অ্যামাজনের জিনিস পৌঁছাবে ড্রোন

শুরু হয়ে গিয়েছে কমার্শিয়াল ভাবে ড্রোনে ব্যবহার। অ্যামাজন এমন এক উড়ন্ত ওয়্যারহাউজের পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছে। যেখান থেকে তারা ড্রোনের মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। amazon-looking-to-test-prime-air-delivery-dronesঅ্যামাজনের পরিকল্পনা হচ্ছে বিশাল এয়ারশিপ দিয়ে তারা এই ওয়্যারহাউজগুলো বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে সেসব জায়গায় যেখানে কোনও পণ্যের বেশি ভালো চাহিদা রয়েছে। এরপর সেখান থেকে আকাশপথে ড্রোন দিয়ে এসব পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অ্যামাজন বলছে, বড় বড় খেলাধূলার ইভেন্টের সময় এরকম উড়ন্ত এয়ারশিপ থেকে খাবার বা ড্রিংস সরবরাহ করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে দিনের বেলায় এই সেবা দেয়া হবে। মাত্র ৩০ মিনিটেই ড্রোনের মাধ্যমে ডেলিভারি সম্পূর্ণ করা হবে এবং এর জন্য আলাদা করে কোনো খরচও গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, অনলাইনে জিনিসপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে অ্যামাজন বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি। অনেকদিন ধরে তারা চেষ্টা করছে ড্রোন ব্যবহার করে কিভাবে দ্রুত মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া যায়। ইংল্যান্ডে গ্রাহকের পছন্দ করা জিনিস পৌঁছে দিতে প্রথমবারের মতো ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন। প্রথমবার কেমব্রিজে ড্রোনের সাহায্যে এই ধরনের ডেলিভারি করা হয়েছে। এক গ্রাহক একটি অ্যামাজন ফায়ার টিভি ও পপকর্নের প্যাকেট অর্ডার করেছিলেন। মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের বাড়িতে অর্ডার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। এর আগে গুগল ড্রোন ব্যবহার করে ভার্জিনিয়া বিচে ডেলিভারি করেছে। এমনকি, পিৎজা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডমিনাস-ও নিউজিল্যান্ডে ড্রোনের সাহায্যে পিৎজা ডেলিভারি করেছে।
উল্লেখ্য যে, অ্যামাজনের মতো আরও অনেক কোম্পানি ড্রোনের এরকম ব্যবহার নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। কিন্তু এসব ড্রোন খুব বেশি পথ পাড়ি দিতে পারে না তাদের ব্যাটারির শক্তি ফুরিয়ে যায় বলে। তবে অ্যামাজনের দাবি, তাদের টেকনোলজি এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে।

তথ্য ও ছবিঃ  ইন্টারনেট