (National Capital Region)। এর মধ্যে হরিয়ানার ফরিদাবাদ ও গুরগাঁও এবং উত্তর প্রদেশের নয়ডা ও গাজিয়াবাদ উল্লেখযোগ্য। এ শহর এতো বিশাল যে আমাকে রোজ প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ চলতে হয়, অফিসে যাতায়াতের জন্য। আমাদের অফিসে এমন মানুষ আছেন যারা রোজ ১৫০কিমি যাত্রা করেন। কেউ কেউ করেন তার থেকেও বেশি। যত বড় শহর, জীবন সংগ্রাম ততোই কঠিন।

দিল্লি নিয়ে সংগ্রাম কিন্তু কিছু কম হয়নি। ইতিহাসে খুঁজলে দেখা যাবে এই শহরের সৃষ্টি মহাভারতের সময় থেকে। পাণ্ডবেরা এখানেই তাদের রাজত্ব স্থাপন করেন। তখন নাম ছিল ইন্দ্রপ্রস্থ। বিগত হাজার বছরে দিল্লি দেখেছে অনেক রাজ বংশের রাজত্ব।

লাল কেল্লা

লাল কেল্লা

আফগান যোদ্ধা মোহাম্মদ ঘোরীর কাছে ১১৯২ সালে পরাজিত হন রাজপুত সম্রাট পৃথীরাজ চৌহান এবং ১২০৬ সালে ঘোরী দখন নেন দিল্লির। এরপর বিভিন্ন সুলতানের হাত ঘুরে আসে লোদীবংশ। ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীকে হারিয়ে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন বাবর। বাবর ও তার সন্তান হুমায়ুন প্রায় ১৪ বছর রাজত্ব করেন। এরপর হুমায়ুনকে পরাজিত করে শেরশাহ বেশ কিছুদিন রাজত্ব করেন। তারপর আবার আসেন হুমায়ুন। এরপর আকবর ও জাহাঙ্গীর। এই সময় রাজ্যপাট মূলত চলত ‘আগ্রা’ শহর থেকে। ১৬৩৮ সালে দিল্লি আবার হয়ে ওঠে ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দু যখন শাহজাহান দিল্লিতে তৈরি করেন কেল্লা। এরপর বহু বছর দিল্লি ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী। ১৮০৩ সালে এই শহর আসে ব্রিটিশ রাজত্বের অধীনে। তখন কোলকাতা ছিলো ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী। ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার রাজধানী কোলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে আসেন। ব্রিটিশ সরকার পুরাতন শহরের বাইরে নতুন শহর গড়তে শুরু করেন। নাম হয় নতুন দিল্লি। আর ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই নতুন দিল্লিকেই সরকারি ভাবে বেছে নেওয়া হয় দেশের রাজধানী হিসাবে।

শহরের মাঝে উদ্দাম পায়রারা

শহরের মাঝে উদ্দাম পায়রারা

প্রথম দিল্লি এসে যেটা অনুভব করছিলাম তা হল, ‘দিল্লি দিলওয়ালোকা’। অর্থাৎ দিল্লির লোকেরা দিলদার। কোলকাতায় ২-১ টাকা নিয়ে প্রায়ই বচসা হতে দেখেছি বাজারে দোকানে বা আটো রিক্সাতে। এখানে সেসব তুচ্ছ তুল্যমূল্য বিচার করতে কাউকে দেখিনি সেভাবে। তবে দেখানো ব্যাপারটা কিন্তু এখানে অনেক বেশি। এক বন্ধু এর নাম দিয়েছে, ‘আত্ম-প্রদর্শন’। নিজেকে বিরাট করে দেখানো। এতোটা show-off আমি বাণিজ্যিক শহর মুম্বাইতেও দেখিনি। মনে হয় পুরোন রাজবংশের কিছু অভ্যাস এখনো রয়ে গেছে এই শহরে। যেমন রয়েছে মৌখিক সম্মান প্রদর্শন। পাড়ার অপরিচিত ছেলে মেয়েরাও দেখা হলেই বলে, ‘নমস্তে’। পরিচিত লোকেরা দেখা হলেই জানতে চান কেমন আছি। দুয়েকটা কথার পর পাশের বাড়ির মানুষটি হামেশাই বলেন, ‘এসো, এক সাথে চা-নাস্তা করা যাক’। সর্বোপরি প্রায় সবাই হাসিমুখে তাকান সহ নাগরিদের দিকে। ভালোলাগে।

