জানি তবু ভালো আছো

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লুৎফুল হোসেন

বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের রেশ তখনও কাটেনি। ভাতভাপের পাক খাওয়া ধোঁয়ার মতো উত্তেজনা উপচে আসছে অস্থির সময়ের ফাঁক গলে। এমনই একটা সময়ে বরিশালে জন্ম। তখন বাবার কর্মস্থল বরিশাল হলেও শিকড় মিঠেখালি, মোংলা।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

ডাক্তার বাবার দশ সন্তানের একজন। অন্তর্গত ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হবেন। বাবার চেয়ে বড় ডাক্তার। বাবারও অমন ইচ্ছে ছিল কিনা জানা নেই। তবে নিশ্চিত হলে অনেক খুশি হতেন। হোক বাবা তাকে কোনোদিন বুকে জড়িয়ে ধরেননি, কাছে ডাকেননি, খোঁজ-খবর রাখেননি। তবে শাসন ছিল কড়া। মাঠে খেলতে যাওয়া পছন্দ করতেন না। বলতেন ছেলেপুলে নষ্ট হবে অমন মাঠমুখো হলে। শৈশব-কৈশোরের দিনগুলোতে এর চেয়ে বেশি বেদনার কী হতে পারে? ভিতরে যত বেদনা থাকুক, রাগ-ক্ষোভ থাকুক; মাঠমুখো তার আর হওয়া হয়নি। ডাক্তার হওয়াটাও না। সময়টা তখন উত্তাল আর বয়সটা সবে পনেরো। ঠিক যে বয়সে কৈশোরের উত্তুঙ্গ আবেগ-উত্তেজনায় উদ্বেল হয়ে ওঠে একটা ছেলে। তারুণ্যের কাছাকাছি, উদাস অভিমান তাড়িত এমন বয়সে তার দেশে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ।

সেই বায়ান্ন থেকে তুষে চাপা আগুন জমা হতে হতে, জমা হতে হতে দাবানল হবার জন্যে লাগাম ছিঁড়তে মরিয়া। দেশের আপামর মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়লো মুক্তিযুদ্ধে। পূর্বাপর বিবেচনা ছাড়া, খালি হাতে যারা যুদ্ধে গেল, আবেগ আর ভালোবাসাই ছিল তাদের প্রধান অস্ত্র। কিন্তু এই যুদ্ধটা এলোমেলো করে দিয়ে গেল অনেক মানুষকে অনেক রকম ভাবে। স্বজন হারাবার শোক ছোঁয়নি এমন পরিবারের দেখা পাওয়া ভার। কিন্তু সবচেয়ে বেশি এলোমেলো হলো আবেগতাড়িত তারুণ্য।

ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছায় ভাটা পড়লো তার। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে নিলেন বাংলা বিভাগে স্নাতকে পড়ার সিদ্ধান্ত। কবিতা লেখার নেশায় ডুবতে শুরু হওয়াটাই সম্ভবত এমন সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় প্রভাবক। কবিতা, কবি, আড্ডা; জীবনকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেবার একটা অভিযাত্রা। জন্মাবধি দেশজুড়ে নিজ ভাষা, অধিকার আর নায্য হিস্যার জন্য চলমান অস্থির উন্মাদনা তাকে গ্রাস করেছিল ভিতরে ভিতরে। লেখায় সেইসব দ্রোহ, ভালোবাসা অমন অপূর্ব সাচ্ছন্দ্যে তুলে আনার নজির কমই আছে। তীব্র খেদ, তুঙ্গ ক্ষোভ, গভীর ভালোবাসা পাশাপাশি হাত ধরাধরি করে কবিতার শরীরে তার বুনেছে অভিন্ন নকশা।

এইসব কথার প্রমাণ তার অসংখ্য কবিতা। বলতে গেলে সমস্ত লেখায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। সবচেয়ে বেশি তাড়িত করেছে আমাকে তার গ্রন্থ শিরোনামগুলো। ১৯৭৯-১৯৮২ এই চার বছরে প্রকাশিত তার দুটি কাব্যগ্রন্থের নামগুলোর কথাই যদি ভাবি! ‘উপদ্রুত উপকূলে’, ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’। উপদ্রুত উপকূল তো গোটা দেশটাই। স্বাধীন হয়েও সোনার দেশটাকে খুঁজে ফিরেছে দেশপ্রেমিক সকল মানুষ। খুঁজে ফিরেনি কি! ভিতরের কবিতাগুলোর কথাও যদি ধরি! একটা উদাহরণ তো সবার মুখস্ত। ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’। দু’বছর পরই, ১৯৮৪তে বেরুলো ‘মানুষের মানচিত্র’। ১৯৮৬ তে ‘ছোবল’। জীবনের প্রতিকৃতিই তো এইসব নাম!

