আমার জায়গায় আমি স্টার

ইমরুল শাহেদ

অভিনেত্রী ও মডেল তারকা প্রিয়াংকা জামানের গ্ল্যামার জগতে বয়স  চার  বছর। বিটিভির প্রযোজক মোস্তাফিজুর রহমানের ছায়াছন্দ অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও এখন প্রিয়াংকা থিতু হয়েছেন মিউজিক ভিডিও, টিভিসি এবং নাটকে। ক্যারিয়ারের স্বল্প পরিসরে তিনি ১৪টি মিউজিক ভিডিও, ১২টি টিভিসি ও তিনটি নাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রেম থেরাপি, হৃদয় ঘটিত এবং প্রেসটিজ। তবে তিনি আলোচিত হয়েছেন আসিফের সঙ্গে লুকোচুরি মিউজিক ভিডিওটির জন্য।তবে চার বছরের হিসেবে তার কাজের সংখ্যা কম কেন জানতে চাইলে প্রিয়াংকা বলেন, আমি সব সময়ই মানসম্পন্ন কাজের সন্ধান করি। মনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করি না। ভালো কাজ হলেই করি।
পারফর্মিং আর্টের এই তিনটি শাখায় অবাধ বিচরণের পর এখন তিনি মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন চলচ্চিত্রে অভিনয় করার। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছবির অফার পেয়েছি। এর মধ্যে একটিতে কাজ করার কথা হযেছে।আরও কিছু ছবি নিয়েও কথা হচ্ছে। প্রযোজক পরিচালকরা এই মুহূর্তে নাম বলতে বারণ করেছেন। তাই নামগুলো বলছি না।’
প্রিয়াংকার প্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। তার ভাষায়, ‘শাবনূর আমার আইডল’।প্রিয়াংকা বলেন, ‘আমি শাবনূরের মতো বিচিত্র ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে একটা স্থায়ী আসন গড়ে তুলতে চাই। যেদিন আমি থাকব না সেদিন যেন সবাই আমাকে স্মরণ করে।’ তবে তাড়াহুড়ো নয় তিনি স্বাভাবিক নিয়মেই নিজেকে এগিয়ে নিতে চান।  বলেন, ‘মডেলিং জগতে কারো সঙ্গে আমার প্রতিযোগিতা নেই। আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বি তারা প্রত্যেকেই যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন। তবে আমি মনে করি আমার জায়গায় আমিই স্টার। লক্ষ্য করলেই দেখবেন আমাকে নিয়ে কোনো সমালোচনা নেই। আমি নিজেও কারো দুর্নাম করা পছন্দ করি না। কাজের সময় মেইক-আপ রুমে যখন কাউকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয় তখন আমি নীরব থাকি। তাছাড়া আমি সফল মানুষদের সঙ্গেই চলাফেরা করি। সমকালীনদের সঙ্গে আমি চলি না। কারণ তাদের কাছ থেকে আমার শেখার কিছু নেই।’
পুরনো ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করা প্রিয়াংকা জামান পড়োশোনা করেছেন আইডিয়াল স্কুল ও সিটি কলেজে। দুই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। প্রিয়াংকা নাচ শিখেছেন বাফায়।  তিনি জানান, নাচ ও গানের সমন্বয়ে নির্মাণ হওয়া মিউজিক ভিডিওগুলো প্রচার হয় ইউ টিউব ওয়েবসাইটের বিভিন্ন চ্যানেলে। এক সময় আমদের সংস্কৃতি বেড়ে ওঠেছে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে। যাত্রা এবং মঞ্চ হলো আমাদের সংস্কৃতির মেরুদণ্ড। কিন্তু সংস্কৃতির পরিবর্তমান ধারায় আমরা আজকের অবস্থানে এসে পৌঁচেছে। প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধনে আজকের সংস্কৃতি যে স্বকীয়তা অর্জন করছে – তার মধ্যেই ঘটছে আমাদের বিচরণ।’