জামা মসজিদ

জামা মসজিদ

নতুন ও পুরাতন দিল্লির এক বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে শহরের দর্শনীয় স্থান গুলো। কুতুব মিনার এই তালিকায় সবার উপরে। ১১৯৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন কুতুবুদ্দিন আইবক। সাড়ে বাহাত্তর মিটার উঁচু এই মিনার পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ইঁট-চুন-সুরকি নির্মিত মিনার। ১৩২১ সালে তৈরি হয় মহম্মদ বিন তুঘলকের কেল্লা। কেল্লার বর্তমান অবস্থা অবশ্য ভালো নয়। সে তুলনাতে অনেক ভালো আছে ১৫৬৫ সালে নির্মিত হুমায়ুনের কবর বা ‘হুমায়ুন টুম্ব’ ।
১৬৪৮ সালে তৈরি হয় দিল্লির বিখ্যাত লাল কেল্লা। সেখান থেকেই এক সময় রাজ্যপাঠ চালিয়েছিলেন মুঘলরা। হয়তো বা সেই জন্যই, প্রতি বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১৫ই আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লায় পতাকা উত্তোলন করেন।

এছাড়াও শহরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক স্মৃতিসৌধ। প্রাচীন ধর্মস্থান গুলোর মধ্যে জামা মসজিদের নাম বলতে হয় সবার আগে। ১৬৪৮ সালে নির্মিত এই মসজিদে এক সাথে পঁচিশ হাজার মানুষ নামাজ পড়তে পারেন। এছাড়াও শিখ ধর্মালম্বীদের বাংলা সাহেব গুরুদোয়ারা, বাহায় ধর্মালম্বীদের লোটাস মন্দির, হিন্দু ধর্মালম্বীদের কালকাজী মন্দির ইত্যাদি। নবীন মন্দির অক্ষরধাম বহন করছে আধুনিক স্থাপত্যের সুন্দর নিদর্শন। জৈন ধর্মালম্বীদের জন্য দিগম্বর জৈন মন্দির ও সুবিশাল মহাবীর মূর্তি আছে অহিংসা স্থলে। এবাদে বিশ্ব বিখ্যাত সুফি গুরু হজরত নিজামুদ্দিনের দরগাও এই শহরের এক উল্লেখ যোগ্য আকর্ষণ।

নিজামুদ্দিন দরগা

নিজামুদ্দিন দরগা

নতুন দিল্লির প্রাণকেন্দ্র Connaught Place এর খুব কাছেই রয়েছে ‘যন্তর-মন্তর’। ১৭২৪ সালে মহারাজা জয়সিং দ্বারা নির্মিত এই স্থাপত্যটি বড়ই সুন্দর। অদূরে অতি পরিচিত ‘ইন্ডিয়া গেট’ যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত ভারতীয় সৈন্যদের স্মৃতিসৌধ। এর খুব কাছে ভারতের রাষ্ট্রপতির নিবাস, ‘রাষ্ট্রপতি ভবন’। ১৯১১ সালে নির্মিত এই সুবিশাল ভবন ও উদ্যান এক বিশেষ দর্শনীয় স্থান। Online booking এর মাধ্যমে যে কোন সাধারণ মানুষই দর্শন করতে পারেন ‘রাষ্ট্রপতি ভবন’। তিন বছর আগে আমারও হয়েছিল সেই সুযোগ। এমনই কত শত স্থান রয়েছে দিল্লি ও তার আসে পাশে। সব কিছু এখনও পর্যন্ত আমি নিজেই দেখে উঠতে পারিনি। তবে এই শহরটি ভালোলাগার আরও একটা কারণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান। আমার মত যারা পাহাড়ে ঘুরতে ভালোবাসেন তারা এক বাক্যে এই কথাটি মেনে নেবেন। এই শহরে থাকার সুবাদে আমি উত্তরাখন্ড ও হিমাচল প্রদেশে প্রচুর ঘুরেছি। আমি গাড়ি চালাতে শিখেছি দিল্লি আসার পর। আর পাহাড়ে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা হয়েছে শুধুমাত্র এই শহরে থাকি বলেই।

রাষ্ট্রপতি ভবন

রাষ্ট্রপতি ভবন

দেশের রাজধানী হওয়ার জন্য সারা ভারতের মানুষের সমাগম হয় এই শহরে। তাই সারা দেশের বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্র, গান, নাচ, নাটক ও আরও অনেক কিছুই মঞ্চস্থ হয় এই শহরে। মূলত সরকারি ও বেসরকারি অনুদানে পুষ্ট অধিকাংশ অনুষ্ঠানেই প্রবেশ থাকে অবাধ। ‘প্রগতি ময়দানে’ প্রায় সারা বছর চলতে থাকে কোন না কোন মেলা। কখনো বই, বাণিজ্য, শিল্প, হস্তশিল্প, খাদ্য ইত্যাদি। ‘দিল্লি হাট’ নামক ছোট মেলা প্রাঙ্গনটি সারা বছর ধরে মানুষকে দেয় একই জায়গাতে সারা ভারতের প্রত্যেক রাজ্যের হস্তশিল্প সংগ্রহ ও খাদ্য গ্রহণের সুযোগ। আমার বাড়ির খুব কাছে সুরাজকুন্ডে প্রতি বছর শীতের শেষে হয় আন্তর্জাতিক হস্তশিল্প মেলা। যেখানে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের শিল্পীদের কাজ। দর্শক হিসাবে আমার কাছে এই মেলার অন্যতম আকর্ষণ দেশ-বিদেশের লোকশিল্পীদের কলা প্রদর্শন দেখার সুযোগ।

