নকশাল আন্দোলন ৫২ বছরের আগুনে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আবদুল্লাহ আল মোহন

ইতিহাসের পাতা থেকে ভারতের নকশালবাড়ির আন্দোলন মুছে যায়নি। কৃষকদের সেই আগ্নেয় উত্থান চিরকালের জন্য অন্য কালিতে লেখা হয়ে গেছে মানুষের উঠে দাঁড়ানোর গল্প।জমির লড়াইয়ে কৃষকরা হাত বাড়িয়েছিলো বন্দুকের দিকে যা ভারতের বুকে নামিয়ে এনেছিলো বসন্তের ঝড়।

চারু মজুমদার

ঐতিহাসিক নকশালবাড়ি আন্দোলনের ৫২ বছর অতিক্রম করেছে। ১৯৬৭ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের কাছে নকশালবাড়ির একটি গ্রামে পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছিলেন দু’টি শিশু-সহ মোট এগারোজন মানুষ।  পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ি একটি থানা। নেপাল সীমান্ত লাগোয়া এই থানার নকশালবাড়ি অঞ্চলের একটি এলাকা নিয়ে সেদিন গড়ে উঠেছিলো এই নকশালবাড়ি আন্দোলন। দার্জিলিং জেলার ওই ব্লকে জোতদার-পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন গরিব কৃষক ও আদিবাসীরা।

সেই ঘটনা থেকে যে সশস্ত্র কৃষক আন্দোলনের সূচনা, তাতে অচিরেই যোগ দেন হাজার হাজার তরুণ- নকশালবাড়ির গন্ডী ছাড়িয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে ভারতের নানা প্রান্তে। নকশালবাড়ি আন্দোলন বছরকয়েকের মধ্যে স্তিমিত হয়ে এলেও অনেকেই মনে করেন আজ একান্ন বছর পরেও সেই আন্দোলনের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে যায়নি। ১৯৬৭ সালের ২৪ মে যে আন্দোলনে গর্জে উঠেছিলো পশ্চিমবঙ্গে, সেই নকশালবাড়ি এখনো ইতিহাসের পথ বেয়ে জেগে আছে। মুছে যাননি কানু সান্যাল বা জঙ্গল সাঁওতালরা। আজও তাঁরা আছেন ইতিহাসের পাতায়, ইতিহাস হয়ে। নকশালবাড়ির এই আন্দোলন নিয়ে বিতর্ক আছে, ছিলো। বিতর্ক আছে এই আন্দোলনের পথ নিয়েও।

