আরেকটি স্বপ্নভঙ্গের গল্প

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শামীম

আরেকটা স্বপ্ন ভাঙ্গার গল্প রচিত হলো বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে।ভারতের  দিপক চাহার টি-টুয়েন্টির ইতিহাস সেরা বোলিং সিরিজ জয়এনে দিলো ভারতের ঘরে। ইতিহাস গড়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। দীপক চাহা ৩.২ ওভার বোলিং তোপে বাংলাদেশের ইনিংসে একাই গুটিয়ে দিয়েছেন ৭ রান দিয়ে, হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নিয়ে।ভারতের দেওয়া ১৭৫ রানের লক্ষ্যে ১৪৪ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ।

নাগপুরে নাঈমের রাজত্বের পরও ব্যাট হাতে লিটন, সৌম্য, মুশফিক, মাহামুদুউল্লাহার ব্যার্থতায় স্বপ্নের জয়ের বন্দর থেকে ছিটকে গেলো বাংলাদেশ। যোগ্যতম দল হিসাবে ভারত, বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩০ রানে জয় দিয়ে ২-১ এ টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিতে নিল।

নাগপুরের উইকেটের পরিসংখ্যান খুব একটা ব্যাটসম্যানদের পক্ষে কথা বলে না। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত ছিলো জরুরী, পরিসংখ্যানটা সেরকম কথাই বলে। এই মাঠে ১১ ম্যাচে, ৮ ম্যাচই জিতিছিল প্রথম ব্যাট করা দল।আজকের টস ভাগ্যটা কার দিকে সেদিকেই সবার চোখ ছিলো। টস জিতলেন মাহামুদুউল্লাহ, শিশিরের কারণে ব্যাট না করে ভারতেকেই দিলেন প্রথম ব্যাট করার সুযোগ।ম্যাচ শেষে নাগপুরের পূর্বের পরিসংখ্যানই প্রমাণ হলো এই উইকেটে প্রথম ব্যাটিং করা দলের জয়ের পাল্লা ভারী।

বল হতে শাফিউল মাত্র ২ রান করা রোহিত শর্মাকে সাজঘরে ফেরান। রোহিতের বিদায়ের পর ভারতের ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন ধাওয়ান এবং রাহুল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ধাওয়ানকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যাচ বানিয়ে নিজের দ্বিতীয় শিকার তুলে নেন শফিউল।একই ওভারেই শফিউলের বলে শূন্য রানে শ্রেয়াস আইয়ারের সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন বিপ্লব।শেষ পর্যন্ত  ৩৩ বলে ৬৩ রানে সুয়েস আউট হন সৌম্যের বলে।এমন উইকেটে আল আমিন ,সৌম্য , শফিউল ছাড়া কেউ বুদ্ধিদীপ্তভাবে বল করতে পারেননি।মূল পেসার মুস্তাফিজ ছিলেন বল হাতে বিবর্ণ।

আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মাঠ হিসেবে সম্মুখ বরাবর ৮০ গজ এবং স্কয়ার লেগ বাউন্ডারির দিকে ৮৫ গজ বাউন্ডারি এই মাঠে। এই স্টেডিয়াম গড়ে তোলার সবচেয়ে বড় কারিগর ছিলেন বিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট শনাঙ্ক মনোহর। বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আনন্দ জায়সওয়াল জানিয়েছেন, তাঁরা পানি সংরক্ষণ করে স্টেডিয়ামে পানি দিয়ে থাকেন। স্টেডিয়ামটি সৌরশক্তিতে চলে।

ছবিঃ লেখক

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]