দাও, তুমি আমাকে সমস্ত কিছু দাও

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল

এক.

অরুনিমা চোখ খুলেই দেখলো সামনে অনিমেষ দাঁড়ানো। সে একটা ঘোরের মধ্যে নিজেকে সমর্পণ করে ভাবতে লাগলো তা কি করে সম্ভব। এই সম্ভব শব্দটা তার ভিতর থেকে গত দিনগুলির সমস্ত বেদনার কণাকে
এখন যেন গ্রাস করে নিতে চায় নিমেষেই। অরুনিমা কিছু একটা বলতে চাইলো। বুকের ভিতর জমানো বিষন্ন-বিষাদের স্তর ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে সে কিছু বলতে চাইলো। কিন্তু কি বলবে তার জানা নেই। হারানো কথা হারানো দিনের গানের মতো মগজের প্রতিটা কোষে খেলা করছে পাকা খেলোয়াড়ের উচ্ছাস নিয়ে। তবুতো তাকে কিছু বলতে হবে। এরকম অবস্থায় কিছু বলতে হয়। পৃথিবীর তাবৎ নারীরা এমন সঙ্কটময় সময়ে কিছু না কিছু বলে। কিন্তু সে কি বলবে? বলবে কি এতদিন কোথায় ছিলে? কোন রাজ্য জয় করে এসেছ? অথচ অরুনিমা কিছু বলতে পারছে না। মনে হলো, এরকম অবস্থায় তারমত মেয়েরা কিছু বলতে পারে না। কস্মিনকালেও বলতে পারেনি। তবুও সে হাসলো। এই হাসি দেখার জন্য কতদিন অনিমেষ তাকে হাসির গল্প বলে বলে হাসাতে চেয়েছে। অরুনিমা কখনও স্বতস্ফূর্ত ভাবে হেসেছে, কখনও হাসতে ইচ্ছে না হলেও অনিমেষের মন রক্ষার জন্য হেসেছে।
এখন অনেক বেলা হবে। বাতাসে স্নিগ্ধ শরতের গন্ধ। বাতাসে শিউলির গন্ধ। ঘরেতে নব অভিমানের গন্ধ। আর কয়েকদিন পর দুর্গাপূজা। এবার পূজার আনন্দ তার কাছে আরও মুখরিত হতো যদি অনিমেষ তাকে রাস্তার বেশ্যার সঙ্গে তুলনা না করতো। তার রাগ বেশি। রাগ উঠলে অনিমেষের মুখে কিছুই আটকায় না। যা ইচ্ছে তা-ই বলে। এক সময় আগুন রাঙা রাগ বর্ষার জলে পরিণত হয়। সব ভুলে যায়। দেখলে বোঝাই যাবে না একটু আগে সে ছিলো অগ্নিশর্মা। অরুনিমা কতদিন কতবার অনিমেষকে ক্ষমা করে দিয়েছে। তবে সবকিছুরই একটা সীমা আছে। কত সহ্য করা যায়। অনিমেষের উৎপাত অনেক সহ্য করেছে। মাঝে মধ্যে মনে হয়ছে যাকে ভালবাসে সে কি মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্থ। তারপরেও অরুনিমা ভুলে যেতে চেয়েছে রাগ-অনুরাগের সব বেদনা।
অনিমেষ হাসলো। বড়কাতর দেখাচ্ছে তার মুখটা। ওর হাসির মাঝে শরতের উষ্ণ নিশ্বাসের ছোঁয়া নেই। সেখানে শীতের পাতাঝরা বেদনার গান গুণ গুণ করছে। হয়তো কিছু বলবে। কি বলতে পারে আর! তারতো বলার কিছু থাকতে পারে না। অনিমেষ আবার হাসলো। অরুনিমা কিছুই বললো না। শেষে নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে অনিমেষই বললো তুমিতো এত বেলা করে ঘুম থেকে উঠোনা। কাল রাতে ঘুমাওনি বুঝি।
অরুনিমা চারিদিকটা দেখলো। বাইরে আশ্বিনের উত্তপ্ত রোদের খেলা। খোলা জানালা দিয়ে সীমাহীন নীলাভ আকাশটা দেখা যাচ্ছে। সেখানে ছিঁটেফোঁটা সাদা মেঘের আসা-যাওয়া। সুনীল আকাশে সোনালী চিলের উড়াউড়ি। সবকিছু মিলিয়ে আকাশে ভালবাসার অনিন্দ সুন্দরের অপরূপ মেলা বসেছে।
অরুনিমা অনিমেষের চোখে চোখ রেখে বললো, বেশ্যারা রাতে ঘুমায় না। তুমিতো বলেছ একটা বেশ্যার যে মূল্যবোধ আছে আমার মধ্যে সেটাও নেই। বল বলনি?