সরকার ও রাজনীতির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে উপমহাদেশের নানান আন্দোলন-সংগ্রামের পাঠ নিতে গিয়ে জানতে পারি, নকশালবাড়ি আন্দোলন উপমহাদেশের আদিবাসী-কৃষকের আন্দোলনকে ইতিহাসে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে, সাব-অল্টার্ন হিস্ট্রিওগ্রাফিকে নতুন করে তৈরি করেছে এবং আজও করছে শিলিগুড়ির কাছে এই ছোট্ট গ্রামটি। গবেষকরা সবাই তা মানেন প্রায় একবাক্যে। চারু মজুমদার-কানু সান্যাল-জঙ্গল সাঁওতালদের নেতৃত্বে সেদিনের নকশালবাড়ি আন্দোলন মোটেই ব্যর্থ হয়নি বলেই তার দাবি, কিন্তু নেতৃত্বের দুর্বলতাই যে আসলে সেই আন্দোলনকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেনি – তা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই নকশাল আন্দোলনে অংশ নেওয়া ও রাষ্ট্রের জেলে চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া জয়া মিত্র’র। ‘ভারতে বেশির ভাগ গ্রামভিত্তিক আন্দোলনের যে পরিণতি হয়, নকশালবাড়িও তার ব্যতিক্রম ছিলো না। মানে আমি বলতে চাইছি আন্দোলনের নেতৃত্বটা, বিশেষ করে তাত্ত্বিক নেতৃত্বটা চলে গিয়েছিল শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর হাতে। তেভাগা-তেলেঙ্গানা যেভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছিলো – ঠিক একই জিনিস ঘটেছিলো নকশালবাড়ির ক্ষেত্রেও। যারা আন্দোলন করছেন আর শহর থেকে এসে যারা সেই আন্দোলনে তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দিয়েছেন – দুয়ের মধ্যে একটা অসমানতা, বিরাট ফারাক তৈরি হয়ে গিয়েছিলো, বিবিসিকে নিজের এই উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন জয়া মিত্র। কিন্তু এটা ঠিকই, যেভাবে সেদিন নিজেদের অগ্রপশ্চাৎ না-ভেবে হাজার হাজার শিক্ষিত তরুণ-তরুণী সেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন – গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার বা শ্রেণীশত্রু খতম করার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন, স্বাধীন ভারতে তার আর কোনও দ্বিতীয় নজির নেই। নকশালবাড়ি একটি আন্দোলনের নাম। বঞ্চনার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার নাম। মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড়ের নাম। সেই আন্দোলন আজ ঝিমিয়ে পড়েছে, তবে সেই নকশালবাড়ি আজও আছে। নেই আজ নকশালবাড়ি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ চারু মজুমদার, কানু সান্যালরা। সেই জঙ্গল সাঁওতালরা। আছে নকশালবাড়ির বিস্তীর্ণ ভিটে। ছোট্ট ছোট্ট আদিবাসী মানুষের বাড়ির ভিটে, যে ভিটায় রোপিত হয়েছিলো নকশালবাড়ি আন্দোলনের বীজ। সেই ভিটে এখনো জাগ্রত।

ষাটের দশকে এই নকশালবাড়িতে সূত্রপাত হয় ভারতের সশস্ত্র কমিউনিস্ট আন্দোলনের। নেতৃত্ব দেন চারু মজুমদার। বঞ্চিত শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য ছুটে আসেন চারু মজুমদার। সংগঠিত করেন সশস্ত্র বিপ্লব। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও সে তুংয়ের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে তিনি ১৯৬৭ সালে সংগ্রাম শুরু করেন এই নকশালবাড়িতে। ওই বছরের ২৪ মে আদিবাসীদের সঙ্গে নিয়ে জমি দখলের সংগ্রামের সূচনা করেন তিনি।  এরপরই চারু মজুমদারের বিপ্লবের এই তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ে গোটা পশ্চিমবঙ্গে। হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী দীক্ষিত হন এই মন্ত্রে। তখন নকশালবাড়ি এলাকার আদি বাসিন্দা ছিলেন মূলত রাজবংশীরা। ব্রিটিশ আমলে এই নকশালবাড়ি এলাকায় চা-বাগান তৈরির হিড়িক পড়ে। এলাকার জোতদারেরা চা-বাগানে কাজ করার জন্য নিয়ে আসেন সাঁওতালিদের। বিহার, ওডিশা ও মধ্যপ্রদেশের পাশাপাশি পাশের দেশ নেপাল থেকেও আনা হয় শ্রমিক। চা-বাগানের মালিকেরা শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করতে থাকেন। এই আন্দোলনই আজ ছড়িয়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ির সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের অন্তত ১০টি রাজ্যে, যেখানে এই নকশালবাড়ি আন্দোলনের পথ ধরে চলছে মাওবাদীদের আন্দোলন। সেই ছত্রিশগড়, ঝাড়খন্ড, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, বিহার, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। সেখানেই এখন নকশালবাড়ির আদর্শে চলমান মাওবাদী আন্দোলন তীব্র আকার নিয়েছে।

