করোনা প্রতিষেধক নিয়ে সংকটে গবেষকরা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

করোনাভাইরাসের আগ্রাসন রুখতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চলছে এর প্রতিষেধক তৈরির আপ্রাণ চেষ্টা। প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে প্রতিষেধক আর ওষুধ নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে আশাজাগানিয়া খবর। কিন্তু এরই মধ্যে পশ্চিমা বিশ্বে এই প্রতিষেধক তৈরির সঙ্গে জড়িত বড় বড় ওষুধ কোম্পানী আর বিজ্ঞানীরা আরেকটি সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন। পশ্চিম গোলার্ধে এই ভাইরাসের সংক্রমণের হার ধীরে ধীরে কমে আসছে। তারা বলছেন, রোগীর সংখ্যা যদি এভাবে কমে আসতে থাকে তাহলে মানবদেহে ওষুধ দিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ কমে যাবে। বেশি সংখ্যক আক্রান্ত মানুষের মধ্যে প্রতিষেধকটি পরীক্ষা করার সুযোগ থাকবে না। ফলে তাদের গবেষণার গতি ব্যহত হবে।

গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের অ্যাসট্রাজ্যানেকা পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যাসকেল সরিয়ট সাংবাদিকদের কাছে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।এই কোম্পানীটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একজোট হয়ে প্রতিষেধক তৈরির কাজ করছে। তাদের এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত হয়েছে স্যানোফি, জনসন অ্যান্ড জনসন, গ্ল্যাক্সো অ্যান্ড স্মিথ এবং ফাইজারের মতো বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানী।

সরিয়েট জানান, গবেষকরা এখন মনে করছেন পরিস্থিতির আরো উন্নতি হলে তাদের গবেষণার জন্য সুস্থ্য মানুষের দেহে এই করোনা রোগের জীবাণূ প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষায় নামতে হবে।

সরিয়েটের কথা হচ্ছে, আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডে করোনাভাইরাস তার তাণ্ডব এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আক্রান্তের হার সেখানে প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে।লকডাউনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সরকার করোনা সংক্রমণের হার দ্রুত কমিয়ে আনছেন। ফলে গবেষকরা পড়েছেন বিপাকে। তারা মনে করছেন এখন তাদের প্রতিষেধক আবিষ্কার এবং তার সফল প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সময়ের পেছনে ছুটতে হবে, বেশি সংক্রমিত দেশগুলোতে গিয়ে চালাতে হবে তাদের পরীক্ষা।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ ব্লুমবার্গ

ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]