অনিমেষ অরুনিমার কথা শুনে তার কাছে এসে নিবিড় হয়ে বসার চেষ্টা করলো। অরুনিমা একটু সরে বসে বলে, আমার কাছে এসো না। তোমার মন ও শরীর অপবিত্র হয়ে যাবে।
-এবার অনিমেষ হাত জোর করে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি করে বলে, আমাকে ক্ষমা কর। রাগ উঠলে আমার কিছুই মনে থাকে না। আমি তখন চঞ্চল হয়ে যাই। মুখে যা আসে তা-ই বলি।
-এই নিয়ে তুমি আমার কাছে কতবার ক্ষমা চাইলে বলতে পার। তুমি কি ভাব একটার পর একটা অপরাধ করে যাবে, আমি শুধু তোমার সব দোষ ক্ষমা করে দেব।
-তুমিতো তা-ই কর। আমার সব রাগ-অনুরাগ তোমার কাছে। তুমি ছাড়া আমাকে কে বুঝবে বলো।
-তোমার এত আত্মবিশ্বাস আসে কোথা থেকে?
আমি কি করে বলি বলো। তোমাকে বেশি ভালবাসি বলেই হয়তো এতটা আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাই নিজের মধ্যে।
অরুনিমা এবার কথা ঘুরাতে চাইলো। বললো তুমি আসলে কি করে। তোমাকে কেউ দেখেনি।
অনিমেষ বুঝল অরুনিমা কথা ঘুরাতে চায়। তারপরেও অপরাধীর মত বলে, তোমাদের বাসার সর্বত্র আমার অবাধ যাওয়া-আসা। কেউতো আমাকে কখনও কিছু বলেনি। বাঁধাও দেয়নি। আজ তুমি এ কথা তুলছো কেন?
যদি বলো চলে যাই। তুমি না ডাকলে আর ফিরবো না। কোনদিন ফিরবো না। অরুনিমা অনিমেষের মুখের দিকে তাকালো। দেখলোসেখানে অপরাধবোধ খেলা করছে। এবার সে নিজের মধ্যেই অনুভব করলো, অনিমেষের জন্য তার হৃদয়ে বিন্দু মাত্র জায়গা নেই। সে সহজ ভাবে বললো তুমি যাও। কোনদিন আসবে না। আসলে আমাদের শিকলে বাঁধা বাঘা কুকুরটা তোমাকে তাড়া করবে। মনে রেখ।
অরুনিমার কথাটার পিঠে কিছু না বলে অনিমেষ শক্ত হাসিতে ফেটে পড়ে। তারপর ভুবন কাঁপানো হাসি থামিয়ে উচ্ছল মুখ নিয়ে বলে, আচ্ছা আমি যাচ্ছি। তোমাকে ধন্যবাদ। সমস্ত বন্ধন থেকে তুমি আমাকে মুক্তি দিলে। অরুনিমা অনিমেষের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো। তার চলে যাওয়ার মধ্যে কোন দীর্ঘশ্বাস নেই। ক্লান্ত বিকেলের কোন বেদনাময় পাখির বেদনার নিশ্বাস নেই।
তারপর অনেকদিন, অনেক মাস, কয়েক বছর কাটলো। অনিমেষের কোন খবর নেই। বন্ধুরা বলে অনিমেষ কোন আশ্রমে চলে গেছে। অরুনিমা তার বন্ধুদের কথা বিশ্বাস করেনি। এসব কথা বিশ্বাস করার মতো নয়। অনিমেষের মতো ছেলে তার বিরহে আশ্রমবাসী হবে অন্য সবাই বিশ্বাস করলেও সে বিশ্বাস করে না। অনিমেষ চরম ভোগবাদী ছেলে। ওর ঠিকানা কোন মঠ কিংবা আশ্রম হতে পারে না। অথচ অনিমেষের পরিবারের লোকজন খুব নির্ভিক, নির্বিকার। এই যে তার কোন খোঁজ-খবর নেই, এ ব্যাপারে তাদের মাথাব্যাথা আছে বলে মনে হয় না।
পুলক বলেছিল, দাদা কোথায় জানি চলে গেছে রাগ করে। কিছুদিন ফোন করে খবর নিত। এখন কোন যোগাযোগ নেই। আমরা থানায় ডায়েরীও করেছিলাম। থানার লোকেরা বলেছে আপনার ভাই সাধু হয়ে গেছে। আপনারা ভাগ্যবান। আপনাদের চৌদ্দ পুরুষ এখন উদ্ধার হয়ে যাবে। এভাবে দিন চলতে চলতে একদিন অঘ্রানের শুভ লগ্নে অরুনিমার বিয়ে হয়ে যায় বড় এক সিভিল এডভোকেটের সঙ্গে।
