আরেক বিভূতিভূষণ…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লুৎফুল কবির রনি

সময়টা বিশ শতকের তিনের দশক।বাংলা সাহিত্যের মধ্যগগনে বিরাজ করছেন রবীন্দ্রনাথ,শরৎচন্দ্র।তাঁদের সৃষ্টিতে পাঠককূল মুগ্ধ।সঙ্গে সঙ্গে প্রচলিত ভাবনার বিপরীতে, এক পাল্টা হাওয়া প্রবাহ নিয়ে বাংলা সাহিত্যে হাজির হলেন কল্লোল গোষ্ঠির লেখককুল।পাঠক হলো তাতে চমকিত,বিস্মিত। আর ঠিক এইসময়ে এই দুই ভাবনা, নীতির বাইরে গিয়ে সম্পুর্ন নিজস্ব ভঙ্গিতে মানুষ, প্রকৃতি আর ঈশ্বর ভাবনার সম্মিলিত রূপকে সহজ,সরলভাবে তুলে ধরে বাংলা সাহিত্যে আবির্ভূত হলেন বিভূতিভূষন বন্দোপাধ্যায়।তাঁর পৃথিবী ছিলো একেবারে আলাদা। মানুষ, নদী, লুপ্ত সময়, জীবন, জীবনের কত মৃদু কলরোল আশ্চর্য সব রেখাচিত্রের মতো জায়গা করে নিয়েছিলো তাঁর লেখায়।প্রকৃতির এতটা গভীরে, এতটা হৃদয়ের কাছে গিয়ে বাংলা কথাসাহিত্যে আর কেউ কি লিখেছেন? বাংলা সাহিত্যের অনন্য এই কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন ছিলো ১২ সেপ্টেম্বর। তাঁর জীবনের ভিন্ন স্বাদের গল্প নিয়ে নিয়ে এবার প্রাণের বাংলার প্রচ্ছদ আয়োজনে রইলো ‘আরেক বিভূতিভূষণ’।

 বিভূতির বয়স তখন চার কী পাঁচ। বাবার হাত ধরে প্রথম কলকাতায় এলেন। বাবা দরিদ্র ব্রাহ্মণ।এ শহরে ভাল পাড়ায় বাড়ি ভাড়া করে থাকার মতো অবস্থা ছিলো না। তাই বাধ্য হলেন শিশুপুত্রকে নিয়ে এক ‘নিষিদ্ধ’ পাড়ায় বস্তিতে ঘর ভাড়া নিতে।

সে ঘরের পাশেই এক মহিলা প্রায়ই ছোট্ট বিভূতিকে ডেকে গল্প করতেন। কখনও টফি দিয়ে আদর করে গালও টিপে দিতেন।

মা-ছাড়া বাড়িতে খুব তাড়াতাড়ি শিশু বিভূতি মহিলার স্নেহের কাঙাল হয়ে উঠলেন। একদিন সন্ধ্যেবেলা জেদ ধরলেন, ঘরে যাবেন না, তার কাছেই রাতটা থাকবেন।

মহিলা যত বোঝান, বিভূতি ততোই নাছোড়।

মধ্যবয়সে মেসে থাকার সময় একদিন বিভূতি ভূষণের মনে পড়লো ওই মহিলার কথা। ঠিক করলেন সেই পুরনো পাড়ায় মহিলাকে খুঁজতে যাবেন তিনি। যেমন ভাবা তেমন কাজ।

সেখানে গিয়ে তিনি যত বলেন খুঁজতে এসেছেন সেই মহিলাকে, এ ছাড়া আর অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই, অল্পবয়সি যুবতী মেয়েরা শুনতে নারাজ। একসঙ্গে চার-পাঁচ জন মেয়ে নাকি তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। সকলেরই আবদার তাঁকে ঘরে নিয়ে যাওয়ার।

শেষে ছুটে, দৌড়ে, পালিয়ে কোনও ক্রমে সে যাত্রা রক্ষা পান বিভূতিভূষণ।জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই মাকে খুজেঁছেন বিভূতিভূষন।

বনগাঁ হাই ইংলিশ স্কুল থেকে পাশ করে বিভূতি গেলেন মায়ের কাছে। তিনি কলকাতায় পড়তে চান। মা মৃণালিনী নিষেধ করে বলে বসলেন, ‘গরিবের ঘরে এর চেয়ে বেশি পড়াশুনো হয় না খোকা। তুই চাকরি খুঁজে নে!’

