উঠে আসছে তরুণ টাইগাররা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শামীম

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওয়েষ্ট উইন্ডিজের বিপক্ষে, সাকিবহীন বাংলাদেশ।সাকিবের অনুপস্থিতিতে ব্যাট হাতে সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন সৌম্য সরকার আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা। সৌম্য ৪১ বলে ৬৬ রান করে আউট হলেও ২৭ বলে ৫২রানের ক্যামিওতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক। তরুণদের এমন পারফর্মেন্স বাংলাদেশ দল নিয়ে নতুন দিগন্তের পথ দেখাছেন কোচ রোডস।বাংলাদেশ  দলের স্কোয়াড  থাকা তরুণ ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মাহমুদুল্লাহ , মুশফিকদের ছায়া থেকে বের হয়ে আসছে বাংলাদেশ দল, এমনটাই বিশ্বাস করেন কোচ স্টিভ রোডস।‘বিশ্বকাপ একাদশে পারফরম করতে না পারলে যত সিনিয়র খেলোয়াড়ই হোক না কেন পরে দলের প্রয়োজনে তাকে সাইড লাইনে বসে খেলা দেখতে হবে।’ দলের খেলোয়াড়দের এমনই সতর্ক বার্তা দিলেন কোচ স্টিভ রোডস।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেট শিকার করার পরেও ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে খেলা হয়নি পেসার আবু জায়েদ চৌধুরী রাহির। দারুণ পারফর্মেন্সের পরও রাহির অন্তর্ভুক্তি না হওয়াটাও বাংলাদেশের স্কোয়াডের শক্তির প্রমাণ রাখে, বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ দলের কোচ। স্টিভ রোর্ডস বলেন,‘’আমি টিম মিটিংয়ে বলেছিলাম যে স্কোয়াডে ১৫ জন ক্রিকেটার আছে যাদের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। আমরা পাঁচ উইকেট শিকার করা রাহিকে অন্তর্ভুক্ত করি নি।এটা অবশ্যই তার জন্য মেনে নেয়া কঠিন। ওকে না নেয়ার মানে এটাই যে স্কোয়াডে এমন কিছু খেলোয়াড় আছে যারা আসলেই অসাধারণ। সে অবশ্য এই ব্যাপারটা মেনে নিয়েছে।’ রোডসের ভাষায়, সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে একটা দল হিসেবে খেলাটাকেই মুখ্য হিসেবে দেখেছেন রাহি। দলে জায়গা পেতে হলে অন্যান্যদের সাথে তুমুল প্রতিযোগিতার ব্যাপারটাও মেনে নিয়েছেন এই পেসার।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ স্টিভ রোডস মনে করেন, মোসাদ্দেক হোসেনের বর্তমান ফর্ম দলের অন্য ক্রিকেটারদের সতর্ক করবে। মূল একাদশে সুযোগ পেলে জায়গা ধরে রাখতে পারফর্ম করতেই হবে, তা না হলে শক্তিশালি বেঞ্চ পরীক্ষা করতে দ্বিধাবোধ করবে না টিম ম্যানেজমেন্ট।

২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে ২০১৯ পর্যন্ত ওয়ানডেতে ম্যাচ জয়ের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তি দলের থেকেও এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। এসময়ের মধ্যে মোট ২৭ ওয়ানডে খেলা বাংলাদেশ জয়ের মুখ দেখেছে ১৭ ম্যাচে।ফলে বিশ্বকাপের আগে জয় পরাজয়ের অনুপাতের দিক থেকে তৃতীয়তে অবস্থান করছে তারা। সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে সমান জয় পাওয়ায় যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থান দক্ষিণ আফ্রিকাও।বাংলাদেশ আর দক্ষিণ আফ্রিকার আগে এখন শুধুমাত্র আছে ইংল্যান্ড ও ভারত।

ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]