এই দ্রোহ প্রেম ভালোবাসার ক্যানভাস জীবনের বিস্তারে ছড়াতে থাকলে পালটায় বীক্ষণ। ১৯৮৭ তে ‘গল্প’ তো আর কিছুই না। জীবনটা যে বাস্তবতার প্রহসনে কেবলই একটা গল্প হয়ে উঠেছে। সে কথাই তো বলেছে। ইতিমধ্যে ব্যক্তিগত টানাপোড়েন দখল করেছে তার অগণিত দিন-রাত্রির উদ্যান। ফের আকাশটাকে মুঠোয় পুরেও কেবলি ফস্কে যাবার জীবনই তো গড়ে দেয় ১৯৮৮ ‘র গ্রন্থ শিরোনাম। ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’। হয়তো কোথাও দ্রোহ, প্রতিবাদ, প্রেম, ভালোবাসার আড়ালে জমেছিলো খেদ, অনুচ্চার আহাজারি, আক্ষেপ। আর শেষে এসে সম্ভবত আপন আবিষ্কারকেই বলেছেন আবারও গ্রন্থ শিরোনামে। ‘মৌলিক মুখোশ’ (১৯৯০)। চারিদিকে মুখোশের ছড়াছড়িই তো। নয় কি! জীবনের পরও তাই প্রকাশ পায় তার ‘বিশ বিরিক্ষের বীজ’ (কাব্যনাট্য)।

ভিতরে যতই ঝড়-ঝঞ্ঝা চলুক রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ মানে যাপনের প্রতিটি ক্ষণ উচ্চকিত প্রাণখোলা হাসি। রুদ্র মানেই বন্ধুবাজি। রুদ্র মানেই আড্ডার কেন্দ্রস্থল। রুদ্র মানেই হাজারো রকম হাজারো মানুষের প্রিয়জন, প্রিয় বন্ধু। ঢাকা ছেড়ে মোংলায় চলে গেলে মেঘে ঢাকা পড়তো টিএসসি, হাকিম চত্ত্বর, বাংলা একাডেমি, বই মেলা, শাহবাগ, সাকুমনি, হাটখোলা; হয়তো সমস্ত ঢাকা। অকস্মাৎ কোনোদিন মেঘ সরে গিয়ে সূর্য উঁকি দেয়া মানেই রুদ্রের ফিরে আসা। ঢাকার আড্ডা জোয়ারের ঢেউয়ের মতোন অবিরাম তীরে আছড়ে পড়া। চারপাশের প্রতিটা প্রিয় মানুষের প্রতি তার ছিলো একটা আলাদা রকমের সাম্পর্কিক যত্ন।

ঢাকা উচ্ছল হয়ে উঠলে ভাবতাম মিঠেখালি-মোংলায় নিশ্চয় এখন মেঘ জমছে। কিন্তু সেই ভাবনার দৌড় বেশিদূর যেতে পারতো না। রুদ্রের উপস্থিতি মানেই যে ঝকঝকে রোদ্দুর। এ শহরের পানশালা প্রাণ পেতো রুদ্রকে পেলে। মিছিল বেসামাল উদ্দাম হতো রুদ্রের উচ্চারণে। মঞ্চ-শ্রোতা উচ্ছল হতো তার কবিতার উচ্চারণে। আঁধার পঁচাত্তর থেকে নব্বুইয়ের গণ আন্দোলনে রুদ্র শুধু কবিতায় নয়, মিছিলে শ্লোগানে, দ্রোহের উচ্চারণে সক্রিয় থেকেছে সকল সময়। বাম রাজনীতি তারুণ্যে তাকে রাজনীতি শিখিয়েছিলো অনেকের মতো। তবে তার প্রয়োগ রুদ্র করে গেছে একবেমাদ্বিতীয়মের মতো। কবিতাও রাজনীতির মূলধারায় ভূমিকা রেখেছিলো যে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে, তার উজ্জ্বল নক্ষত্র নির্দেশকদের সেরা একজন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।

এমনই উত্তাল সময়ে জাতীয় কবিতা পরিষদকে ঘিরে দূরের দেখা রুদ্র হয়ে উঠলো কাছে মানুষ। বড়দের আড্ডায় বেশিরভাগ সময় কাটানো আমার জন্যে টিএসসিতে রুদ্র ও তার বন্ধুদের সাথে আড্ডাটা ছিলো নেশার মতোন। মাঝে মাঝে হাকিম চত্ত্বরে, বেশিরভাগ দিন টিএসসিতে আড্ডা শুরু হয়ে এগুতো শাহবাগে। সেখান থেকে সাকুমনি। তারপরও কোনোদিন গড়াতো হাটখোলায়। স্বৈরাচারের অবরুদ্ধ সময়ও থামাতে পারেনি সে সময়ের তারুণ্যকে।