মায়ের কথা শোনেনি বিভুতিভূষণ।

ম্যাট্রিকের প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাস করে  ভর্তি হলেন কলকাতার রিপন কলেজে। ঠাঁই হলো, হিন্দু হোস্টেলের কাছে ২৪/১ মদনমোহন সেন লেনের মেসবাড়ি।

কিন্তু টাকা দেবে কে?

যেদিন বনগাঁর স্কুলে ভর্তি হতে গিয়েছিলেন, মা লক্ষ্মীর ঝাঁপি ভেঙে পয়সা দিয়েছিলেন। শেষ সম্বল মহানন্দর সিঁদুর পরানো টাকাটাও বিক্রির জন্য তুলে দিয়েছিলেন ছেলের হাতে!

আর আজ? এই কলেজবেলায়? সেই মা-র আশ্রয় এখন মামাবাড়ি। মুরাতিপুরে।

কলেজে মাইনে বাকি। মেসে বাকি। বন্ধুদের কাছে বাকি! মেসে খেতে বসলেই ম্যানেজার তাগাদা দেয়। গলা দিয়ে যেন ভাত নামে না বিভূতিভূষণের।

একদিন দুপুরবেলা। রুমমেটের পরামর্শে দু’জনে জানলা গলে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেলেন! মহল্লা জুড়ে চিৎকার, ‘চোর, চোর’! চুরির অপবাদে অপমানে নুয়ে পড়লেন।

এই দুঃখ, দহিত জীবন নিয়ে ইন্টারমিডিয়েটে প্রথম বিভাগে পাশ করে বিএ ক্লাসে ভর্তি হলেন। আবার সেই এক চিন্তা! অর্থের জোগান।

এ বার সহায় হলেন প্রফুল্লচন্দ্র রায়। আশার আলো দেখলেন। এবার বিভূতিভূষণের নতুন ঠিকানাও হল, ৮/১ স্বর্ণময়ী রোড। এ-ও এক মেসবাড়ি।

বইটি তখনো লেখা হয়নি। ছাপা হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। অথচ ‘চঞ্চলা’ এক টাকা সিরিজের প্রথম উপন্যাস। লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বইটি প্রকাশ না হতেই প্রচারে চলে এলো। ছায়াসঙ্গী পাঁচু গোপাল, শোকাতুর দাদাকে (বিভূতি) মা মৃত্যুর পর দুঃখ অনুভূত থেকে লেখায় ফেরাতে, তাকে লেখক মনস্ক করতে এ উপন্যাস প্রকাশের আগেই প্রচার ঘটিয়েছিলেন ঠিক এভাবেই। তাই অনেকটা নিরুপায় হয়ে বিভূতিভূষণ এ উপন্যাস লিখতে বাধ্য হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেন, ‘সেই পল্লী গ্রামের একটি ছায়াবহুল নিভৃত পথ দিয়ে শরতের পরিপূর্ণ আলো ও অজস্র বিহঙ্গ কাকলীর মধ্যে প্রতিদিন স্কুলে যাই, আর একটি গ্রাম্য বধূকে দেখি পথিপার্শ্বের একটি পুকুর থেকে কলসী কক্ষে প্রতিদিন স্নান করে ফেরেন।’ বই সম্পর্কে কৌতূহলের কারণে এটি নিয়ে লেখকেরও উপাদান সংগ্রহের আগ্রহ দানা বেঁধে উঠলো। আর বইয়ের এ উপাদানে নায়িকা হিসেবে আবির্ভূত হলেন সেই গ্রাম্য বধূটি এবং নায়ক হলেন লেখক নিজেই।

লেখাটি যদিও ১৩২৮ বাংলা মাঘ সংখ্যা বা ১৪.০১.১৯২২ সালে, তবে প্রবাসী পত্রিকায় নায়িকা বদলে উপন্যাসের নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘উপেক্ষিতা’ নামে প্রকাশিত হয়েছিলো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা যেখানে ছাপা হয়, সেখানে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ছাপা হয়েছে। এ আনন্দে পাঠকের সঙ্গে লেখক এবং পাঁচু গোপাল যেন হয়ে গেলেন আত্মবিহ্বল এক আত্মহারা মানুষ।

