কোহলি দুষলেন বাংলাদেশের ব্যাটিং দূর্বলতাকে

আহসান শামীমঃ প্রথম ইনিংসে ভারতের ৬৮৭ রানের পাহাড় দেখলে আপাত দৃষ্টিতে মনে হবে বাংলাদেশ খুবই বাজে বল করেছে। আসলে যাচ্ছেতাই ফিল্ডিংয়ের কারনেই ভারতের এই রানের পাহাড়। টেষ্ট অধিনায়ক মুশফিক , বিসিবির সভাপতিসহ ব্যাপারটা নিয়ে সবাই একমত । হায়দরাবাদ টেস্টে হারের পেছনে ফিল্ডিংকেই দুষলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম । আর ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি বললেন অন্য কথা , “হায়দরাবাদে যে উইকেট, এখানে আরও ভালো ব্যাটিং বাংলাদেশের কাছ থেকে তিনি প্রত্যাশা করেছিলেন। কোহলি মতে “হায়দরাবাদের এই উইকেটে ব্যাসিক ব্যাটিংটা করতে পারলেই হয়তো বাংলাদেশ টেস্টটা বাঁচাতে পারতো।”সেই চেষ্টার প্রতিফলন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে না দেখে কিছুটা হতাশ হলেও টসটা যে এই টেষ্টের জন্য বড় ফ্যাকটর সেটা তিনি অকপটে স্বীকার করে নিলেন । তৃতীয় দিন বিকেলে না হলেও চতুর্থ দিন থেকে বোলিং ক্রিজের  পাশে বোলারের বুটের স্পাইকে কিছু ক্ষত তৈরি হবে। আর তাতেই স্পিনারদের পোয়াবারো। এতে করে ভারতের অশ্বিন-জাদেজার মত স্পিনারদের মোকাবেলা করা একটু কঠিনই হবে বাংলাদেশের জন্য। আর এ সুবিধাটা আদায় করে নিতে ভারতের অধিনায়ক কোহলি বাংলাদেশ দলকে ফলওয়ানে না পাঠিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করেন।

ভারতের এমন পরিকল্পনাটা ব্যার্থ করার জন্য বাংলাদেশ দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের খেলায় যে ভূমিকা রাখার প্রয়োজন ছিল সেটা না রাখতে পারার ব্যার্থতার কারনেই ভারতের বিপক্ষে টেষ্ট জয় বা ড্র’র সম্ভাবনা অধরা রয়ে গেল । হায়দরাবাদ টেষ্টে অর্জন ভারতের মাঠে পাঁচ দিন টেষ্টটা টেনে নিয়ে যেতে পারাটা। আফসোস আর ২৫ টা ওভার টিকে থেকে টেষ্টটা ড্র করতে না পারাটা । ইতিমধ্যে আজ মঙ্গলবার  ভোর ৬ টায় হায়দ্রাবাদ থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে মুশফিক বাহিনী। সেখান থেকেই ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটা ফ্লাইটে বেলা ২টার দিকে ঢাকার পথে উড়াল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।