ট্র্যাজিক হিরো সাকিব

আহসান শামীম

এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ব্যাট হাতে, ৮৬.৫৭ গড়ে ৬০৬ রান।সেঞ্চুরি দুটি, বাকি ৬ ইনিংসের পাঁচ হাফ সেঞ্চুরি। এক ম্যাচেই শুধু ৪১ রান। স্ট্রাইকরেট ৯৬.০৩।বল হাতে, ১১ উইকেট।এমন নজরকাড়া পারফর্মেন্সের পরও সাকিব আল হাসান দলীয় সতীর্থদের  আনুকুল্য না পাওয়ায়, বাংলাদেশের সেমির স্বপ্ন শুধু ভেস্তেই যায়নি,  দশ দলের বিশ্বকাপে দলগত পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের জায়গা জুটেছে অষ্টম স্থানে।

শেষ ম্যাচেও জয় পেলে পয়েন্ট টেবিলে ৫ম স্থানটা লাভ করতো বাংলাদেশ। তাই এমন গৌরবময় পারফর্মেন্সেনের পরও সাকিবকে ভারতের আনন্দবাজার প্রত্রিকা অখ্যায়িত করেছে ‘ট্র্যাজিক হিরো’ হিসাবে। ক্রিকেটে এমন ট্র্যাজিক নায়ক শুধু সাকিবই নন। এই তালিকায় আছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার, অস্ট্রেলিয়ার মার্ক ওয়াহ ও দক্ষিণ আফ্রিকান ল্যান্স ক্লুজনারও।

২০০৩ সালের বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে ৬৭৩ রান করেছিলেন শচীন। বিশ্বকাপে যা তখন ছিল  সর্বোচ্চ রান তোলার রেকর্ড। সেই বিশ্বকাপে শচীনের দুর্দান্ত ব্যাটিং ভারতকে সেমিফাইনালে নিয়ে গিয়েছিল।যদিও সেই বিশ্বকাপ জেতা হয়নি ভারতের।

১৯৯৬ সালে ৪৮৪ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন মার্ক ওয়াহ।তারপরও অজিদের শিরোপা জেতাতে পারেননি মার্ক ওয়াহ।১৯৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন ল্যান্স ক্লুজনার। বল হাতে ১৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ১২২.২ স্ট্রাইক রেটে করেন ২৩০ রান। ল্যান্স ক্লুজনারের এমন গৌরবজ্বল পারফর্মেন্সের পরও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি প্রোটিয়ারা।