নকশাল অন্দোলনের পটভূমিতে লেখা কালজয়ী উপন্যাস ‘কালবেলা’র লেখক সমরেশ মজুমদার মনে করেন, ওই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় অবদান পশ্চিমবঙ্গের মেয়েদের মানসিকতাকে চিরতরে বদলে দেওয়া। ‘একাত্তরের আগে পশ্চিমবাংলার মেয়েরা পড়াশুনো করতো শুধু ভাল বিয়ে হবে, এই জন্য। বাপ-ঠাকুর্দারা তাদের কলেজে পৌঁছে দিয়ে আসতেন, আবার নিয়ে আসতেন। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা কিছু ‘বাঙাল’ মেয়েকে বাদ দিলে এই পারিবারিক অনুশাসনে বন্দি থাকাটাই ছিলো তাদের রুটিন।কিন্তু সাতষট্টি থেকে একাত্তর – এই চার বছর চোখের সামনে রোজ খুনোখুনি, বোমাবাজি, গুলির লড়াই দেখতে দেখতে তাদের জড়তাগুলো, মনের অন্ধকারগুলো কেটে গেলো। পশ্চিমবঙ্গের মেয়েরাও বুঝতে শিখলো, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্যই তাদের পড়াশুনো করতে হবে। শুধু স্কুলেই পড়াবে না, তারা সরকারি চাকরিও করবে’, বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন সমরেশ মজুমদার। এমন কী, আজ যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা – সাতষট্টি সালের আগে অতি বড় আশাবাদীও সে কথা কল্পনা করতে পারতেন না বলে বলছেন এই লেখক। তার মতে, এটাও নকশালবাড়ি আন্দোলনেরই উত্তরাধিকার।

নকশাল আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন গ্রামের গরিব, ভূমিহীন কৃষকরা। তাদের শতবছরের বঞ্চনার ক্ষোভে আগুন জ্বালিয়েছিলো নকশালবাড়ি। পশ্চিমবঙ্গের পথে পথে আওয়াজ ওঠে, ‘লাঙল যার জমি তার, বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস, নকশালবাড়ির পথ বিপ্লবের পথ, একটি স্ফুলিঙ্গই দাবানল সৃষ্টি করে’ ইত্যাদি। তখন পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চারু মজুমদারের বিপ্লবের তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়েছে। এরপরই ১৯৭২ সালের ১৪ আগস্ট কলকাতার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চারু মজুমদারকে। ১৯৭২ সালের ২৮ আগস্ট কলকাতার পিজি হাসপাতালে মারা যান তিনি। সরকারের এই তথ্যকে মেনে নেননি চারু মজুমদারের অনুসারীরা। তাঁর একমাত্র পুত্র অভিজিৎ মজুমদার সরকারের তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করে বলেছেন, ‘বাবা হাসপাতালে মারা যাননি। তাঁকে কলকাতার লালবাজারে পুলিশ লকআপে পিটিয়ে মারা হয়েছে। পরে সরকার পিজি হাসপাতালে মৃত্যুর গল্প ফেঁদেছে।’ নকশালবাড়ির আরেক বিপ্লবী নেতা কানু সান্যালও বেঁচে নেই। তিনি ২০১০ সালের ২৩ মার্চ রোগে ভুগে মানসিক অবসাদে নকশালবাড়ির নিজের বসতঘরে আত্মহত্যা করেন। তাঁর বাড়ি ছিলো নকশালবাড়ির শিবদালা গ্রামে।

নকশালবাড়ির নেতৃত্ব কি কোন ভুল করেনি? এই প্রশ্নের উত্তর চারু মজুমদার নিজেই দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের কি কোন ভুল হয়েছিলো? ভুল হবে না- একথা কি কেউ বলতে পারে? কিন্তু তা নিয়ে অনুশোচনার দিন তো আজ নয়- আজ দিন আগুনের মত জ্বলে ওঠার, রক্তের ঋণ রক্তের দামে শোধ করার’। এই উপমহাদেশের বিপ্লবের ইতিহাসে নকশালবাড়ির আন্দোলন উজ্জল নক্ষত্রের মত সকল মুক্তিকামী মানুষের সামনে এক আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলজ্বল করছে।