একবারের ঘটনা। রাতের ট্রেনে দুই বন্ধু তারাশঙ্কর আর বিভূতিভূষণ যাচ্ছেন দূরের এক সাহিত্যসভায়। রাতের খাবার এত বেশি খেয়ে ফেললেন বিভূতিভূষণ যে, হাতমুখ না ধুয়েই সটান বার্থে শুয়ে পড়লেন। নড়াচড়ার ক্ষমতাও নেই।

তারাশঙ্কর দুজনের এঁটো গুছিয়ে হাতমুখ ধুচ্ছেন, বিভূতিভূষণের কাতর আবদার, ‘ভাই আমার মুখ হাতটা একটু ধুয়ে দিবি? এত খেয়ে ফেলেছি যে আর নড়তে পারছি না।’

তারাশঙ্কর মুচকি হেসে খুব যত্ন নিয়ে বন্ধুর এঁটো হাতমুখ ধুইয়ে, ধুতির খোট দিয়ে মুছিয়ে দিলেন। নির্বিকার বিভূতি ঘুমিয়ে পড়লেন পাশ ফিরে।

অন্যবারের কথা। তারাশঙ্কর মটরগাড়ি কিনেছেন। তখন তিনি সাহিত্যিক হিসেবে তো বটেই আর্থিকভাবেও প্রতিষ্ঠিত।

আর বিভূতিভূষণ রাস্তাঘাটে যাকে পান, তাকেই তুমুল আহ্লাদ করে বলতে থাকেন, ‘আরে শুনেছ তারাশঙ্কর গাড়ি কিনেছে।’

শুধু দেখা হলে নয়, পয়সা খরচ করে লোকের বাড়ি-বাড়ি গিয়েও সে-খবর দিতে থাকলেন অন্যদের। তাতে এক বন্ধু একবার একটু বিরক্ত হয়ে বলেই ফেললেন, ‘তারাশঙ্কর গাড়ি কিনেছে তো আপনার কী?’

এ কথায় বিভূতিভূষণের উত্তর, ‘আরে একটা মানুষ শুধু লিখে একটা আস্ত মটরগাড়ি কিনে ফেলেছে, এতে আনন্দ পাব না!’ তারপরেই নিচু স্বরে মিষ্টি হেসে বললেন, ‘আর জানো আমাকে একদিন ওর গাড়িতে চাপাবেও বলেছে!’

কলকাতা ছেড়ে সে বার বেশ কিছু দিন ব্যারাকপুরে রয়েছেন বিভূতিভূষণ। বয়স চল্লিশ ছুঁই ছুঁই।

ইতিমধ্যে ‘অপরাজিত’-র প্রথম খণ্ড বেরিয়েছে। দেখা হয়ে গেল কিশোরী খুকুর সঙ্গে। খুকু স্কুলবেলার গণিতের শিক্ষক যুগলমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ে।

দিন নেই, দুপুর নেই দু’জনে মশগুল পড়া পড়া খেলায়। খুকুর চুল, জামার গন্ধে ভুর ভুর বিভূতির বিকেল।

কত প্রশ্ন খুকুর! বিভূতি রাগে না। বার বার পড়া-লেখায় ভুল করে খুকু। বিভূতির ক্লান্তি নেই, শুধরে দেন। হাত ধরাধরি করে কুঠির মাঠে গিয়ে দাঁড়ায় দু’জন। না দেখে থাকতে পেরে এক জন ছাদে, তো অন্য জন পাশের মাঠে। গোল হলুদ থালার মতো চাঁদের রাতে ইছামতীর জল কেটে কেটে ডুবসাঁতার! বিভূতিকে লেখা সুপ্রভার চিঠি দেখে খুকুর রাগ হয়! রাগ ভাঙাতে উপহার দিলেন ‘চাঁদের পাহাড়’।

খুকু কলকাতা দেখতে চায়। নিয়ে এলেন বিভূতি। উঠলেন নীরদ-অমিয়ার কাছেই। দু’দিন কলকাতার হাওয়ায় খুব উড়লেন দুটিতে!

তেতে উঠল ব্যারাকপুর। সরগরম গালগল্প, রঙ্গব্যঙ্গ বিভূতি-খুকুকে নিয়ে!