চিত্তরঞ্জন পার্ক নামক বসতিটি দিল্লির বাঙ্গালীদের জন্য এক টুকরো বাংলা। এখানে এলে বোঝা কঠিন দিল্লিতে আছি না কোলকাতাতে। বিভিন্ন ধরনের মাছ ও মিষ্টি পছন্দ করি বলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন আমাকে চিত্তরঞ্জন পার্কের বাজারে আসতেই হয়। আসতে হয় বাংলা বই ও ম্যাগাজিন সংগ্রহ করতেও।

চিত্তরঞ্জন পার্কের মাছের বাজার

connaught প্লেস

ভারতের মতো এতো বড় দেশের রাজধানী হিসাবে নতুন দিল্লির দায়িত্ত্ব অনেক। ভারতের সব প্রান্তের মানুষকে, সব ভাষার মানুষকে, সব ধর্মের মানুষকে জায়গা করে দেওয়াটাই এক বিরাট কাজ। নতুন দিল্লি তা দীর্ঘ দিন ধরে পালন করে চলেছে সফল ভাবে। তার সঙ্গে সঙ্গে নতুন দিল্লি বজায় রেখেছে তার সুন্দর প্রকৃতি কে। এই শহরটা এতো সবুজ যে অন্য শহর থেকে এখানে ফিরলেই আমার মন ভালো হয়ে যায়। পথে চলতে চলতে পায়রাদের দানা খাওয়া ও উড়ে যাওয়া দেখে দূর হয় আমার নাগরিক ক্লান্তি। এই শহরে টিয়া পাখিরা উড়ে বেড়ায় ঝাঁকে ঝাঁকে। আমার বাড়ির পিছনের পেয়ারা গাছ থেকে তারা পাকা ফল খেয়ে পালায়। এসব দেখতে দেখতে মনটা আনন্দে ভরে ওঠে।

পাশের বাড়ির টিয়া

পাশের বাড়ির টিয়া

নতুন দিল্লি বোধহয় পৃথিবীর একমাত্র রাজধানী যেখানে শহরের মধ্যেই রয়েছে বিরাট পাখিরালয়। জায়গাটার নাম ‘ওখলা’। শীতের সময় এখানে পরিযায়ী পাখীদের মেলা বসে। এখানে বাড়ির পাশের পার্কে ময়ূর দেখাটা কিন্তু কোন আশ্চর্য ঘটনা নয়। (যেমন আশ্চর্য ঘটনা নয় বারান্দাতে বাঁদরের উৎপাত।) শীতকালে ওখলা পাখিরালয় বা ‘হ্জখাস’ কেল্লার সামনের সুবিশাল সরোবরে যখন ধবল হাঁসদের ঘুরে বেড়াতে দেখি তখন জীবনান্দের কবিতা মনে পড়ে যায়। এই শহরে আমি হরিণ ও নীলগাইদের নিশ্চিন্তে ঘুরতে দেখেছি হ্জখাস, ওখলা পাখিরালয়, জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর ইত্যাদি জায়গা গুলোতে।

ওখলার বাগানে হরিণ

ওখলার বাগানে হরিণ

আমার বাড়ি থেকে অফিস যাওয়ার ৪০কিঃমিঃ পথের মধ্যে প্রায় ২০-২২কিঃমিঃ বাবলা ও পলাশের জঙ্গল। জায়গাটা পৃথিবীর প্রাচীন ও মৃত পর্বতমালা আরাবল্লীর অংশবিশেষ। শীতের শেষে পলাশ ফুল জানান দেয় বসন্ত এসে গেছে। কোন কোন দিন গাড়ি থামিয়ে সেই হাজার হাজার পলাশের দিকে তাকিয়ে মনে পড়ে হেমন্ত মুখার্জীর সেই গান, ‘বনে কি আগুন লেগেছে, না না না পলাশ ফুটেছে’।

এ সব নিয়েই ভালো আছে দিল্লি। এসব নিয়েই ভালো থাকবে পৃথিবীর সব চেয়ে সবুজ রাজধানী শহর নতুন দিল্লি। আমার বর্তমান ভালোবাসা। শুরুর মতোই শেষ করা যাক দুলাইন কবিতার সাথে।

তোমার কথা জানিয়ে দেবো
অনেক দূরের দেশে,
তোমার কথা বলবো তাদের
অনেক ভালোবেসে।

অরবিন্দ আশ্রম এর বাগানে নিশ্চিন্ত ময়ূর

অরবিন্দ আশ্রম এর বাগানে নিশ্চিন্ত ময়ূর

ছবি:সোময়েত্রী ভট্টাচার্য্য