চাঁদে বসছে মোবাইল নেটওয়ার্ক

মানুষের চাঁদে পা রাখার পর কেটে গেছে দীর্ঘ ৫০ বছর। চাঁদে ঘর বাঁধার ইচ্ছা মানুষের বহুদিন ধরেই। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে এই ইচ্ছা বাস্তবে পরিণতও হতে পারে। কিন্তু এখন যদি চাঁদে গিয়েও মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় তাহলে? যদি চাঁদের অচেনা জমিনে মোবাইলের মাধ্যমে কথা বলা যায়, ব্যবহার করা যায় ইন্টারনেট? শুনতে অবাক লাগলেও খুব সম্ভবত আগামী বছর থেকেই চাঁদেও ৪জি নেটওয়ার্ক চালু হতে চলেছে। ব্রিটেনের বিখ্যাত টেলিকম সংস্থা ভোডাফোন জানিয়েছে, ২০১৯–এর মধ্যেই চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক চালু করবে তারা। কিছুদিন আগে সংস্থার তরফ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে একথা জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নাসার তরফ থেকে ৫০ বছর আগে প্রথম চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ, আর সেই ৫০ বছরের পূর্তিতেই পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহটিতে বসতে চলেছে ৪জি নেটওয়ার্ক। ভোডাফোনের তরফ থেকে এই ৪জি নেটওয়ার্কটি বসানো হবে। ২০১৯–এর মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে।’ এজন্য মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা নোকিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে সংস্থাটি। এই প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে চাঁদে অভিযান চালানো হবে। পুরো অভিযান চালাতে যা খরচ হয় তার থেকে অনেক কম খরচেই এই চন্দ্রাভিযানটি হবে বলে জানা গিয়েছে। পুরো প্রজেক্টটির আনুমানিক খরচ ধরা হচ্ছে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভোডাফোন জার্মানি এবং অডি একসঙ্গে কাজটি করছে। এই ৪জি নেটওয়ার্কটি সফল ভাবে চাঁদে চালু করা গেলে ১৮০০ মেগাহার্ৎজ ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি হবে। যার সাহায্যে চাঁদ থেকে প্রথমবার লাইভ ভিডিও ফুটেজ পাঠানো সম্ভব হবে। তবে প্রাথমিকভাবে মাত্র ১১ দিনের জন্য কাজ করবে এই ব্যবস্থা। কারণ ওই সময়ের পরেই চাঁদের যে অংশে নেটওয়ার্কটি বসানো হবে, সেখানে তাপমাত্রার বিপুল পরিবর্তন হবে।তাতে করে নেটওয়ার্কের কাজ ব্যবহত হবে।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
ছবিঃ গুগল