রুদ্র ঢাকায় নেই বেশ কিছুদিন। মিঠখালি গেছে তার চিংড়ির ঘেরে। ওখানে ছৈয়ের মধ্যে দিন-রাত কাটিয়ে দেয় সে টানা। বাড়িঘরও ওখানে পাশেই। যে নানাবাড়িতে কেটেছে তার শৈশবের সর্বাধিক সময়, সেটাও দাদাবাড়ির কাছেই। নানাবাড়ির স্কুলে যখন পড়া শুরু হয়, সেই আমল থেকে ওখানেও গড়ে উঠেছিল তার বিবিধ বন্ধুত্ব। যদিও বাবার সঙ্গে একটা দূরত্ব তাকে বাড়িবিমুখ করে রাখতো অধিকাংশ সময়। তবু মায়ের সঙ্গে ছিল তার গভীর যোগাযোগ। মোংলা থেকে ফিরলে নিশ্চয়ই তার কোথাও না কোথাও টান খেতো অন্তর্গত সুতায়। কিন্তু দেখে বুঝবার উপায় খুব একটা ছিলো না কখনোই।

এরকম এক বিকেলে মুহসিন হল থেকে হেঁটে যাচ্ছি টিএসসির দিকে। হাকিম ভাইয়ের চায়ের দোকানটা পার হয়ে কয়েক কদম আসতেই দেখা গেল এইদিকে মুখ করে একটা বেঞ্চিতে রুদ্র বসে আছে। তখন টিএসসির বৃত্তাকার দেয়ালের বাইরে সামনে বেঞ্চি পেতে চায়ের দোকান ছিল কয়েকটা। একদম মাঝ বরাবর ছোটো একটা অংশ দেয়ালবিহীন। তার দুপাশে দুটা দোকান ছিলো সবচেয়ে জমজমাট। এখনকার মতো এতো ভীড় ছিলোনা। গাঢ় বাদামি রঙের একটা ট্রাউজার। প্রায় ড্রেস-শু টাইপ একজোড়া স্নিকার্স। গায়ে প্যান্টের চাইতে এক-দুই শেড হালকা বাদামী একটা হাতা গুটানো ফুলশার্ট, বোতামওয়ালা দুটা বুকপকেট, কাঁধে স্ট্র‍্যাপ। হাতে প্যাঁচানো মোটা ব্রেসলেট। কাছাকাছি হতেই ইশারায় ডাকলো। সামনে আসতেই খোঁজ নিলো, কেমন আছি, কেমন ছিলাম। অন্য আরো যারা আমার মতোন হলে থাকা একই আড্ডার মানুষ, তাদের কথা জানতে চাইলো। একসময় বললো এবার গানটার সুর দিয়ে ফেলেছি।

সেবার মেলায় একদিন সবাই রুদ্রকে ঠাট্টা করছিলো, ক্ষ্যাপাচ্ছিল। কেউ একজন বললো নামটা বলেন। হা হা করে হেসে বলে উঠলো রুদ্র, আরে নামটাই তো জানা হয়নি। কিছুক্ষণ পর দেখা গেলো রুদ্র বিড়বিড় করে বলছে, আমি তার নাম জানি না, দেখলে চিনি। দেখতে দেখতে এভাবেই কোনো কোনো দিন আড্ডায় তৈরি হয়ে যেতো একটা আস্ত কবিতা কিংবা কবিতার ভিত। তেমনি একদিন রুদ্র আউড়ে যাচ্ছিলো, ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো। আজ ওটার কথাই বললো, আরও লাইন জুড়ে গেছে ওই দুলাইনের সাথে। সুরও দাঁড়িয়ে গেছে। একটু পরই একে একে আড্ডায় মানুষ বাড়তে থাকলো। আমার আর শোনা হলো না পুরোটা। শোনা হলো না সুরটা। আমি তাই আড্ডা ছেড়ে উঠছি না। সেই আড্ডা টিএসসি থেকে শাহবাগ হয়ে সাকুরায় যখন পৌঁছুলো তখন আমাদের নির্ধারিত টেবিলে অন্য কারা যেনো বসে পড়েছে। কাউন্টার আমাদের থামিয়ে বললো, একটু দাঁড়ান টেবিল খালি করে দিচ্ছি। রুদ্র মানা করলেও তারা পাত্তা দিলো না। আর এমন আড্ডায় রুদ্রের পকেটে টাকা থাকা পর্যন্ত আড্ডা চলমান। তো আড্ডা যখন থামলো মাঝরাতের কিছুটা আগে। তখন রুদ্রের স্ফীত পকেট শীর্ণ।

