এক্সপোজড…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হঠাৎ করেই তিনি একান্ত হাতবাক্স খুলে শরীরের বদলে মন দেখাতে চাইলেন আর তাতেই শুরু হলো তাকে নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা। সাবেক পর্ণতারকা তিনি। পর্ণপুঞ্জের অলিতে-গলিতে প্রকাশ্য পদচারণা তার। পেছনে আছে হুমড়ি খেয়ে পড়া লক্ষ লক্ষ ভক্ত।তিনি মিয়া খলিফা। নেটে পর্ণসাইটগুলোর পরিচিত এবং আলোচিত এক মোহময় নারী। কিন্তু এরকম এক নারী যখন চারদেয়লের আড়াল চান, গোপনীয়তাকে খুঁজতে শুরু করেন তখন প্রশ্ন ওঠে-এতদিন তবে উন্মোচিত হয়ে শরীরের ঝড় তুললেন কেনো? এখন তিনি বলছেন, মানুষ তার দিকে এমন ভাবে তাকায় তাতে মনে হয় তাদের দৃষ্টি পোশাক ভেদ করে পৌঁছে যাচ্ছে একেবারে গোপনাঙ্গে। আড়াল খুঁজছেন এখন মিয়া খলিফা। সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তার এই  বিচিত্র অসহাত্ব প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু খলিফা হয়তো ভুলে গেছেন এই সমাজে নারীর নগ্নতাকে এমন একটি পোশাক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা একবার পরিধান করলে আর খোলা যায় না। নগ্নতা নামের বস্ত্রটি হরণ করতেও পারে না কেউ।

মিয়া খলিফা

নগ্নতা কি কেবলই নারী শরীরের? মানুষের বসবাসের ভূগোলে লোভ, রাজনীতি, ক্ষমতার নগ্ন প্রকাশ কি আমাদের চোখে পড়ে না? নগ্নতারও সৌন্দর্য আছে।মানুষের এসব অমানুষিক প্রতিক্রয়ার উন্মোচনকে বলা যায় উলঙ্গতা।

ইংরেজি ভাষায় ন্যুডিটি এবং নেকেড শব্দগুলোর মাঝে অর্থের ফারাক রয়েছে। আছে এদের সীমানা নির্ধারণ নিয়েও বিতর্ক। সাহিত্যে নারীকে পোশাকের আড়াল থেকে বের করে এনে প্রকাশ করা হয়েছে বিচিত্র অবয়বে,বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে। সেখানে কামনায়, বেদনায় নারীর শরীর কখনো নীল, কখনো লাস্যে রহস্যময়।শিল্পীর তুলিতেও নারী শরীরের এই উন্মোচন দর্শককে নিয়ে গেছে রূপ, রস আর সুন্দরের অন্য সংজ্ঞার কাছে।

এবার প্রাণের বাংলার প্রচ্ছদ আয়োজনে রইল ‘এক্সপোজড’।

সমাজের আঙুল মিয়া খলিফার ভিডিওগুলোকে অশ্লীল বলেই চিহ্নিত করবে। যেমন করবে সানি লিওন অথবা ‘স্ক্যান্ডাল’ নামে বই লিখে সত্তরের দশকে বিখ্যাত ক্রিস্টিনকিলারকে। কিন্তু অশ্লীলতা তো আসলে একটি চলমান বিতর্ক। বেশি সংখ্যক মানুষ অশ্লীলতা বা অবসিনিটি বিষয়টিকে পর্ণোগ্রাফির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু পর্ণোগ্রাফি মাত্রই অশ্লীল হলেও অশ্লীল মাত্রই পর্ণোগ্রাফি নয়।কামনার লাল আলো জ্বেলে বসে থাকা পর্ণোর যে বিচিত্র জগত তার সঙ্গে নগ্নতা ও যৌনতাকে উপজীব্য করে আঁকা চিত্রকর্ম অথবা লিখিত উপন্যাস, ক্যামেরায় তোলা ছবি, সিনেমার অংশ, গান ভিন্ন মর্জাদায় পৌঁছে গেছে।শিল্প মাধ্যমে অশ্লীলতার এমন রূপের নাম- ‘ইরোটিকা’।ইরোটিক শিল্পসাহিত্য-সিনেমা কিংবা শিল্প-সাহিত্য-সিনেমায় ইরোটিকার’র ব্যবহার কিন্তু অনেক পুরনো। নগ্নতা ও যৌনতা যেহেতু জীবনেরেই একটি অংশ তাই শিল্প-সাহিত্যে এই বিষয়টি অবধারিত ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। পেছনে ফিরে তাকালে সেই গ্রিক ভাস্কর্য, নির্মাণের কালে সুন্দরের দেবী ভেনাসের নগ্ন ভাস্কর্য, যেমন তৈরি করা হয়েছে তেমনি নির্মিত হয়েছে গ্রীক বীরদের উন্মোচিত শরীরের প্রতিচ্ছবি। প্রাচীন বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনেও এই ধারাটিরে শক্তিশালী উপস্থিতি চোখে পড়ে।

