এক মায়ের মন খারাপের দিন

রুকসানা আক্তার

 (লন্ডল থেকে): দুদিন  ধরে ঘুম ঠিক টাক মতো হচ্ছে না। সকালে হট শাওয়ার নিতে ই সতেজ ভাবটা টের পাচ্ছিলাম। তার মধ্যে আজ চারিদিকে রোদ উঠেছে। রেডি হয়ে বড় মগে চা বানিয়ে বাটার ক্রোসেন্ট দিয়ে খেতে বেশ লাগছিলো। কিন্তু বেশিক্ষন এই আয়েশ করা যায় না ।আজ সকালে হসপিটালে কাজ তাই সব গুছিয়ে দরজা টেনে  বাস স্টপ এর দিকে হাটতে থাকি ।

ক্লায়েন্ট কে নিয়ে হসপিটাল থেকে ফেরার পথে উনার বাড়ির প্রায় কাছাকাছি যখন , দেখি রাস্তার অন্য পাশ দিয়ে হালকা পাতলা মিষ্টি  এক বাঙালি প্রায়  সত্তর বয়োসার্ধ মহিলা  ওয়াকিং স্টিক হাতে হেটে যাচ্ছেন। কেমন জানি একটু অন্যরকম মনে হলো। কারণ এই প্রচন্ড শীতেও উনার গায়ে ছিলো পাতলা একটা শাড়ি আর হালকা কার্ডিগান এবং একটা  ছোট স্কার্ফ মাথায় জড়ানো । পায়ের দিকে নজর দিতেই দেখি ঘরের স্লিপার পায়ে। এই শীতে যেখানে আমি কোটের নীচে আরও দুটো  কাপড় চরিয়েছি আর পায়ে বুট ।তার উপর হেভি উলেন স্কার্ফ ।শীতের কি সাধ্য আমার কাছে ঘেঁষে। আর আমার বয়স্ক ক্লায়েন্ট মোটামোটি কোট জামা কাপড় সহ কী না গায়ে জড়িয়েছেন। তাই একটু অবাক হয়ে উনাকে জিজ্ঞেস করলাম এই ভদ্র মহিলাকে চিনেন কি? যা শুনলাম তা হলো, উনার তিন ছেলে ,মেয়ে নেই। দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা। ছোট ছেলে এখনো বিয়ে করেনি মায়ের সঙ্গে আছে, তবে সেও কাজের সময় কাজে চলে যায়। ভদ্র মহিলার মেন্টাল হেল্থ প্রবলেম আছে। তাই অন্য দুই ছেলে নিজের পরিবার নিয়ে অন্যত্র থাকেন ।মায়ের কোনো খোঁজ খবর করেন না। ছোট ছেলে যখন কাজে চলে যায় মহিলা প্রায় ই এদিক সেদিক উদ্দেশ বিহীন ভাবে বের হয়ে  যান। আশ পাশের বাঙালি মহিলারা মাঝে মাঝে দেখাশুনা করেন। ক্লায়েন্ট বললেন যে, উনাকে নাকি পাগলী বলেই সবাই চেনে।

