কেমন আছে আপনার ছেলে-সন্তান

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেমন আছে আপনার ছেলে-সন্তান? শেষবার কবে খবর নিয়েছেন সে ঠিকঠাক স্কুল অথবা কলেজে যাচ্ছে কি না? কবে জানতে চেয়েছেন নিজের ঘরে সে রাতেরবেলা কয় ঘন্টা কম্পিউটারের  সামনে বসে থাকে? কাদের সঙ্গে মেশে, কোথায় যায় একা একা? পরিবর্তন ঘটেছে তার পড়া বইয়ের তালিকায়? সম্ভবত প্রশ্নগুলো করার সময় আপনার হয় নি। কারণ আপনি নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সারাদিন অফিস করে অথবা ব্যবসা সামলে ঘরে ফিরে আপনার ছেলে সন্তানটির সঙ্গে ভালো করে কথা বলারই ফুরসৎ হয় না আপনার। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন, সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি আপনি করতে ভুলে যাচ্ছেন? আপনার ছেলে-সন্তান এই অন্যমনষ্কতার সুযোগে জড়িয়ে যাচ্ছে জঙ্গীবাদের সঙ্গে, নিজের নামের সঙ্গে ধর্ষকের তকমা লাগাচ্ছে?এই কিছুদিন আগে রাজধানরি বনানী এলাকায় দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি তো সবারই জানা। এতোসব জেনেও সতর্ক হচ্ছেন না?

সমাজ এগিয়ে চলেছে এক অদ্ভূত, ভোগী, আদর্শহীন অস্থির সময়ের হাত ধরে। অপরিমিত বিত্ত, কালো টাকা, অসংযম, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা আর হিংসা মানুষের সাধারণ আবেগ আর মানবিকতাকে ঠেলে দিচ্ছে ভুল কোন প্রান্তে। আর তার বিপর্যয় নেমে আসছে পরিবারের কাঠামোর ওপর। অনিরাপদ হযে পড়ছে আপনার ছেলে-সন্তান। বিভ্রান্ত হয়ে তারা জড়িয়ে পড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে। বাবা অথবা মায়ের যথাযথ সতর্কতা এবং যত্নের অভাবে তারা পা বাড়াচ্ছে অচেনা বিপদের দিকে।

আমাদের দেশের তারুণ্য ১৯৭১ সালে এই দেশের স্বাধীনতার জন্য এই মাটিতে বুকের রক্ত দিয়েছে অকাতরে, এ দেশের তারুণ্য অন্যায় আর অপশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে রাজপথে সব চোখ রাঙানী উপেক্ষা করে। তারা কেউ ধর্ষক ছিলো না, কেউ ধর্মের নামে মানুষকে খুন করে নি। তাহলে আজ আমরা আমাদের ইতিহাস সম্পের্কেও সন্তানদের শিক্ষা দিতে পারছি না?এবার প্রাণের বাংলার প্রচ্ছদ আয়োজন তাই আপনার ছেলে-সন্তানকে নিয়ে। তার প্রতি আরো মনযোগী হওয়া, তার মানসিকতাকে বুঝতে চেষ্টা করার খুটিনাটি পদ্ধতিগুলো নিয়ে।

