আলোচনায় লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিচারপতি স্যার লরেন্স বাইরেন

মৃত্যুর আগে ডি.এইচ লরেন্সের লেখা শেষ উপন্যাস ‘লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার’। ১৯৩০ সালে মৃত্যুর আগে প্রখ্যাত কথাশিল্পী লরেন্সের লেখা এটাই ছিলো শেষ উপন্যাস। লরেন্স পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়ার বেশ অনেক বছর পর ঝড় উঠেছিলো ‘লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার’ নিয়ে। আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন বইয়ের প্রকাশক অশ্লীলতা মুদ্রণের দায়ে। ১৯৬০ সালে বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন বইটির পেপারব্যাক সংস্করণ প্রকাশের পর মামলা ঠোকা হয় ইংল্যান্ডের আদালতে। হৈচৈ পড়ে যায় পৃথিবীজুড়ে।

সম্প্রতি সেই আলোচিত বই আবারো সংবাদ হয়েছে।

বিচার চলাকালে বৃটেনের যে বিচারপতি মামলাটি পরিচালনা করেছিলেন তার নাম ছিলো স্যার লরেন্স বাইরেন। তাঁর স্ত্রী লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার বইয়ের একটি সংস্করণে অশ্লীল জায়গাগুলো আন্ডারলাইন করে পড়ার জন্য দিয়েছিলেন তার স্বামীকে। সেই বিশেষ বইটি পরে নিলামে ওঠে। ৫৬ হাজার পাউন্ডে বইটি কিনে নেন একজন ক্রেতা। সম্প্রতি তিনি বইটি ইংল্যন্ডের বাইরে নিয়ে যেতে চাইলে সে দেশের সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।দেশটির একটি আইন অনুযায়ী সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্ববহ কোনো বস্তু কেউ দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চাইলে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে।এই আইন দেখিয়ে বইটির সেই বিশেষ কপিটি শৃংখলে আবদ্ধ করেছে বৃটিশ সরকার। তাদের উদ্দেশ্য বিখ্যাত বইয়ের এই বিশেষ কপিটি দেশের বাইরে বিক্রি বন্ধ করা।

বৃটেনের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী মিচেল ইলিস আশাবাদী যে এই বইয়ের অমূল্য কপি ইংল্যান্ডের কোনো সংগ্রাহক কিনে নেবেন।

‘লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার’ বইটির বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে অনেক তোলপাড় ঘটে গেলেও শেষ পর্যন্ত প্রকাশক নিরপরাধ প্রমাণিত হন। এক ধনাড্য ব্যক্তির স্ত্রী ও তাদের বাগানের মালির তীব্র পরকীয়া প্রণয় কাহিনি আজো পৃথিবীতে অমর হয়ে আছে।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি

ছবিঃ গুগল   

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]