দুই শক্তির মহা লড়াই আজ

আহসান শামীমঃ সেমিফাইনালে যাবার লড়াইয়ে দুই ইউরোপিয়ান ফুটবল শক্তি ইংল্যান্ড আর সুইডেনের ম্যাচ আজ।  এখন পর্যন্ত এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২৪ বার।ইংল্যান্ড জয় পেয়েছে ৮টি আর সুইডেন ৭।বাকী ৯ ম্যাচ শেষ হয়েছে অমিমাংসিত ভাবে।বিশ্বকাপের মঞ্চে এর আগে দুইবার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল।২০০২ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে দু’দলের ম্যাচটা শেষ হয় ১-১ গোলের, এরই ৪ বছর পর ২০০৬ বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয় এই দুই দল।

সুইডেনের বর্তমান দলটাকে বলা হচ্ছে দেশটার ফুটবল ইতিহাসের সোনালী প্রজন্ম। বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস আর প্লে অফে ইতালি বাধা টপকে মূল পর্বে জায়গা করে নেয় সুইডেন।তারপরও বিশ্বকাপে সুইডেনকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা প্রথম দিকে তেমন ছিল না বললেই চলে।

দলের মূলশক্তি তাদের ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগ আর পজিশন ভিত্তিক নিঁখুত গেম প্লে।রাশিয়া বিশ্বকাপের টপ ফেভারিটদের তালিকায় হঠাৎ করেই চলে আসে সুইডেনের নাম।ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সুইডেনের জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন বেশিভাগ ফুটবল

রাশিয়া বিশ্বকাপ সবচেয়ে বেশি ৬ গোল করেছেন ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার হ্যারি কেইন। গোল্ডেন বুটের তালিকায় তাঁর নাম সবার উপরে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে মেসি, রোনালদো, নেইমারকে নিয়ে আলোচনা হলেও হ্যারি কেইন ছিল সবার অজ্ঞাতে।ইংল্যান্ড দলটা এখন হ্যারি কেইনকে নিয়েই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। ইতিহাস গড়ে টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এবার তারা মুখোমুখি হবে আসরের সবচেয়ে চমক জাগানো দল সুইডেনের।সু্‌ইডেনকে হারানো কঠিন হবে বলেই মনে করেন সাবেক ইংল্যান্ড কোচ গোরান ইরেকসন।

তবে ইংল্যান্ডের মূল শক্তি তাদের টিম কম্বিনেশন। এই দলের প্রতিটা সদস্যই  ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকেন। ফলে দলের প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সামর্থ্য আর শক্তির দিক সম্পর্কে অবগত।রাউন্ড অফ সিক্সটিনে কলম্বিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত আর অতিরিক্ত সময়ে খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকায় টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের জয়ে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌছায় ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

ছবিঃ ফিফা