কি করলে চুল পরা কমবে…

আমরা চুলের এত যত্ন করি, দামী শ্যাম্পু ব্যবহার করি, পার্লারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করাই এভাবে অনেকটা সময় চুলের পিছনে ব্যয় করি। তবুও অনেক সময় দেখা যায় এতকিছুর পরও চুল পরে? নিশ্চয়ই এর পিছনে কোন কারণ আছে।আর কারণগুলো নির্ধারণ করে অবশ্যই আমাদের সমাধান বের করতে হবে।

  • প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করা চুলের জন্য ক্ষতিকর। তাই যত ভালো শ্যাম্পুই হোক প্রতিদিন ব্যবহার করবেন না।
  • আমরা প্রায় সকলেই মনে করি যে কন্ডিশনার লাগালে চুল ভালো থাকে। আসলে এটি খুবই ভুল একটি ধারণা। কন্ডিশনার লাগালে চুল ভালো থাকে না, বরং সাময়িক কোমল ও উজ্জ্বলতা আসে কন্ডিশনারে উপস্থিত রাসায়নিকের কারণে যা মোটেও ভালো নয়। বরং নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায় অনেক বেশী।
  • রোজ গোসল করা খুবই জরুরী, কিন্তু রোজ চুল ধোয়া বা চুলে পানি লাগানো জরুরী নয়। আপনি দৈনিক কতটা সময় বাইরে থাকেন সেটার ওপরে নির্ভর করে চুল ধোবেন। চুল নোংরা না হলে রোজ চুলে পানি লাগানোর কোন প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে যাদের বেশী লম্বা ও ঘন চুল, তাঁরা তো মোটেও এটা করবেন না। এমন চুল শুকাতে সময় লাগে, অনেকটা সময় গোঁড়া ভেজা থাকার ফলে চুল দুর্বল হয়ে যায়।
  • চুলে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা বা রোদে বসে চুল শুকানো ঠিক না। অতিরিক্ত উত্তাপে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়।তবে ফ্যানের বাতাসের নিচে চুল শুকানোই উত্তম।
  • তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে চুল মোছবেন না । এতে চুলের আগা ফেটে যায় ও প্রচুর চুল ঝরে।
  • গোসলের পর চুল ভেজা থাকা অবস্থায় চুল আচড়াঁবেন না।চুল ভালো করে শুকালে আচঁড়াবেন। গোসলের পর চুল থাকে নরম ও ভঙ্গুর। এমন সময়ে আঁচড়ালে চুল ভেঙে ও ঝরে যাওয়ার হার বেড়ে যায় অনেক।
  • গোসলের আগে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে উল্টে-পাল্টে ভালো করে চুল আচঁড়ে নিবেন।
  • গোসলের পর অনেকটা সময় মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না। এতে চুলের ওপরে চাপ পড়ে, চুল ভেঙে যায়, যত দ্রুত সম্ভব চুল শুকিয়ে ফেলুন।
  • দিনে ২/৩ বার গোসলের অভ্যাস থাকলেও ২/৩ বারই চুল ভেজাবেন না।
  • অনেকেই দুপুরে বা রাতে গোসলের পর চুল পুরোপুরি না শুকিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন, এটা খুবই এতে চুলের গোঁড়া দুর্বল হয়ে যায়।

  ছবি: সৌজন্যে বুলবুল টুম্পা