একেকটি ঘটনা ঘটে তারপর আমরা নড়েচড়ে বসি। সন্তানের ব্যাপারে নিজেদের অভিবাবকত্বের আয়নায় মুখ দেখার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে দিই।বনানীতে ধর্ষণ কান্ড অনেক অভিবাবকের ঘুমে উড়িয়ে দিয়েছে। ‍যেমন নাড়া দিয়েছিল হোলি আর্টিজান বেকারীতে জঙ্গী কিশোরদের চালানো নিষ্ঠুর হত্যাকান্ড। গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষক ছেলেটি বলছে, প্রতিদিন তার হাতখরচই দুই লক্ষ টাকা। যে পিতা তার সন্তানের হাতে এই পরিমাণ অর্থ তুলে দেন হাতখরচ হিসেবে তার সততা এবং দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছিল হোলি আর্টিজানের সেই হত্যাকারীদের বাবামায়েদের ভূমিকা নিয়েও। ধর্ম এবং ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা যখন তাদের ছেলে-সন্তানকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো একজন খুনী হযে ওঠার পথে তখন কোথায ছিল তাদের সচেতনতা? গণমাধ্যমে পর্দার আড়ালে এমন অনেক গল্প এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে। শোনা যাচ্ছে রাজধানীর বহু আবাসিক হোটেল এবং রিসোর্টে এ ধরণের বেপরোয়া তরুণরা পিতার আরো বেপরোওয়া বিত্তের দাপটে এভাবে সর্বনাশ করছে বহু মেয়ের প্রতিদিন। ঘটছে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধ। আমাদের চোখের সামনে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মানুষ খুন করার। সেসব ঘটনা থেকে যাচ্ছে চোখের আড়ালে, আইনের আওতার বাইরে।থেকে যাচ্ছে তাদের ঘরের মানুষদের জানার বাইরে।

তাহলে কি এই একবিংশ শতাব্দীতে সন্তানকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যর্থ অভিবাবকরা? কথা উঠছে কারো ব্যস্ততার অজুহাত, কারো অবৈধ পথে উপার্জিত টাকা আর রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপটই সন্তানকে ঠেলে দিচ্ছে চূড়ান্ত উশৃংখলা আর অনিয়সের এক উদ্ভাস্তু পৃথিবীতে। আমরা লক্ষ্য করছি না, আমরা ভুলে যাচ্ছি প্রিয়তম সন্তানের জীবনযাপনের ওপর নজর রাখতে। একটি প্রজন্মের মন, শরীর সব বিকল হয়ে যাচ্ছে সেই সুযোগে। অনৈতিকতার নিপুন পাতা ফাঁদে ধরা পড়ছে তারা।

বয়ঃসন্ধি অর্থাৎ টিনেজ-সময়টা খুব বিপজ্জনক। এ সময়ে বাবামায়ের সঙ্গে একটা দুরত্ব তৈরি হয়ে যায় সন্তানদের, বিশেষ করে ছেলে-সন্তানদের। এর একটা বড় কারণ বোধ হয় আমাদের সমাজে ছেলে শিশুরা মেয়েদের তুলনায় একটু বেশী চলাফেরার স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে। বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে ক্রমশ জড়িয়ে গিযে তারা ভুলও করতে শুরু করে। দেখা গেছে এ সময়ে তারা অনেক কিছু গোপন করে। কোন সমস্যায় পড়ে গেলেও সেটা অভিবাবকদের জানায় না। টিনেজ বয়সে আচরণের কিছুটা সমস্যা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু তা যেন অস্বাভাবিক হয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাইরের পৃথিবীর গবেষকরা বলছেন এমন পাঁচটি বিপদ সংকেত আছে যা দেখলে মনে হতে পারে সন্তানের জীবনে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

১. সে যখন পরিবার থেকে নিজেকে আলাদা করে ফেলে

কিছুদিন আগেও পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ছিলো খুবই ভালো। কিন্তু সম্প্রতি সে নিজের মাঝে গুটিয়ে গেছে। বাসার বাইরে সে অনেকটা সময় কাটায়। অথবা বাড়িতে এসেও নিজের ঘরে মুখ গুঁজে পড়ে থাকে প্রায় পুরোটা সময়। এই ব্যাপারটা বিপদ সংকেত। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তার একটু একটু করে দূরত্ব তৈরী হচ্ছে। বুঝতে হবে এই আচরণের পেছনে কোন কারণ আছে। তখন কারণটা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিতে হবে। সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

