কেন তোমাদের মাথা ব্যথা…

ফেইসবুক এর গরম আড্ডা চালাতে পারেন প্রাণের বাংলার পাতায়। আমারা তো চাই আপনারা সকাল সন্ধ্যা তুমুল তর্কে ভরিয়ে তুলুন আমাদের ফেইসবুক বিভাগ । আমারা এই বিভাগে ফেইসবুক এ প্রকাশিত বিভিন্ন আলোচিত পোস্ট শেয়ার করবো । আপানারাও সরাসরি লিখতে পারেন এই বিভাগে । প্রকাশ করতে পারেন আপনাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া ।

নাজমুল হুদা ঈমন

নাজমুল হুদা ঈমন

মিরাজকে বাড়ি করে দেওয়ার ঘোষণায় আপনাদের এত চুলকানি কেন? খুব জ্বলে নাকি ভাই?
১০-১২ বছর বয়সে যখন আপনি পড়ালেখা নিয়ে ব্যাস্ত, তখন থেকেই নিজের টোটাল ক্যারিয়ারটাকে চরমতম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে একটা ছেলে খেলা শুরু করে। মজার বিষয়টা কি জানেন? তার এই খেলোয়াড়ি জীবনের আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ কত বয়স পর্যন্ত থাকে? ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত। যে বয়সে আপনি চিন্তা করেন শুধু এই চাকরি বা ব্যাবসাটা দিয়ে হচ্ছে না, পাশাপাশি আরও একটা কিছু করা উচিৎ, সেই বয়সে তার ক্যারিয়ারই শেষ। আরও মজার বিষয় কি জানেন? ১৬ কোটি মানুষের দেশে যদি জাতীয় দলের ওই ১৬ জনের মধ্যে সে ঢুকে, এবং টিকে যেতে পারে তাহলে তাও কিছু একটা পুঁজি হাতে থাকে জীবনের বাকি ৩৫ বছর কাটানোর। আর যদি না ঢুকতে পারে বা ঢুকলেও টিকতে না পারে তাহলেতো পোয়া বারো। আমাদের দেশের ঘরোয়া লিগে যে পরিমান টাকা দেওয়া হয় একটা খেলোয়াড়কে, এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেই টাকা পুরাটা পকেটে আসতেও পারে না একজন খেলোয়াড়ের। আরও মজার বিষয় কি জানেন? ব্যাপারটা কিন্তু সবসময় এমন না যে, খারাপ খেললেই বাদ। একটা খেলোয়াড় ভাল খেলছে, কিন্তু অন্য কোন জেলায় বা ক্লাবে আর একটা ছেলে আরও ভাল খেলে ফেলেছে। কিংবা একটা ছেলে দুর্দান্ত বল করেছে ঘরোয়া লিগে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে জাতীয় দলে এই মুহূর্তে কোন বোলারের প্রয়োজন নেই। দরকার একজন ব্যাটসম্যানের। এত কিছুর পর আরও একটা মজার বিষয় আছে, সেইটা হল স্বজনপ্রীতি বা লবিং এর মত নোংরা পলিটিক্স।
Bangladesh England Cricketকি ভাই বুঝলেন ব্যাপারটা। ব্যপারটা কিন্তু এমন না যে সারারাত জেগে পড়লাম আর পরীক্ষায় ভাল করলাম, লাইফ সেটেলটড। কিংবা রেজাল্ট খারাপ করলাম, তাও তো একটা চাকরি পেয়েই যাব কোনমতে। সারাজীবনের মত চিন্তামুক্ত হয়ে গেলাম। কিংবা যেভাবেই হোক একটা পুঁজি নিয়ে ব্যাবসা শুরু করে দিলাম বয়স ৩০ হওয়ার আগেই। ব্যাস কি চাই আর জীবনে। বাংলাদেশের খেলা দেখব আর সমালোচনা করবো।
আরও মজার বিষয় ছিল, কিন্তু কি দরকার এত মজা দেওয়ার, বলেন। একটা ছেলে যে কিনা বস্তি টাইপের একটা বাসায় থাকে, আন্ডার-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিল, ওই বিশ্বকাপের ম্যান অব দা সিরিজ ছিল, সে জাতীয় দলে ঢুকে বলতে গেলে একা হাতেই ইংল্যান্ডকে টেস্টের মত একটা খেলায় হারিয়ে দিল, আবারো ম্যান অব দা সিরিজ হল, আপনার আমার সবার কমন আবেগের জায়গা ক্রিকেটের মত একটা খেলায় আমার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে যে এখন থেকে, তাকে প্রধানমন্ত্রী সামান্য একটা বাড়ি করে দিতে চেয়েছে, এইটা কি এতটাই ভুল কিছু?
সাবধান ভাই, আপনার জ্বলন এত বেশী, আমারতো মাঝে মাঝে ভয়ই হয়, না জানি আপনার জ্বলনের উত্তাপে প্যান্ট পুড়ে পাছা না আলগা হয়ে যায়।