আজো র‌্যাকুয়েল ওয়েলচ…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

একদা পাদপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাষিত সেইসব মুখ। পৃথিবী জুড়ে সিনেমার পর্দায় দর্শকদের হাসিয়েছেন আবার কাঁদিয়েছেন। তৈরী করেছেন লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিয়েছেন আবার কেউ চলে গেছেন বিস্মৃতির গভীরে।

হলিউডের একদা পর্দা কাঁপানো সেইসব অভিনেতা, অভিনেত্রীদের নিয়ে প্রাণের বাংলার নতুন আয়োজন- প্যাকআপ । প্রতি সপ্তাহে চোখ রাখুন প্রাণের বাংলায়। 

অভিনীত সবচাইতে আলোচিত ছবি ‘ওয়ান মিলিয়ন ইয়ার্স বি.সি’ তে মাত্র একটি সংলাপ উচ্চারণ করেছিলেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু এই ছবিটিই তার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। এর আগে ক্রিস্টেন্ড জো র‌্যাকুয়েল টেজেডা ওয়েলচকে কে চিনতো? কিন্তু দীর্ঘ নামটি একটু কেটেছেটে যদি বলা হয় র‌্যাকুয়েল ওয়েলচ তাহলে সিনেমার অনেক দর্শকই নড়ে বসবেন, হাতড়াবেন স্মৃতির বাক্স। কারণ হলিউডের ছবির দুনিয়ায় সেক্স অ্যাপিলের জন্য বিখ্যাত র‌্যাকুয়েল ওয়েলচকে কে না চেনেন।

র‌্যাকুয়েল ১৯৬৬ সালে ‘ফ্যান্টাস্টিক ভয়েজ’ সিনেমায় অভিনয় করে পরিচালকদের নজরে পড়েন। তার আগে অভিনয় করতে এসে হালে পানি পাচ্ছিলেন না তিনি। কিন্তু ‘ফ্যান্টাস্টিক ভয়েজ’ র‌্যাকুয়েলকে ততটা পরিচিত করে তুলতে পারেনি যতটা পেরেছিলো একই বছর মুক্তি পাওয়া ‘ওয়ান মিলিয়ন ইয়ার্স বি.সি’ ছবিটি। মাত্র একটি দুর্বোধ্য সংলাপ বলেই বাজিমাত করেছিলেন তিনি। বিকিনি পরা আবেদনময়ী এই অভিনেত্রীকে দেখে চমকে উঠেছিল পৃথিবীর সিনেমা দর্শকরা। বিকিনি পরা র‌্যাকুয়েলের ছবির পোস্টার চোখের পলকে লক্ষ লক্ষ কপি বিক্রি হয়ে যায়। বলা হয়ে থাকে আলোচিত সিনেমার পোস্টার হিসেবে এটি এখনও সংগ্রহের তালিকায় ওপরের দিকেই অবস্থান ধরে রেখেছে।

আজো এই হলিউড সুন্দরী তার আবেদনকে ধরে রেখেছেন বলেন ক্যামেরার পেছনের মানুষরা। পরিবর্তন ঘটেনি তার সেই মাখনের মতো পেলব ত্বকের।

এরপর আর ফিরে তাকানে হয়নি এই উত্তাপ ছড়ানো অভিনেত্রীকে। ১৯৯৫ সালে এম্পায়ার পত্রিকা র‌্যাকুয়েলকে পৃথিবীর ১০০ জন যৌন আবেদনময়ী অভিনেত্রীর মধ্যে একজন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিখ্যাত প্লে বয় পত্রিকা তাদের হান্ড্রেড সেক্সিয়েস্ট স্টার অফ দি টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরির তালিকায় তাকে রেখেছে তৃতীয় স্থানে।

কিন্তু শুধুই যৌনতার ঘেরাটোপে আবৃত থেকেছেন এই অভিনেত্রী এ কথা বললে ভুল করা হবে। ১৯৭৪ সালে‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি জিতে নেন গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। ১৯৮৭ সালে টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘রাইট টু ডাই’-এ অভিনয়ের জন্য আবারও গোল্ডেন গ্লোব নমিনেশন লাভ করেন।

র‌্যাকুয়েল ওয়েলচ অভিনীত বিখ্যাত ছবির তালিকায় আছে ‘ব্যাজেল্ড’, ‘হান্ড্রেড রাইফেলস’, ‘ব্যান্ডালেরো’।

১৯৪০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনজনের সঙ্গে আবদ্ধ হয়েছেন বিবাহ বন্ধনে। লিখেছেন নিজের আত্নজীবনী।

বিনোদন ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]