আমরা জাদুঘরে ঢুকে সেসব নিদর্শন দেখি কিন্তু কামার্ত হই না। কারণ এসব নগ্ন ভাস্কর্য এর মধ্য দিয়ে ধর্ম ও দর্শনের নানান দিক একদা প্রকাশিত হয়েছিলো। চিত্রকর্মে শিল্পীরা উদার ভাবে তুলে এনেছেন বিবসনা নারীর ছবি তাদের তুলির আঘাতে। সেগুলো কি অশ্লীল? কখনোই নয়। মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কিংবা লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা ছবি সে কথাই বলে। সেখানে পর্ণোগ্রাফির মতো শরীরকে উন্মোচিত করে দিলেও কোথাও গিয়ে শিল্প আর অশ্লীলতা আলাদা হয়ে গেছে স্পষ্ট। রবীন্দ্রনাথকেও আমরা পাই একেবারে নিঃসংকোচ।বিদেশের মিউজিয়ামে নগ্ন নারীচিত্র দেখে আপ্লুত রবীন্দ্রনাথ ১৮৯০সালের ‘ইউরোপযাত্রীর ডায়েরী’ তে লিখেছেন-

‘সেদিন ফ্রেঞ্চ এক্‌জিবিশন-এ একজন বিখ্যাত আর্টিস্ট-রচিত একটি উলঙ্গ সুন্দরীর ছবি দেখলুম।কী আশ্চর্য সুন্দর! দেখে কিছুতেই তৃপ্তি হয় না।সুন্দর শরীরের চেয়ে সৌন্দর্য পৃথিবীতে কিছু নেই। সেই উলঙ্গ ছবি দেখে যার তিলমাত্র লজ্জাবোধ হয় আমি তাকে সহস্র ধিক্কার দিই।আমিতো সুতীব্র সৌন্দর্য-আনন্দে অভিভূত হয়ে গিয়েছিলুম।’

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে লেবাননের আলো হাওয়ায় বেড়ে ওঠা মিয়া খলিফার দেখা হয়নি কখনোই। চিত্রকর্মে নগ্ন নারীকে দেখে মোহিত হয়েছিলেন কবি। কিন্তু ভিডিও ক্যামেরার সামনে সুতোবিহীন হয়ে দাঁড়ানো নারীর জীবনকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেননি, বুঝতে পারেননি তার ব্যথাটুকুও। প্রযুক্তির বিপ্লবের মুখোমুখি দাঁড়াননি তিনি। তাই একালে নগ্নতা অথবা উন্মোচন নিয়ে যে গাঁথা রচিত হচ্ছে তা অজানাই রয়ে গেলো তাঁর কাছে।