২. তার মেজাজে এবং আচরণে হুটহাট পরিবর্তন আসছে

খুব ভালো মেজাজে আপনার সাথে কথা বলছে টিনেজার সন্তান। হুট করেই সে রেগে থম মেরে গেলো। অন্যধরণের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে ফেললো। এখানেই সাবধান হতে হবে আপনাকে। এই আচমকা রেগে যাওয়া, ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠার ভালো লক্ষণ নয়। এরকম আচরণকে শুধু হরমনগত পরিবর্তন বলে বিবেচনা করলে হবে না। সময় পাল্টে গেছে। ছেলে-সন্তানের এরকম বেপরোয়া হয়ে ওঠার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। পাশাপাশি দেখতে হবে তার মধ্যে অনিদ্রার প্রভাব পড়েছে কি না। সে কোনকিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে কি না।

৩. সে মাদক সেবন করে

আপনি জানেনই না আপনার সন্তান নেশায় আসক্ত হয়ে উঠছে। বাড়ি থেকে নানা ছুতায় আগের চাইতে বেশী হাতখরচ দাবি করছে। অচেনা বন্ধুরা তাকে বাড়ির বাইরে এসে তাকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে। এই বন্ধুদের অনেকের নামও আপনার জানা নেই। সতর্ক হতে হবে এখনই। অনেক সময়ে বাবামায়ের অজান্তেই তাদের নিতান্ত সুবোধ সন্তান নিছক কৌতূহলের বশেই ড্রাগ নিয়ে থাকে। ভাবছেন আপনার ভালো ছেলে/মেয়েটি এমন কাজ কখনোই করবে না? আপনি আশা করতেই পারেন। কিন্তু ড্রাগ নেবার লক্ষণগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকা ভালো। তার বেডরুমেও কোথাও ড্রাগ নেবার সরঞ্জাম যেমন সিরিঞ্জ বা পুরিয়া থাকতে পারে। মনে রাখবেন, আপনি তাকে যতো বেশি অন্ধের মতো বিশ্বাস করবেন, আপনার চোখ ফাঁকি দেওয়া তার জন্য ততই সহজ হবে।

.সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

মানসিক অস্থিরতা (mental stress) কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে ঘুম। একদিকে ঘুম যেমন মানসিক অস্থিরতা কমায়, অপরদিকে প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম তা বাড়িয়ে তোলে। আপনার সন্তান যেন ৭-৯ ঘণ্টা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে তা নিশ্চিত করুন। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এমন কিছু যেমন মোবাইল, টিভি ইত্যাদি তার রুম থেকে সরিয়ে নিন।এ বিষয়টি ছেলে অথবা মেয়ে উভয় সন্তানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

৫. সন্তান বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে

সন্তান মাত্রাতিরিক্ত ছন্নছাড়া, বেখেয়ালি আচরণ করতে থাকলে আপনার সন্দেহ জাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক অভিবাবক আছেন যারা এ বিষয়টি খেয়ালই করেন না। সন্তান যখন কোনো কিছুই মানতে চায় না, সব ক্ষেত্রেই অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকবে তখন বুঝবেন কোথাও কোনো সমস্যা আছে। শুধু তাই না, এ থেকে বোঝা যায় সে নিজের আচরণের দায়িত্ব নিতেও শিখছে না। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটাকাটি, অন্য কোনোভাবে নিজের ক্ষতি করা, ওজন খুব বেশি কমে বা বেড়ে যাওয়াটা এমন বেখেয়ালি আচরণের লক্ষণ। সুইসাইডের ব্যাপারে সে কিছু বললে অবশ্যই তা হেসে উড়িয়ে দেবেন না। তার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।

