কথায়, কলামে ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট

আহসান শামীমঃ বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল নাইমুর রহমান দুর্জয়ের দল। তবে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশকে টেস্ট খেলার আমন্ত্রন জানাতে ১৭ বছর সময় নিল ভারতীয় ক্রিকেট কর্তারা।ভারতের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার রবিচন্দ্র অশ্বিন মনে করছেন স্পিনারদের জন্য এই মাঠ আদর্শ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অশ্বিন হায়দ্রাবাদের উইকেট নিয়ে বলেন,‘এই মাঠের মূল উইকেটে কিছুটা বাউন্স থাকে। আউটফিল্ডও ঘন সবুজে ঢাকা। এটা স্পিনারদের জন্য বেশ বড় মাঠ। সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও আপনি এই মাঠে যথেষ্ট ফ্লাইট দিতে পারবেন।’এই উইকেটে বোলিং করা বেশ উপভোগ্য উল্লেখ করে অশ্বিনের বক্তব্য, ‘এই উইকেটে বল কিছুটা থেমে আসে, সাথে বাউন্সও আপনাকে ভালো বল করতে সুবিধা দিবে। আমি এখানে বোলিং করতে উপভোগ করি।’

ভারতের মাটিতে বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে দেখে ক্রিকেট বিশ্লেষক ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হারশা ভোগলে ক্রিকবাজের কলামে লিখেছেন,‘বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে ডেকে টেস্ট খেলার সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যমে এক ঐতিহাসিক ভুল শুধরালো ভারত। ১৬ বছর আগে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট খেলে ভারতের বিপক্ষে, এর পর তারা ভারতের সাথে মাত্র ৭টি টেস্ট খেলেছে এবং সব বাংলাদেশের মাটিতে।’ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া দেশ মানে আপনার তাদের সাথে খেলতেই হবে। এটা খুবই অদ্ভুত কারন ভারতই প্রথম বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস নিয়ে জোড় দাবি জানিয়েছিল ,  তারাই আবার বাংলাদেশের সাথে খেলতে অনাগ্রহ দেখিয়ে এসেছে।’বিস্তারিত ব্যাখ্যায় তিনি ভারতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ভারতের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ঠিক পরের কয়েক দশক সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ভারত ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোন সফর করার সুযোগ পায় নি।বাংলাদেশের আরও আগেই ভারতে এসে খেলা দরকার ছিল, তবে অবশেষে ভারতকে বাংলাদেশের মেজবান হতে দেখে ভালো লাগছে।’

বৃহস্পতিবার ২০০০ সালে টেষ্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মত ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলবে ।বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকের মতে , বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে ভারতের জন্য টেষ্ট জয়টা খুব সহজ হবে না ।