গোলাপী বলটা কেমন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শামীম

শুধু কলকাতা নয় সারা ভারত ও বাংলাদেশ ক্রিকেট অনুরাগীদের মধ্যে গোলাপি বল নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই। টেষ্ট ম্যাচের চেয়ে আলোচনার টেবিলে ঝড় চলছে এই গোলাপি বলের রহস্য নিয়ে।

গোলাপি বলে প্রথম টেস্ট ম্যাচ হয়েছিল ২০১৫ সালে। অ্যাডিলেডে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া খেলেছিলো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। গোলাপি বলে প্রথম শ্রেণীর প্রথম ম্যাচ ২০০০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো খেলেছিলো গায়ানার বিপক্ষে। ২০১৬ সালে ইডেন গার্ডেনে মোহনবাগান ও ভবানীপুর ক্লাবের  চার দিনের ম্যাচও হয়েছিল গোলাপি বলে। অবশ্য তার আগে ভারতের দুলীপ ট্রফিতে প্রথম ব্যবহার করা হয় গোলাপি বল। ভারতের বর্তমান টেষ্ট দলের  মোহাম্মদ শামি, চেতশ্বর পূজারা, ঋদ্ধিমান সাহাদের অভিজ্ঞতা আছে গোলাপি বলে খেলার। ২০১৩ সালে গোলাপি বলে বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণীর আসর বিসিএলের ফাইনাল ম্যাচ হলেও সেই দলের কেউ নেই বর্তমান টেস্ট দলে।

গোলাপি বলের শাইন খুব ভালো। সহজেই পুরোনো হয় না। বলটা ঝকঝকে করার জন্য বিশেষ ধাতুর স্তর বা ‘ল্যাকার’ দেওয়া হয়। বল শুকিয়ে যাওয়ার পর করা হয় পালিশ।ল্যাকারের জন্য এটা পুরনো হতে সময় নেয়। লাল বা সাদা বলের তুলনায় গোলাপি বলের স্তর মোটা। ফলে এই বলে বাড়তি সুবিধা পেসারদের জন্য থেকেই যায়।

বাড়তি স্তরের কারণে বলটা তৈরি করতে সময় লাগে ৭ থেকে ৮ দিন। গোলাপি চামড়া পাওয়া যায় না বলে গোলাপি রঙ করতে হয়। চূড়ান্ত সেলাইয়ের আগে একবার ও পরে আবার করা হয় রঙ। অতিরিক্ত রঙ থাকায় বলটা কারো কারো কাছে কমলাও দেখায়। লাল বলের তুলনায় গোলাপি বলের সেলাই অনেক মোটা, হাতে সেলাই করা হয়। গোলাপী বলে বাড়তি বাউন্স আদায় করে নিতে পারেন বোলাররা। সিম মোটা হওয়ায় ও শাইন বেশি থাকায় এই বল দিয়ে রিভার্স সুইং করানো বেশ কঠিন।  আগে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যবহৃত হয়েছিলো কোকাবুরা ডিউক বল। ওই বলে স্পিনারদের জন্য সুবিধা ছিলো কম। গোলাপি বল অনেক বেশি মুভমেন্ট করায় পেসাররা পেয়েছিলেন বেশি সুবিধা।ইডেন টেষ্টের জন্য গোলাপি বল তৈরি করেছে এসজি।

ছবিঃ গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]