সবাইকে একে একে বিদায় করে এবার সে চললো হাটখোলা। আমার একটু কেমন কেমন লাগছিলো। কিন্তু এক মুড়িওয়ালাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে মুরগির ঝোল সমেত মাখিয়ে যে মুড়িটা সেদিন খেয়েছিলাম সেটাই সম্ভবত আমার খাওয়া সবচেয়ে সেরা মুড়ি। রাত যখন মধ্যবর্তী সীমানা পেরিয়ে এক ঘন্টা এগিয়েছে, তারও পর আমরা বেরুলাম। আজ সে আর আমার মুহসিন হলের রুমে যাবে না। বললো রাজাবাজার যাবে। বাসায়। আমি একটু আড়ষ্ট হয়ে পড়লাম। এর আগে আমি যাইইনি। আজ এমন সময়ে। আশ্বস্ত করে বললো, মা নেই, বড়রা কেউ নেই, শুধু ছোটো বোন আছে। একটা স্কুটার নিয়ে আমরা রওনা দিলাম হাটখোলা থেকে রাজাবাজারের দিকে। সেই তুমুল ভটভট শব্দ তোলা ওই স্কুটারের মধ্যে পাল্লা দেয়া রুদ্র উচ্চস্বরে গান ধরলো, ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’। আমি নিঃশব্দে মুগ্ধ হয়ে শুনছি। স্কুটার ভটভট করে এগিয়ে যাচ্ছে। রমনার পাশ দিয়ে শেরাটন পার হয়ে সেই সাকুরাকে বাঁয়ে ফেলে ফার্মগেটের দিকে।

রাজাবাজারে আমরা যখন পৌঁছুলাম তখন রাত দুটা। ছোট্ট দোতলা বাসার বারান্দায় বোন জিজ্ঞেস করলো, দাদা টেবিলে ভাত দেবো? রুদ্র আমার দিকে তাকাতে মানা করলাম। সন্ধ্যা থেকে পালায় পালায় মুড়ি-চানাচুর, চিকেন ফ্রাই, মুরগি ভূনা আর শেষে ফের মুড়িমাখা। সোনালি শিশির তো ঝরছিলোই। পেটে আর জায়গা কোথায়! শুধু পানির তেষ্টা ছিলো। আর দুচোখ ছাপিয়ে ক্লান্তি। অপেক্ষায় দরোজায় দাঁড়ানো ঘুম।

তখনও কি জানতাম! আকাশের ঠিকানায় বাড়িবদল হবে তার আতো তাড়াতাড়ি! দেখতে দেখতে স্বৈরাচারের পতন ঘটলো। শহরে নতুন বাতি লাগলো। মঞ্চে মঞ্চে কবিতা পড়ার জন্য মাইকের দিকে ভীড় করবার লোক বাড়তে থাকলো। দর্শনীর বিনিময়ে কবিতা পড়ার মতো উদ্দীপ্ত, হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়া কবিদের আমরা খুঁজতে শুরু করলাম, খুঁজতে থাকলাম। জীবন গোছাতে ব্যস্ত আমার সঙ্গে শেষদিকে রুদ্রের দেখাসাক্ষাৎ কমে গেলো অনেক। আর আমি টেরই পেলাম না আড্ডার অমন প্রাণপুরুষকে এক জীবনের জন্য হারাতে যাচ্ছি এভাবে অকস্মাৎ! আজ যতবার রুদ্রের গান শুনি বাজছে কোথাও। যতবার কাউকে দেখি রুদ্রের কবিতা পড়ছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করছে, তার ভিতর থেকে হয়তো উঠে আসে স্মৃতির পুরোনো অর্কিড। আমার ইচ্ছে হয়না বইয়ের পাতা উলটে দেখি কোনটার নীচে লেখা মিঠেখালি মোংলা, কোনটায় পশ্চিম রাজাবাজার, কোনটায় ৪০২ মুহসিন হল। ইচ্ছে হয়না আবার পড়ে দেখি ‘মিছিলে নতুন মুখ’ কবিতার লাইনে সে আমাকে নিয়ে কি লিখেছিলো। ওসব করতে গেলেই প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর মতো আমার বুক ভেঙে আসতে থাকে ব্যাথায়। ব্যাথা কি তবু আমার কিছুটা ভালো লাগে! ওইখানে রুদ্রের স্মৃতি থেকে থেকে পত্রপল্লব মেলে!

লুৎফুল হোসেন
ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]