যায় হউক ক্লায়েন্ট কে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে অফিসে যাবো তাই প্রায় পনেরো মিনিট হেটে যখন টিউব স্টেশনের দিকে যাচ্চি। হঠাৎ দেখি সেই মহিলা ব্যাস্ত মেইন রোডের পাশে দাঁড়িয়ে বিপজ্জনক ভাবে রাস্তা পার হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি তাড়াতাড়ি হেটে গিয়ে উনাকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করি , আপনি বাঙালি ? বললেন জি। আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি কোথায় যাচ্ছেন ।আপনার ঠান্ডা লাগবে । চলেন আপনাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসি। আপনার বাড়ির পথ চেনেন? বললেন বাড়ি যাবোনা , আমার ছেলে  একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে আমার জন্য ।আমাকে যেতে হবে। অনেকটা অসংলগ্ন কথাবার্তা। উনি যখন ট্রাফিক লাইটের তোয়াক্কা না করে রাস্তা পার হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন । আমি তখন তাড়াতাড়ি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে দুপাশে হাত ছড়িয়ে উনাকে আমার পিছু পিছু আসতে বলি । ততক্ষনে দুপাশের গাড়িগুলো থেমে গিয়েছিলো ।কারণ এই রকম অবস্থায় পাবলিক খুব কপারেট করে এখানে। আমি রাস্তার ওপাশে উনাকে নিয়ে গিয়ে আবার চেষ্টা করি বুঝাতে যে,  উনি চাইলে বাড়ি পৌঁছে দেব । কিন্তু উনি একই কথা বলে যাচ্ছেন যে, আমার ছেলে আমার জন্য একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে।এভাবে পাঁচ মিনিট হাঁটার পর আমি 999 এ কল করে পুলিশের সাহায্য চাই। সঙ্গে সঙ্গে ওপর প্রান্ত থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। প্রথমে ই জিজ্ঞেস করা হয় মহিলা ইঞ্জুরড হয়েছেন কি না এবং উনার গায়ে  গরম কোট আছে কিনা। আমি মহিলার সঙ্গে হাটতে হাটতেই যা জানি বললাম এবং কোন রোড ধরে হাটছি বলে যাচ্ছি। ওপর প্রান্ত থেকে আমাকে অনুরোধ করা হলো যেন পুলিশ না আসা  পর্যন্ত  আমি উনার সঙ্গে থাকি এবং কিছুক্ষনের মধ্যেই পুলিশের গাড়ি আসবে। কথা বলতে বলতেই দেখি পুলিশের একটা ভ্যান সাইরেন বাজিয়ে খুঁজছে আমাদের। আমি অপরপ্রান্তে অপারেটরকে জানালাম যে আমি পুলিশের গাড়ি দেখতে পাচ্ছি ।ওদের বলো রাস্তার অপরপাশের পেট্রোল পাম্পের কাছে আমি মহিলাকে নিয়ে যাচ্ছি। এক মিনিটের মধ্যেই ওরা আমাদের দেখতে পায় এবং চলে আসে। এরপর দেখি আরেক গাড়ি করে  আরো দুজন মহিলা পুলিশ এসে হাজির হয়। ওরা  এসে আমার পরিচয় জানতে চাইলে আমি আমার কাজের ID দেখাই এবং মহিলার সঙ্গে ওদের কথা বলতে সাহায্য করি।  ভদ্রমহিলার ব্যাপারে যা জানি, একজন অফিসারকে মহিলা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে ইনফরমেশন গুলো দেই । অফিসার তার ডায়রিতে লিখে নেন। যাই হউক মহিলাকে সেইফহ্যান্ডে দিয়ে আমি কাজে রওয়ানা দিতই অফিসার দ্বয় আমাকে ধন্যবাদ জানালেন।

এখন শুরু হবে আসল কাজ। পুলিশ উনাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে উনার বাসার নিকটস্থ ডাক্তারের কাছে থেকে উনার সব ইনফরমেশন নিয়ে সোশ্যাল সার্ভিস , কমিউনিটি মেন্টাল হেল্থ সার্ভিস এবং উনার পরিবারের সঙ্গে আজকের মধ্যই সব যোগাযোগ করবে। যদি বাসায় নিয়ে গিয়ে দেখে উনি সেইফ না তবে সোশ্যাল সার্ভিসের কুইক রেস্পন্ডস টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে উনার  দেখভাল করার ব্যবস্তা করবে। সোশ্যাল সার্ভিস ইনভলব হয়ে যদি দেখে ফ্যামিলির সঙ্গে থেকে উনার দেখাশুনা ঠিক মতো হচ্ছে না তবে উনাকে ওদের কেয়ার এ নিয়ে যাবে। পরিবার যখন একটা অসহায় অথর্ব  মানুষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন এদেশের পাবলিক সার্ভিস গুলো ফেরেস্তার মতো এসে হাজির হয়। শুধু মাত্র একটা মানুষের হিউম্যান রাইটসের কারণে। এখানে কে কোন ধর্মের ,কোন জাতের, কোন রেইসের এবং কোন জেন্ডার এর কিছুই দেখা হয় না । একটাই ধর্ম কাজ করে এই ক্ষেত্রে আর সেটা হলো মানবিকতা । এরা গির্জাকে মসজিদ বানিয়ে দেয় আমাদের জন্য। এরা লক্ষ লক্ষ পাউন্ড খরচ করে সব নাগরিকদের জন্য চিকিৎসাসহ অন্যান্য সেবা খাতে। 

