তারা আছেন #MeToo‘র সঙ্গে

#MeToo নিয়ে হলিউডের পরে এখন তোলপাড় চলছে বলিউডে। অভিনেতা নানা পাটেকার, পরিচালক সাজিদ থেকে ফেঁসে গেছেন অনেকেই। আর এরই মাঝে বলিউডের মহিলা পরিচালকরা জানিয়ে দিয়েছেন, #MeToo তালিকায় যাদের নাম উঠেছে তাদের সঙ্গে তারা আর কাজ করবেন না। এই প্রমীলা বাহিনীর মধ্যে রয়েছেন কঙ্কণা সেনশর্মা, জোয়া আখতার, নন্দিতা দাস, মেঘনা গুলজার, গৌরী শিন্ডে, কিরণ রাও, রিমা কাগতি, অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব, নিত্যা মেহরা, রুচি নারায়ণ এবং সোনালি বোসের মতো প্রখ্যাত সব পরিচালক। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, ‘পরিচালক হিসাবে এবং সর্বোপরি নারী হিসাবে আমরা #MeToo-কে সমর্থন করছি। যে সব মহিলা এগিয়ে এসে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা এই মঞ্চে সততার সঙ্গে জানিয়েছেন, আমরা তাঁদের সাহসকে কুর্নিশ জানাই। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যাদের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করবো না। ইন্ডাস্ট্রির বাকি সকলকেও আমরা একই পথ অনুসরণ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

#MeToo আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতী শ্যানন। কৃতী ‘হাউসফুল ৪’ ছবির অভিনেত্রী, যে ছবির দুই কুশীলব-অভিনেতা নানা পাটেকর এবং পরিচালক সাজিদ খান যৌন হেনস্তার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। কৃতীর বক্তব্য,‘আমি সেই সব মেয়েকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা সাহস করে এই নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার সাহস দেখিয়েছেন। কিন্তু আমাদের এই আন্দোলনকে দায়িত্বপূর্ণভাবে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এর যেন অপব্যবহার না হয়।’

সাজিদের স্থানে ছবিতে এসেছেন ফারহাদ সামজি। নানার স্থানে আসতে পারেন অনিল কাপুর বা সঞ্জয় দত্ত। অভিনেতা সাইফ আলি খান এই নারী পরিচালকদের বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘যৌন হেনস্তা হয়নি আমার সঙ্গে, কিন্তু কেরিয়ারে ২৫ বছর আগে আমিও হেনস্তার শিকার হয়েছিলাম। এখনও ভাবলে রাগ হয়। ব্যক্তিগতভাবে এমন পরিবেশকে আমি ঘৃণা করি, যেখানে মেয়েদের সম্মান দেওয়া হয় না বা তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়।’

বিনোদন ডেস্ক

তথ্যসুত্র ও ছবিঃ সংবাদ প্রতিদিন, কলকাতা