নকশাল আন্দোলন কারো কাছে ছিলো বিপ্লবের যাত্রা, কারো কাছে সন্ত্রাস। যে যেভাবেই মূল্যায়ন করুন না কেন, সেই সময়টাকে মুছে দেয়া অসম্ভব। হাজার হাজার তরুণ নিজের সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিয়ে, নিশ্চিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে সশস্ত্র লড়াইয়ে নেমে পড়েছিলো। গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরাওয়ের তত্ত্ব বাস্তবায়ন করতে শহরের নিরাপদ গৃহ ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা তখন গ্রামে কৃষকের পর্ণকুটিরে হাজির। বাদ যায়নি বিভাগের সেরা ফল করা ছাত্রটিও। নকশাল আন্দোলন একদিকে যেমন ভারতের রাজনৈতিক জীবনকে আলোড়িত করেছিলো, তেমনি নাড়া দিয়েছিলো সংস্কৃতি, সাহিত্যের জগতকেও। নকশাল আন্দোলন নিয়ে প্রচুর সাহিত্য রচিত হয়েছে। এ আন্দোলন কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে অনেক কালজয়ী উপন্যাস, গল্প, নাটক, কবিতা, গান। এক্ষেত্রে ভারতের আরো অনেক ভাষার চেয়ে বাংলা ভাষার সৃষ্টিই মনে হয় অধিকতর সমৃদ্ধ। মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাস তো কালজয়ী সাহিত্য, যা অন্য অনেক ভাষায়ও অনূদিত হয়েছে। অরুন্ধতী রায় বুকার পুরস্কার জয়ী ‘গড অব স্মল থিংস্’ উপন্যাসে একটি চরিত্র নকশাল আন্দোলনে যোগ দেয়। ১৯৯৮ সালে এ উপন্যাসের উপর ভিত্তিকরে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়, নাম ছিল ‘হাজার চুরাশি কি মা’। সমরেশ মজুমদার এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত বেশ কিছু উপন্যাসে নকশাল আন্দোলনের কথা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাসের মধ্যে আছে— স্বর্ণ মিত্রের ‘গ্রামে চলো’ (১৯৭২), মহাশ্বেতা দেবীর ‘অপারেশন, বসাই টুডু’ (১৯৭৮), শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘শ্যাওলা’ (১৯৭৭), শৈবাল মিত্রের ‘অজ্ঞাতবাস’ (১৯৮০), জয়া মিত্রের ‘হন্যমান’ প্রভৃতি।

নকশাল অন্দোলনের আলোচনায় মনে ভাসে দু’জন কবির ক’টি চরণ। কবি বিপুল চক্রবর্তী কিংবা নবারুন ভট্টাচার্যের কবিতায় কালজয়ী ঘোষণা তো রাষ্ট্র পরিচালিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আজও প্রেরণা দেয়। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্ত অথচ বলিষ্ট, স্পর্ধিত উচ্চারন করে লেখেন কবি বিপুল চক্রবর্তী –
‘পা দুটো কেটে বাদ দাও
তবু আমি হাঁটব
আমার পথে
হাত দুটো কেটে
বাদ দাও তবু আমি বাজাব
আমার সুর
চোখ–দুটো উপড়ে ফেলো
তবু আমি দেখব
আমার স্বপ্ন ।’
(তবু আমি)
অপরদিকে কবি নবারুন ভট্টাচার্যের কবিতায় একই সঙ্গে এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেই তীব্র ঘৃণা আর বিদ্রোহ ঘোষিত হয় এভাবে –
‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
এই জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ আমার দেশ না
এই বিস্তির্ণ শ্মশান আমার দেশ না
এই রক্ত স্নাত কসাইখানা আমার দেশ না
আমি আমার দেশকে ফিরে কেড়ে নেব।’
(এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না)

(তথ্যসূত্র : বিবিসি, দৈনিক প্রথম আলো, ইন্টারনেট)

লেখক:সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,ভাসানটেক সরকারী কলেজ, ঢাকা

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]