লেখকের মৃত্যু ঘটলেও যৌনতাকে উপজীব্য করে রচিত সাহিত্য ঠিক বেঁচে থাকে পাঠকের মনে। মধ্যযুগে রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন’-এ রাধা- কৃষ্ণের প্রণয় কিংবা মধ্যযুগের শাহ মুহাম্মদ সগীরের লেখা ‘ইউসুফ- জুলেখা’ এই প্রবণতার উন্মেষ মাত্র। যদিও অমিয়ভূষণ মজুমদার মত দিয়েছিলেন- ‘যৌনতা গাইনোকলজির বিষয়; লেখকের কারবার এটি নয়’- অথচ তিনি নিজেও এ থেকে বের হতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। সৈয়দ শামসুল হকের ‘খেলারাম খেলে যা’- বাংলা সাহিত্যের অস্বস্তিকর উপন্যাসের একটি। বুদ্ধদেব বসুর বিখ্যাত ‘প্রজাপতি’ উপন্যাস অশ্লীলতার দায় কাঁধে নিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলো।অথচ নিষিদ্ধ পাঠের মতো আজো তুমুল আকর্ষনীয় এসব উপন্যাসের প্রতিটি পৃষ্ঠা। যৌনতাকে ছাপিয়ে এই উপন্যাসগুলো হয়ে উঠেছে মানুষের অন্তর্গত ক্ষয়, ক্ষরণ ও বিষাদের দলিল।বিদেশি সাহিত্যের দিকপাল সব লেখক, ডিএইচ লরেন্স, জেমস জয়েস, হেনরি মিলার, গুন্টার গ্রাস থেকে মিলান কুন্দেরা সাহিত্যে যৌনতা ও শরীরকে আশ্রয় করেছেন অসামান্য সাহিত্য রচনা করতে। বুদ্ধদেব বসু ১৯৬৭ সালে লিখলেন ‘রাত ভ’রে বৃষ্টি’ উপন্যাস।সেখানে তিনি খুব সহজেই উচ্চারণ করলেন,  ‘ভালোবাসায় শরীরই আসল— আরম্ভ, শেষ, সব ওই শরীর। ভালোবাসা জৈব, ভালোবাসা যৌন, শরীর না-থাকলে কিছুই থাকে না ভালোবাসার।’ এই উপন্যাসের প্রথম বাক্যটিই আরম্ভ হয়েছে বাংলা সাহিত্যের এক আশ্চর্য দুর্বিনীত,উত্তেজক ‘যৌন স্বীকারোক্তি’র মধ্য দিয়ে, ‘ওটা হয়ে গেছে, ওটা হয়ে গেছে, এখন আর কিছু বলার নেই। আমি, মালতী মুখোপাধ্যায়, একজনের স্ত্রী আর একজনের মা, আমি ওটা করেছি। জয়ন্তর সঙ্গে, জয়ন্ত আমাকে চেয়েছে, আমিও তাকে।’ নিষিদ্ধ হয়েছিলো উপন্যাসটি। আজো এই উপন্যাস ‘বেস্ট সেলার’ উপন্যাসের তালিকায় রয়ে গেছে। উন্মোচন, যৌনতা অথবা নগ্নতার ব্যবচ্ছেদ এখানেও ঘটেছে। কিন্তু জীবনের ক্ষরণ চরিত্রের হাত ধরে উঠে এসেছে।

মানুষ কবে থেকে নগ্ন? উত্তরে বলা যাবে-সৃষ্টির সেই আদিকাল থেকে। আদিম মানুষ তো নগ্নই ছিলো। সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায়, সম্ভবত ৭২ হাজার বছর আগেই মানব সমাজে নগ্নতা নিবারণের জন্য পোষাকের ব্যবহার শুরু হয়।কোনো কোনো প্রাচীন সভ্যতায় নগ্নতাকে অপমানকর বলে মনে করা হতো। আদি বাইবেলে ফ্যারাও-শাসনাধীন মিশর ও ইহুদিদের বিষয়ে একটি বর্ণনা থেকে এই চিত্র পাওয়া যায়, ‘আসিরিয়ার সম্রাট এই দুই দেশ [মিশর ও সুদান] থেকে বন্দীদের বিবস্ত্র অবস্থায় নিয়ে যাবে। যুবা-বৃদ্ধ সকলকেই নগ্ন পদে বিবস্ত্র অবস্থায় পথ চলতে হবে, তাদের অনাবৃত নিতম্ব মিশরের লজ্জার কারণ হবে।’ গ্রিক শব্দ জিমন্যাসিয়াম কথাটির অর্থ ছিলো যেখানে নগ্ন অবস্থায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পুরুষ খেলোয়াড়রা নগ্ন অবস্থায় প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতেন। কিন্তু সেযুগে অধিকাংশ নগররাষ্ট্রেই নারীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ, এমনকি দর্শকাসনে উপস্থিত থাকার অনুমতিও ছিলো না। রোমানরা গ্রিক সংস্কৃতির অনেক রীতিনীতি গ্রহণ করলেও, নগ্নতা সম্পর্কে তাদের মানসিকতা আলাদা ছিলো। সাধারণ স্নানাগার বা সাধারণ শৌচাগার ছাড়া অন্যত্র নগ্নতাকে অনুচিত আখ্যা দেওয়া হতো তখন।

নগ্নতা এখন বাণিজ্যের হাতিয়ার। কার্ল মার্কসের তত্ত্ব অনুযায়ী যে কোনো শ্রমের জন্য মজুরী দিতে হবে। সে অর্থে যে নারীরা পর্ণোগ্রাফি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত তারাও তো এক ধরণের শ্রমিক। তারা শরীরের উন্মোচন বিক্রি করে সংগ্রহ করছেন খাবার। চীন দেশে সম্প্রতি ছয় জন মডেলের নগ্ন পিঠে বাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন এঁকে তাদের ছবি তুলে ব্যবহার করেছেন একজন নির্মাণ ব্যবসায়ী। হলিউড অথবা বলিউডে একশ্রেণীর সিনেমা নামে চলছে উন্মোচনের প্রতিযোগিতা। সেখানেও ক্যামেরুন ডিয়াজ, মিয়া খলিফা অথবা সানি লিওনের মতো দুর্দান্ত শরীর-সুন্দরীরা কাঁপিয়ে দিচ্ছেন পুরুষের রাজ্যপাট।