আমার এক ক্লায়েন্ট সপ্তাহে ছোট ছোট দুটো  ইনজেকশন নেন যার মূল্য দুই হাজার পাউন্ড। মাসে উনি আট হাজার পাউন্ডের ইনজেকশন নেন। সবই ফ্রী । উনাকে তিন বেলা কেয়ারার গিয়ে দেখাশুনা করে। আমি সপ্তাহে একদিন উনাকে বাইরে নিয়ে যাই। উনার পরিবার উনাকে ভালোভাবে দেখাশোনা করে না। উনাকে তিনবার সোশ্যাল সার্ভিস ইনভলব করে বলা হয়েছিল যদি চান, উনাকে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে আলাদা জায়গায় বসবাসের ব্যবস্তা করা হবে কিন্ত উনি যাবেন কিনা সেটা উনার চয়েস। যদি চান একদিনের মধ্যে সব সার্ভিস ইনবলব হবে। মহিলা চান নি পরিবারকে ছেড়ে যেতে। কারণ  মেয়ে, নাতি পুতির মায়া কাটানো উনার পক্ষে সম্ভব না। তাই উনার জন্য প্রতিদিন তিন বেলার কেয়ারার দেয়া হয়। উনার স্নান আর খাওয়ানোর জন্য। মহিলা প্রায়ই কাঁদেন এই বলে যে, এক ছেলে ছিল সে তেইশ বছর বয়সে ক্যান্সারে মারা যায় । আর এই মেয়েকে কত আদরে মানুষ করেছেন অথচ সারাদিনে একবার ভালো করে কথাও বলে না । এমনকি নাতি নাত্নীরাও কথা বলতে গেলে বিরক্ত হয়। আমি দেখেছি এমন অনেক বুড়ো মানুষ… উনাদের মনের কষ্ট আর চোখের পানি। মাঝে মাঝে খুব মন খারাপ হয়। যে মা বাবা শত কষ্টের মধ্যে ও বুকে আগলিয়ে ছেলে মেয়েদের বড় করেন। তাদের কি বুড়ো বয়সে কি একটু সম্মান ,একটু ভালোবাসা এবং নূন্যতম দেখাশোনাও এই ছেলে মেয়েদের কাছে প্রাপ্য নয়! শেষ বয়সে একটা মানুষ বড়  অসহায় হয়ে যায় তার শারীরিক অক্ষমতার কাছে। অথচ এই মানুষটি একসময় একা পুরা পরিবার সামলিয়েছেন ।আর উনাদের যখন একটু সম্মান আর দেখাশোনার দরকার হয় তখন অনেক পরিবারেই ছেলে মেয়েরা এই বাবা মাদের একটা উটকো ঝামেলা ছাড়া আর কিছুই মনে করে না। হয়তো অপেক্ষায় করে ,এই ঝামেলা কবে চিরতরে দূর হবে।

আরেকদিন  বাস স্টপে এক বুড়ো মহিলাকে দেখেছিলাম বসে কাঁদছেন। পিঠে হাত বুলিয়ে কান্নার কারণ জানতে চাইলে বুক ভাঙা  কান্নায়  আমাকে জড়িয়ে ধরেন। বলেছিলেন মেয়ে এবং নাতি নাতনীরা কিভাবে কষ্ট দেয়। আমি উনাকে সোশ্যাল সার্ভিসের আন্ডারে যাওয়ার কথা বললে, উনি বলেন আমার মেয়ের ক্ষতি হবে। আত্মীয় স্বজন মেয়ের বদনাম করবে। আর বললেন যে , কয়দিনই বা বাঁচবেন। তাই কারো ক্ষতি চান না ।মন খারাপ হয় তাই কাঁদেন। ঘরে বসে কাঁদলে মেয়ে বকা ঝকা করে তাই বাইরে বের হয়ে কোথাও বসে কেঁদে মন হালকা করেন।

অনেক ভালো ফ্যামিলি ও দেখেছি। মা বাবা কে কি আদর আর সম্মানের সঙ্গে দেখাশোনা করতে। মনটা ভরে যায়। কিন্তু যখন এরকম অসহায় মানুষ দেখি তখন আমার নিজের কথা মনে হয়। এই যে ছেলে মেয়ে কে একা মানুষ করছি যদি ভবিষ্যতে খোদা না করুন , ওরা এমন হয়ে যায় । ভাবলে ই আমার হৃদয় বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে । কত আদরের ছেলে মেয়ে। জীবনের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ এবং  ক্রুসিয়াল সময়ের মধ্যে ও বাচ্চাদের  সঠিক লালন পালনটাই মুখ্য থাকে। অথচ ওরা ই একদিন সবচেয়ে অপরিচিত হয়ে যায় ।মা বাবা একটু হেসে ভালমন্দ  জিজ্ঞাস করতে গেলেও  ছেলে মেয়েরা বিরক্ত হয় ।এহেন অমানবিক আচরণে তখন শুধু দীর্ঘশ্বাস আর চোখের জলই সম্বল হয় । অথচ কেউ কি একবারও ভাবেন যে, এক সময় নিজে যখন অক্ষম অথর্ব হয়ে যাবেন তখন যদি একই আচরণ আর অবহেলা নিজের বাচ্চাদের কাছ থেকে আসে তখন কেমন লাগবে। কেউই ভাবে না আসলে । উল্টা নিজেদের অমানবিক স্বার্থপর আচরণের স্বপক্ষে যুক্তি খুঁজে। কেউ কেউ হয়তো বলবেন যে, এই বাবা মাদের লালন পালনে ক্রটি ছিল। বাচ্চাদের সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব ছিলো। হয়তো ছিল। কিন্তু তাই বলে আজ সে যে জায়গায় প্রতিষ্ঠিত , এই জায়গাটাতে আসতে মা বাবার কোনো অবদানই কি ছিলোনা! আলগা থেকে , নিজের সুখের জায়গা থেকে অনেক তত্ত্ব কথাই বলা যায়। কিন্তু একজন শারীরিক ভাবে অক্ষম অথর্ব  মানুষ যদি আপনজনের অনাদর ,অবহেলা, আর বঞ্চনা দ্বারা নিগৃহীত হন তিনি ই একমাত্র  জানেন, বুঝেন সন্তানদের এহেন আচরণ  কত টুকু বেদনাদায়ক ।  কাউকে মুখ ফুটে বলতেও পারেন না । পাছে সন্তানের বদনাম হয় ।এতো কিছুর পরও ভাবেন ওরা ভালো থাকুক। দোষ হয়তো নিজের ।তেমন শিক্ষা দিয়ে  বড় করতে পারেন নি।