৬. মোবাইল অথবা ল্যাপটপ সর্বক্ষণের সঙ্গী হতে পারে না

এখন বাবামায়েরা ঝট করেই সন্তানের হাতে তুলে দিচ্ছেন দামি মোবাইল অথবা ল্যাপটপ। হয়তো তার জীবনযাত্রা, লেখাপড়ায় এর প্রয়োজন আছে। কিন্তু সব ধরণের সুবিধা সম্বলিত এই সব গ্যাজেট আপনার সন্তানের বিশেষ করে ছেলে-সন্তানের ভবিষ্যতকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই যন্ত্রগুলোতে যত বেশী সুবিধা থাকবে তারা ততোই বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকরওেয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবে। বাংলাদেশ থেকে বহু ছেলে এখন জঙ্গীদের ব্যবহৃত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে অনায়েশে। অনেকে না বুঝেও এসব জায়গায় ঢুকে জড়িয়ে যাচ্ছে সমূহ বিপদে। তার প্রমাণ আমরা গত কয়েক বছরে দেখতে পেয়েছি। নামকরা সব স্কুলে লেখাপড়া করা টিনএজাররা জঙ্গী তৎপরতার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। নিজের জীবন দিয়ে তারা এই অপরাধের প্রায়শ্চিত্য করেছে।

অল্পবয়সি ছেলে-মেয়েদের চালিকাশক্তি হিসেবে দু’টি পূর্বশর্ত হল— অন্তর্নিহিত সন্তুষ্টি এবং তৃপ্তি।

এই বয়সের একজন ছেলে বা মেয়ের জীবনের স্বাভাবিক চাহিদাসমূহ হল–

  • একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে বয়ঃসন্ধির ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা এবং সম্মানপ্রদান জরুরি।
  • তাদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতিকে মূল্য দিতে হবে।
  • কিশোর বয়সের ছেলে-মেয়েদের ভাবানুবেগকে দৃঢ়ভাবে অনুধাবন করা দরকার।
  • এই বয়সের ছেলে-মেয়েদের সামনে সঠিক অভিভাবকত্বের দৃষ্টান্ত তুলে ধরা অবশ্য কর্তব্য।
  • তাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করতে হবে।

৭. আপনার দায়িত্ব কী হবে

বাবা-মায়েদের পক্ষ থেকে সন্তানের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বয়ঃসন্ধির সঙ্গে তাদের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় সহযোগিতা একান্ত কাম্য। এক্ষেত্রে অভিভাবক হিসেবে করণীয় হল—

  • বাবা বা মায়ের ব্যক্তিত্ব কিশোর-কিশোরীর মনে প্রভাব বিস্তার করে। তাই তাদের সামনে নিজেদের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরা অভিভাবকদের প্রধান দায়িত্ব। এর জন্য চাই মনের আবেগানুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সন্তানের সঙ্গে কার্যকরী যোগাযোগ গড়ে তোলা।
  • ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উদার, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ, সহানুভূতিশীল এবং গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্থাৎ পরমত সহিষ্ণু হওয়া বাবা-মায়েদের একান্ত জরুরি।
  • মনের নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বিকাশের জন্য অনুশীলন করা।
  • বয়ঃসন্ধি পর্বের একজন ছেলে বা মেয়ের বিষয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে তাদের ওয়াকিবহাল করাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
  • পরিবারের সবাইকে নিয়ে মাঝে-মধ্যে অবসরযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা।
  • নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকার জন্য উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের ক্রমাগত উৎসাহ দান এবং তাদের নিজস্ব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সঠিক অভিভাবকত্বের ভূমিকা পালন করা।
  • ছেলে-মেয়েদের সামনে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার অভ্যাসটাও বদলে ফেলা উচিত।
  • সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনার মানসিকতা তৈর করুন নিজের মধ্যেই। মনে রাখবেকন তাদের সঙ্গে আপনার ভুল বোঝাবুঝির মূলে রয়েছে আপনার এই উদাসীনতা। যেটাকে আমরা তাঁদের অভব্য আচরণ ভাবি তা প্রতিবাদের ভাষাও হতে পারে। এঁর পেছনে অনেক সময় মানসিক সমস্যাও কাজ করে।  স্বাভাবিক ভাবেই তা অনেক মা বাবা চিনতে পারেন না। মানসিক অশান্তির ফলে অনেক সময় অল্প বয়সেই তাঁরা ধুমপান অথবা মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়ে।

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]