অন্যত্র খুকুর বিয়ে ঠিক করলেন যুগলমোহন। আর খুকুকে লুকিয়ে সে-বিয়ের টাকার জোগান দিলেন বিভূতি।

কলকাতায় এসেছেন কলেজ স্ট্রিটে এক প্রকাশনা দফতরে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।আড্ডায় তাঁর সমসাময়িক অনেক সাহিত্যিকও আছেন। এমন সময় উত্তরবঙ্গ থেকে দু’জন এলেন হন্তদন্ত হয়ে। তাঁরা জনৈক সাহিত্যিককে ধরলেন।

উত্তরবঙ্গে সাহিত্যসভায় তাঁরা সেই সাহিত্যিককে নিয়ে যেতে চান। সেই খ্যাতনামা সাহিত্যিককে তাঁদের সভায় সভাপতিত্ব করতে হবে। কিন্তু লেখকমশাই যাওয়ার জন্য নানারকম শর্ত আরোপ করেই চলেছেন।

শুনে ছেলে দু’টির কাঁচুমাচু দশা।

তাঁরা বারবার বলছেন, তিনি না গেলে তাঁদের সম্মান ধুলোয় মিশে যাবে। সে কথা বিবেচনা করেও যদি একটি বারের জন্য তিনি যান।

কিন্তু সাহিত্যিক তাঁর শর্তে অনড়। শেষে ছেলে দুটি নিরুপায় হয়ে ফিরতে যাবেন, হঠাৎ পিছন থেকে বিভূতিভূষণ তাদের ডেকে জানতে চাইলেন, তিনি গেলে কি তাদের কাজ হবে? একটা দ্বিতীয় শ্রেণির টিকিট হলেই চলবে।

ওঁদের কাছে বিভূতিভূষণের চেহারাটি একেবারে অচেনা। তাই প্রস্তাব শুনে অতি সাধারণ পোশাক পরা ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে তাঁদের থতমত অবস্থা।

ইনি আবার কে?

তাঁদের কিন্তু-কিন্তু ভাব দেখে বিভূতিভূষণ বললেন, ‘আমার একটা বই আছে। হয়তো শুনে থাকবে, ‘পথের পাঁচালী’।’

শুনে ছেলে দুটির চোখ বিস্ফারিত। তাঁরা বললেন, ‘আপনি বিভূতিভূষণ!’

ওঁকে প্রণাম করে আড়ালে গিয়ে তাঁরা বললেন, উনি রাজি না হয়ে ভালই হয়েছে। আপনাকে পাওয়া গেলো!

বিভূতিভূষণের এই বলার মধ্যে ছেলে দু’টির প্রতি যেমন তাঁর মায়া ধরা পড়ে, তেমন কোথাও বোধ হয় ওঁর স্থান থেকে স্থানান্তরে উড়তে থাকা ডানাও ছায়া ফেলে যায়!

যায় না কি?

এমনকী তাঁর মৃত্যুকালের কথাতেও কেমন যেন প্রকৃতির গন্ধ হামাগুড়ি দেয়।

বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ‍্যায় এতো বৈচিত্র্য পূর্ণ ঔপন‍্যাসিক খুব কম দেখা যায়। ‘আর্দশ হিন্দু হোটেল’ এর হাজারী ঠাকুরের দিন আনি দিন খাই জীবনে থেকেও আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন, আবার ‘দৃষ্টি প্রদীপ’ এর আধ‍্যাত্তিকতা। আফ্রিকায় কোনো দিন ও না গিয়ে ও শুধুমাত্র তথ্যের ভিত্তিতে ‘চাঁদের পাহাড়’ লেখা বোধ হয় শুধু ওঁনার পক্ষেই সম্ভব। ‘পথের পাঁচালী’ বা ‘আরন্যক’ যে প্রকৃতি চেতনা ফুটে উঠেছে তা অনবদ্য ।

এখন কার লেখা তে মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন বেশি দেখা যায়, মাটির টান আর খুঁজেই পাওয়া যায় না। আমরা যে প্রকৃতির থেকে ক্রমশ আলাদা হয়ে যাচ্ছি সেটাই বর্তমানের লেখাতে প্রকাশ পায়। । তাঁর লেখায় ছিল সোঁদা মাটির টান ।

প্রান্তবেলায় ডায়েরিতে লিখেছিলেন, ‘ভয় নেই, ব্যাঙ্কে টাকা জমিয়ো না।…পৃথিবীতে কোনও শান্ত, গ্রাম্য নদীর কূলের চিতায় তোমার হুঁশিয়ার জীবন যখন শেষ হয়ে যাবে, সেদিন থেকে এই অসীম,অনন্ত রহস্য তোমার সম্পত্তি হয়ে দাঁড়াবে।’

এ বার্তা বোধহয় শুধু আরণ্যক-এরই মানায়!

ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]