দেখা যাবে বিরল ধূমকেতু

osetta-jan-22-2015-exlarge-169ধূমকেতু হচ্ছে সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা এক ধরণের লেজ বিশিষ্ট বস্তু, যা শূন্য থেকে হঠাৎ উদয় হয়ে আবার রহস্যজনকভাবে শূন্যেই মিলিয়ে যায়। সৌরজগতের অন্যান্য বস্তুর মত এরা পাথর দিয়ে তৈরি নয়, বরং এরা মহাকাশে মজুত ধুলিকণা, গ্যাস ও বরফ দিয়ে তৈরি। তবে বরফের সঙ্গে কিছু পরিমাণে মিথেন, অ্যামোনিয়া, ও কার্বন ডাইঅক্সাইডও মিশ্রিত থাকে। সচরাচর এরা কয়েক কিলোমিটারের চেয়ে বেশি বড় হয় না। পৃথিবীর আকাশে খুব শীঘ্রই দেখা যেতে চলেছে এক বিরল ধূমকেতু।  আর এই ধূমকেতু দেখা যাবে দূরবীনের সাহায্যে। নাসার বিজ্ঞানীরা এমনটাই দাবী করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন এই সপ্তাহেই কেবলমাত্র দূরবীনের মাধ্যমেই পৃথিবী থেকে দেখা যেতে চলেছে C/2016 U1 NEOWISE নামের এই ধূমকেতু। পৃথিবীর আকাশে এই ধূমকেতুটিকে প্রথম বারের জন্য দেখা যাবে। তবে এই ধূমকেতুর উজ্জ্বলতা কম হয় বলে পৃথিবী থেকে এটিকে কতটা স্পষ্টভাবে দেখা যাবে না বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। প্রতিদিন এই ধূমকেতুটি উত্তর গোলার্ধ থেকে ক্রমশ দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এই ধূমকেতুর ফলে পৃথিবীর উপর কোনও কুপ্রভাব পড়বে না। ধূমকেতু যেদিকেই যাক না কেন এর লেজটা কিন্তু সব সময় সূর্যের উল্টো দিকেই থাকে যার কারণে অনেক সময় দেখা যায় যে ধূমকেতু যেদিকে যাচ্ছে, লেজটা তার পেছনে না থেকে বরং তার সামনে সামনে চলছে।
অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর সঙ্গে কোনো এক পানিবাহী ধূমকেতুর সংঘর্ষেই মূলত পৃথিবীতে প্রথম পানির আবির্ভাব ঘটে। হয়তো সেখানে প্রাণের কণাও ছিলো, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রাণ বিকশিত হয় ।

তথ্য ও ছবিঃ  ইন্টারনেট