দেখতে দেখতে প্রায় সাত বছর চলে যায়। অরুনিমা দুই সন্তানের জন্ম দিয়ে মাতৃত্বের অমিত আনন্দের ছোঁয়ায় তার অতীতকে একেবারেই ভুলে গেলো। কেবল সংসার নিয়ে সব ভাবনা। প্রতিদিনের যাপিত জীবনে শুধুই আনন্দ। শুধুই ভালবাসা।
অরুনিমার স্বামী সন্দীপন দত্ত একজন ধর্মভীরু মানুষ। তাদের বাড়িতে সকল সময় পূজা-পার্বন লেগেই থাকে। তিনি চান বাড়ির অন্য সবাই তার মতো ধর্মভীরু হউক। সেই ভোরবেলা শয্যা ত্যাগ করে স্নান সেরে ঈশ্বর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। সন্দীপন দত্ত যখন আদালতের কাজকর্ম নিয়ে থাকেন তখন একরকম মানুষ, আবার আদালতের বাইরে সংসার জীবনে অন্যরকম ব্যক্তিত্ব নিয়ে চলেন। তখন তাকে মনে হয় না তিনি খুব বড় একজন আইনজীবী। ঘর-সংসারে তার কথাবার্তা প্রাণখোলা উল্লাসের মতো। সেখানে রসিকতা আছে। মানুষ বলে ঊনার ভিতরে রসের ফল্গু ধারা অবিরাম বয়ে চলে। যে তার খোঁজ পায় সে-ই রসের আস্বাদন করতে পারে। সন্দীপন দত্তের রসের ধারায় সিক্ত হতে পেরে তার ফেলে আসা দিনগুলি নিমিষেই ভুলে যেতে পেরেছে অরুনিমা। সে এখন একজন সুখী মানুষ।

সন্দীপন দত্ত মনস্থির করেছেন এবার তিনি কোন মহাপুরুষের কাছ থেকে দীক্ষা মন্ত্র নিয়ে দীক্ষিত হবেন। শাক্তমতে ধর্মীয় আচার-আচরণ পালন করেন। ি শুনেছেন এক শাক্ত মহাপুরুষ শহরে আসছেন। ঠিক করলেন তার কাছ থেকে শাক্ত মন্ত্রে দীক্ষিত হবেন। কথাটা তিনি স্ত্রীকেও বলেছেন। তার ইচ্ছা স্ত্রীও তার সঙ্গে শাক্তমন্ত্রে দীক্ষিত হউক। অরুনিমা তাতে কোন আপত্তি করেনি। সে বলেছে তোমার ইচ্ছাই আমার ইচ্ছা। তোমার মতই আমার মত। আমি কি কখনও তোমার অবাধ্য হয়েছি। সন্দীপন দত্ত দেখলেন অরুনিমা কথাগুলো বাধ্য স্ত্রীর মতো বলছে। তার নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছার সে মূল্যায়ণ করছে না। তিনি জানেন জোর করে কাউকে কারও কাছে দীক্ষিত করতে নেই। তাতে ফল ভাল হয় না।
আজ সন্দীপন দত্ত ও তার স্ত্রী অরুনিমা দত্ত দীক্ষা নেবেন, স্বামী অমিয়ানন্দের কাছ থেকে। মহারাজ উঠেছেন অরুন ধরের বাড়িতে। সেখানে অনেক লোক জড়ো হয়েছে। কেউ এসেছেন দীক্ষা নেবার আশায়। কিছু মানুষ জড়ো হয়েছে স্বামী অমিয়ানন্দকে এক নজর দেখার অভিলাষে। একটি বড় ঘরে ব্যবস্থা করা হয়েছে দীক্ষা মন্ত্র নেবার স্থান। সেখানে স্বামী অমিয়ানন্দ ও সঙ্গী লোকজন ধ্যানমগ্ন। একটু পরেই একজন একজন করে ডাক পড়বে। সারা বাড়িতে আগরবাতি ও ধূপের গন্ধে একাকার। বাচ্চা ছেলেমেয়েরা ছুটাছুটি করছে তাদের নিষ্পাপ আনন্দে। অরুন ধরের বাড়িটা পবিত্রতায় বিভোর হয়ে আছে।