নগ্নতাকে ছবির পর্দা অথবা নিজের জীবনে ভিন্ন আগুনের ডাকনাম করে তুলেছিলেন মেরিলিন মনরো। প্রেম, যৌনতা আর বেদনার সত্যি কাহিনি এই অভিনেত্রীর নগ্নতা কিন্তু বাণিজ্যের পাশাপাশি তৈরি করেছিলো শিল্পবোধও। সেই ঘোরলাগা সুন্দর কিন্তু আজ পৃথিবীতে কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছে। আত্নহত্যা করেছিলেন তিনি। কিন্তু আজো কাটেনি তার কুহক। এই কিছুকাল আগেও শরীরের উন্মাতাল ঝড় তুলে পশ্চিমা গানের জগতে ঝড় তুলেছিলেন ম্যাডোনা। কিন্তু মনরোর অভিনয় যাদু অথবা ম্যাডোনার খুল্লমখুল্লা গানও কিন্তু চাপা পড়ে গেছে পর্ণো দুনিয়ার দাপটে। সেখানে উন্মোচনের অন্য নাম উপভোগ, বাণিজ্য আর চক্রের ছড়ানো জালে আটকে পড়া বহু করুণ গল্প।

এই অবৈধ বাণিজ্যের বাজারেও দেখা দিয়েছে বিপত্তি ঘটার সম্ভাবনা। পর্ণোগ্রাফি এখন লাইট, ক্যামেরা আর অ্যাকশনের জায়গায় নেই। মোবাইলে শক্তিশালী ক্যামেরার কল্যাণে তা এখন ঢুকে পড়েছে বাড়ির ভেতরে। তরূণীদের কাছে এখন ‘জাস্ট ফর ফান’ শ্লোগানটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ঘরে বসেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে এক ধরণের পর্ণো। আর তাতেই বিপদে পর্ণোগ্রাফী নির্মাতা চক্রগুলো। কমে যাচ্ছে তাদের সাইটগুলোর রমরমা বাণিজ্য। পৃথিবীব্যাপী এখন নগ্নতা ও নগ্নতা সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের আর্থিক দিকটা অনেক বড়। নগ্নতা বন্ধ হলে কয়েকটি দেশের কিংবা শহরের ট্যুরিজম ব্যবসাও মুখ থুবড়ে পড়বে। যে কোন আইনে নগ্নতা ও নগ্নতাকেন্দ্রিক সব কিছু নিষিদ্ধ হলে পৃথিবীতে কত হাজার কোটি ডলারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা বলা কঠিন। বৃটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী শিক্ষা খরচ মেটানোর জন্য ‘নীল পথ’ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। তারা অনেকেই পর্ণো ছবিতে অংশ নিয়ে শিক্ষাব্যয় মেটানোর চেষ্টা করছে। সম্প্রতি এক গবেষণা থেকে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বৃটেনের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন ন্যুড ক্লাবগুলোর এক-তৃতীয়াংশের বেশি সদস্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পৃথিবীর মানুষ কামনার আগুনে পুড়ছে তবে?

আইন করে এসব উন্মোচন হয়তো বন্ধ করা যাবে অনেকদূর পরযন্ত র্কিন্তু মানুষের লোভের উলঙ্গতা, লোভের আগ্রাসন রুখবে কে?মিয়া খলিফারা কাপড় খুলে দিচ্ছেন কেন? তার পেছনেও আছে চরিত্রহীন রাজনীতির খেলা। দেশে দেশে অর্থনৈতিক আগ্রাসন চালানো, মানুষকে গৃহমাটি থেকে উচ্ছেদ, কথা বলার অধিকার কেড়ে নেয়া, যুদ্ধ বাধানো-এ সবই তো এক ধরণের উলঙ্গতা। এই মানুষেরাও কি কোনোদিন মিয়া খলিফার মতো আড়াল খুঁজবে? ইতিহাস অবশ্য ভিন্ন কথা বলে।

ইরাজ আহমেদ

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ ডেইলি সান, দ্য গার্ডিয়ান, গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]