বাচ্চা বড় আদরের । কিন্তু এক সময় সে  আর সেই ছোট বাচ্চাটি থাকেনা ,সে বড় হয় , নিজস্বতা তৈরি হয় এবং ফাইনেন্সিয়ালি ইন্ডিপেন্ডেন্ট হয়  ।  পুরোপুরি সে একজন স্বাধীন মানুষ তখন এবং তখনই ছেলেমেয়েদের  মানসিকতা বুঝা যায়  যে,  বাবামার প্রতি দায়িত্বজ্ঞান  , কৃতজ্ঞতা বোধ,ভালোবাসা ইত্যাদি  কত টুকু তার মধ্যে বিদ্যমান । যদি তার মধ্যে মৌলিক মানবিক গুনের জায়গাগুলো শূন্য থাকে তবে সে আত্মকেন্দ্রিক ভাবনায় আবদ্ধ থাকবে ।বাকি সব কিছু তার অপাঙতেও মনে হবে। আর এর ফল ভোগ করবে সে অসহায় বাবা মা ,যারা একদিন নিজের সব আরাম আয়েশ ত্যাগ করে শুধু ছেলে মেয়েদের লালন পালন কে ই জীবনের ব্রত হিসাবে নিয়েছিলেন।  আজ আমি সেই বাবা মায়ের জায়গায় নিজেকে প্রতিস্থাপন করে দেখছি ।আমার নিজ বাবামা কে মনে পড়ছে । নিজে কে প্রশ্ন করি ,মাবাবার প্রতি আমি কি আমার যথাযথ দায়িত্ব পালন   করেছি? কোনোদিন কি কোনো কথায় কষ্ট দেইনি? আজ অনেক কথাই মনে পড়ে। মা বাবা নেই ।পরপারে চলে গেছেন।  আমি এখন তাদের জায়গায় ।জীবনের সব মূল্যবান সময় গুলো ব্যয় করছি ছেলে মেয়েকে  মানুষ করতে । এক হাতে কাজ করছি , ঘর সামলাচ্ছি ,ওদের দেখাশুনা করছি। মাঝে মাঝে ক্লান্ত লাগে। কিন্তু কৈ আমি মা তো স্বার্থপর তো হতে পারিনা। আজ যদি সন্তান কোনো একটা অসুন্দর আচরণ করে   আমার কি মন খারাপ হয়না ? হয় ! সব কিছুর পরও  জীবনের কাছে একটাই চাওয়া ,ওরা যেন সুস্থ থাকে ,ভালো থাকে। আমার মা বাবাও  নিশ্চয় এমনটি ই ভাবতেন।এখন বুঝি মা বাবার মনোকষ্ট কিছুটা হলেও। তাই মাঝে মাঝে  কাহলিল জিব্রানের সে কবিতার লাইন গুলো মনে মনে আওড়াতে  থাকি।
” তোমার সন্তানেরা তোমার সন্তান নয় ।
তারা পুত্র ও পুত্রী জীবনের তরে জীবনের।
তারা আসে তোমার মাধ্যমে কিন্তু নয় তোমা থেকে,
যদিও তারা আছে তোমার সাথে তবুও তারা নয় তোমার
অধিকারে।
তাদের তুমি দিতে পারো প্রেম কিন্তু পারো না দিতে তোমার চিন্তা,
কারণ, তাদের রয়েছে আপন চিন্তা ।
তুমি স্থান দিতে পারো তাদের দেহের কিন্তু পারোনা
আত্মার তোমার ঘরে,
কারণ, তাদের আত্মা আগামীর ঘরে বাস করে,
যেথায় তুমি যেতে পারবে নাকো, এমনকি তোমার স্বপনেও।…………………………..

ছবি:গুগল