তারুন্য নির্ভর দল নিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছে মাশরাফি বাহিনী

আহসান শামীম

নিজেদের মাটিতে ২০০৫ সালের পরে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ দল। ২০০৫ থেকে ৯ ওয়ানডের সব ম্যাচই জিতেছে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে ।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ে দল এখন পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ১৫ বার। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে জিতেছে মোট ছয়বার আর বাংলাদেশ জিতেছে মোট নয়টাতে।এমন এক পরিসংখ্যান সামনে রেখে রবিবার সাকিব, তামিম ছাড়াই তারুন্য নির্ভর দল নিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছে মাশরাফি বাহিনী। দলে নেই  সৌম্য কিন্তু তাঁর হার না মানা ১০২ রানে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৮ উইকেটে।তারপরও বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়েকেই ফেভারিট বলছেন মাসাকাদজা।

বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং বিভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র মেহেদি হাসান মিরাজকে প্রথমবারের মতো মোকাবেলা করতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। মিরাজের মুখোমুখি হতে কিছুটা ভীতির মাঝে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। “আপনি যখন উপমহাদেশে খেলবেন তখন অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেখানে স্পিন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। আমরা এর জন্য প্রস্তুত হয়েছি।বিষয়টা আমাদের ব্যাক অফ মাইন্ডে আছে।আমরা আসলে মেহেদির বিপক্ষে বেশ কমই খেলেছি। আমরা তাঁর বোলিং অনেকবার দেখেছি। “আমরা অবশ্যই জানি তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা কতটুকু থাকতে পারে। মূল বিষয় হল ইতিবাচক থাকা আর আমাদের নিজেদের প্রতি আস্থা রাখা। আমাদের স্পিন নিয়েও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা সেখান থেকেই সামনে এগিয়ে যেতে পারব,” ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো জানালেন মাসাকাদজা।

জিম্বাবুয়ের অধিনায়কের কথার জবাবে বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফির সোজাসাপ্টা বক্তব্য, বাংলাদেশ স্পিন নির্ভর দল না,আমাদের পেসারাও ওদের জন্য ভয়ংকর অস্ত্র।জয়ের কোন বিকল্প নিয়ে মাশরাফির ভাবছেন না। মাশরাফি মনে করেন , “জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করছে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরাজয়টা কেউ মেনে নেবে না।” জয় দিয়েই দীর্ঘদিন পর দেশের মাটিতে সিরিজ শুরু করতে চান মাশরাফি।যদিও মাশরাফির ভয় মিরপুরের উইকেট, অনেকটাই আনপ্রেডিক্টেবল।মিরপুর উইকেটে প্রথমে ব্যাট করলে ২৫০-২৬০ রানের টার্গেটাই জয়ের জন্য বিশাল স্কোর বলে মনে করেন অধিনায়ক মাশরাফি।কোন অবস্থাতেই জিম্বাবুয়েকে হাল্কা করে দেখছেন না তিনি।

ছবিঃ গুগল