কোনান ডয়েলের অতৃপ্তি ছিলো শার্লক হোমস নিয়ে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের মনে নাকি অতৃপ্তি ছিলো নিজের লেখা শার্লক হোমসের কাহিনি ‍নিয়ে। গোটা দুনিয়ায় তাঁর লেখা গোয়েন্দা শার্লক হোমস আর তার সঙ্গী ড, ওয়াটসনকে নিয়ে তুমুল মাতামাতির সময়েও কোনান ডয়েল ভাবতেন, সাহিত্যের পাঠক তাকে মনে রাখবে গোয়েন্দা গল্প দিয়ে নয়, তাঁর লেখা দুটি উপন্যাসের কারণে। কিন্তু লেখকের আকাঙ্ক্ষা সত্যে পরিণত হয়নি। পাঠকের কাছে কোনান ডয়েল অমর হয়ে আছেন শার্লক হোমসের স্রষ্টা হিসেবেই। ১৮৯১ সালে তাঁর উপন্যাস ‘দ্য হোয়াইট কোম্পানী’ আর ১৯০৬ সালে লেখা ‘স্যার নাইজেল’ উপন্যাস দুটি হারিয়ে গেছে পাঠকের স্মৃতি থেকে।

ইংল্যান্ডের দুই প্রকাশক মিলে ২০২০ সালে আবার নতুন করে পাঠকদের সামনে নিয়ে এসেছেন কোনান ডয়েলের লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যাওয়া দুটি বই। দুটি উপন্যাসই ১৪ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে সংঘাটিত শতবর্ষ ধরে চলা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। উপন্যাস দুটি নতুন করে প্রকাশিত হবার পর সাহিত্যের আলোচকরা মন্তব্য করেছেন, হোমসের কাহিনির তুলনায় এই দুটি উপন্যাসের গতি অনেকটাই ধীর। কোনান ডয়েল বেশ কিছু অপ্রচলিত শব্দ ব্যবহার করেছেন তাঁর উপন্যাসে।স্যার নাইজেল উপন্যাসে এক বীর নাইটের জীবনের গল্পকে উপস্থাপন করেছেন কোনান ডয়েল। শোনা যায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার তাঁর মৃত্যু শয্যায়ও এই বইটি পাশে রেখেছিলেন।

হোয়াইট কোম্পানী উপন্যাসেও ধর্মযাজক হতে চাওয়া এক যুবক আর তার দুই সঙ্গীকে নিয়ে কাহিনি লিখেছেন কোনান ডয়েল। দুটি উপন্যাসেই বীরত্ব, মহানুভবতা আর মানুষের সততা বড় তিনটি চরিত্র হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক
তথ্যসূত্রঃ ওয়াশিংটন পোস্ট
ছবিঃ গুগল 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]