শঙ্কধ্বনি বাজানোর মাধ্যমে দীক্ষামন্ত্র নেয়া শুরু হয়েছে। একে একে অনেকজন দীক্ষামন্ত্রে দীক্ষিত হলেন। সন্দীপন দত্ত, চারু রায়, অশোক পাল, নীরেন সিংহ সবাই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে যেন নতুন জীবন লাভ করলেন। অনেক অবিবাহিত কম বয়সী মেয়েরাও দীক্ষিত হলো। আবার মধ্যবয়সী মহিলারাও মন্ত্র নিলেন মহারাজের কাছ থেকে। শেষে ডাক পড়লো অরুনিমা দত্তের। অরুনিমা ঘরে প্রবেশ করতেই সমস্ত কিছু যেন ওলট-পালট হয়ে গেলো। তার কাছে পৃথিবীর সবকিছু ঘর, সংসার, স্বামী, সন্তানকে এখন অর্থহীন লাগছে। মনে হল আশেপাশে কেউ নেই। সে একা। চরম এক শূন্যতার মধ্যে বাস করছে। মেঝেতে আসন পেতে যিনি বসে আছেন তিনি মহারাজ অমিয়ানন্দ নন। সে তার অচেনাও কেউ নয়। চোখ বন্ধ করে গেরুয়া বসনে আচ্ছাদিত হয়ে যে বসে আছে, সে তার অনেক দিনের চেনা। সে আর কেউ নয়। সে অনিমেষ। এখনও তার অনেক চিহ্ন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে লুকায়িত অবস্থায় জেগে আছে।
অরুনিমা ভাবনার গভীরে ডুব দিলো। কূল-কিনারা পাচ্ছে না। তবে কি অনিমেষকে ভুলেনি সে। অরুনিমার মাথা কেবলই ঘুরতে থাকে। কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। কে একজন তাকে যেন বলছে। মা-কি অসুস্থতা বোধ করছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে মন্ত্র নেয়া যায় না। আরেকজন বলে উঠলেন ঊনার হয়তো এখনও সময় হয়নি দীক্ষা মন্ত্র নেবার। তালিকার পরের জনকে কি ডাকবো। কথাটা শুনেই অরুনিমা যেন বাস্তবে ফিরলো। সে কাতর স্বরে উচ্চারণ করলো, কে বলছে আমার সময় হয়নি। ওই যে আমার সামনে বসে আছেন পবিত্র দেবকান্তি মহাপুরুষ ঊনিইতো আমার সমস্ত জীবনের উদ্ধার কর্তা। কথাটা বলেই অরুনিমা অমিয়ানন্দের পায়ের কাছে গিয়ে আঁচড়ে পড়ে বলতে লাগলো, দাও তুমি আমাকে সমস্ত কিছু দাও। তুমি কে তোমাকে আমি চিনেছি। জীবনের আষ্টে-পৃষ্ঠে তুমি জড়িয়ে আছো। দাও আমাকে দীক্ষা দাও।
অমিয়ানন্দ চোখ খুললেন। গন্ধবিধূর চারপাশটা দেখলেন। ঘরময় আনন্দ ধারা বয়ে যাচ্ছে। ঊনি দেখলেন তার চারপাশে তার সাঙ্গপাঙ্গরা বসে আছে। তার সামনে যে নারী পড়ে আছে তাকে তিনি চিনেন। ভাবলেন তার শিষ্যরা কখনও জানবে না তার পায়ের নিচে যে সুগন্ধি রমনী পড়ে আছে সে-ই নারীই তাকে অনিমেষ থেকে অমিয়ানন্দ জীবনের সন্ধান দিয়েছে। অনিমেষ নয়, স্বামী অমিয়ানন্দ ভাবলেন আজ যদি অরুনিমাকে দীক্ষামন্ত্রে দীক্ষিত করেন, তাহলে তার সমস্ত অর্জন মিথ্যে হয়ে যাবে। স্ফলনও হতে পারে। তিনি বন্ধন মুক্তির জন্য অনিমেষ থেকে অমিয়ানন্দ মহারাজ হয়েছেন। সেই মুক্তির স্বাদ আবার বন্ধনের জালে জড়িয়ে পড়বে। তিনি মনস্থ করলেন অরুনিমাকে তার শিষ্য করে বন্ধনহীন জীবনটাকে কঠিন বন্ধনে জড়িয়ে প- করে দেবেন না। কেননা তিনি অমিয়ানন্দকে ভালবাসেন। অমিয়ানন্দ অনিমেষকে অনেক দূরের নক্ষত্রের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।


প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না, তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]


Facebook Comments Box