পিরিয়ড…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সৃজা ঘোষ

এই যেমন ধরুন আজ সকালে আমার পিরিয়ড হয়েছে। একটা অস্বস্তি। সঙ্গে মেজাজটা দারুণ খিচরে আছে। তা আমি ভাবলাম পিরিয়ডের মধ্যে পিরিয়ড নিয়ে কিছু লেখা যাক। পাতি কথায় বলা যাক কেসটা কি? মানে ঠিক কেমন? কি বৃত্তান্ত? বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দেওয়া গুগুল বাবাজির কাজ। আমি বরং অন্যকথা বলি। এই লেখাটার প্রয়োজনই হতোনা যদি আমার চারপাশ এই শব্দ ও ঘটনার স্বাভাবিকতাটা ইতিমধ্যেই বুঝে ফেলতো। ২০২০ হয়ে গেলো কিন্তু হিপোক্রেসি কমলো না। অগত্যা খিচড়ে যাওয়া মেজাজ নিয়ে আমি লিখতে বসলাম। এই সমাজে চার ধরণের লোকের (নারীবাদী বলে গালাগাল না দিয়ে আমার লেখায় লোক বলবেন বুঝবেন পুরুষ, মহিলা এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের) বসবাস। কিভাবে এই শ্রেণীবিভাগ। সেটা নিজেই বুঝে যাবেন। এখন বরং এই চার প্রজাতিকে একটু ব্যাখা করা যাক?

এই যেমন ধরুন প্রথম দলের লোক- এরা ‘পিরিয়ড’ কথাটা শুনলেই চোখ মুখ কুঁচকে কিরম যেন সাইলেন্ট এবং ফিসফিস মুডে চলে যান। প্রচন্ড কনসিয়াস হয়ে যান আর চারদিকে চোদ্দবার তাকিয়ে দেখেন আশেপাশে কেউ শুনে ফেললো না তো! এরা আধুনিক নন কিন্তু ক্ষতিকরও নন। এরা আসলে সবটাই জানেন কিন্তু সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ট্যাবু ভাঙার হাতুড়িটা নিজের হাতে নিতে ভাঙতে ভয় পান। তা হতেই পারে, সবাই তো আর একরকম সাহসী হয় না। এই যেমন আমি বুড়ো হয়েও ভূতের ভয় পাই তেমন এরা পিরিয়ড শব্দটা অন্য কেউ শুনে ফেললে কি হবে ভেবে ভয় আর লজ্জা পান। দুটো ঘটনাই ভিত্তিহীন কিন্তু দোষের নয়। এরা যেমন চলছে, তেমন করে চলেন। সব শব্দ স্বাভাবিক ভাবে বললেও পিরিয়ড শব্দটা আস্তে বলেন, মেডিকেল শপার কালো প্লাস্টিকে মুড়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন দিলে এরা সেটাকে ওভাবেই নিয়ে নেন, এরা পিরিয়ড ব্যাপারটাকে প্রাকৃতিক ভাবলেও লিঙ্গ নির্বিশেষে এই শব্দটির ব্যবহার স্বাভাবিক ভাবতে পারেন না। এরা আমার এই লেখাটা পড়বেন, সহমত পোষণ করবেন কিন্তু লাইক মারতে পারবেন না। কারণ সেই ভয়… যদি কেউ দেখে ফেলে! পিরিয়ড নিয়ে লেখায় লাইক মেরেছি! ছি ছি কি হবে!!

এবার আসি দ্বিতীয় দলের কথা, এই দলে মূলতঃ পুরুষরাই থাকেন (বেফালতু রে রে করবেন না। আমি মোটেই সব পুরুষের কথা বলছিনা।) প্রসঙ্গে আসি। তা এই গ্রুপের লোকেরা আবার পিরিয়ড শব্দটার মধ্যে কি এক অদ্ভুত ঐশ্বরিক ক্ষমতায় যৌনতার গন্ধ পান। মানে পিরিয়ড শুনলেই কি অসাধারণ ক্ষমতায় এরা ব্লাশ করে, মানে এরা পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে দেখাতে চায় এরা বিশাল আধুনিক কিন্তু আসলে কেস অন্য জায়গায়। এরা পিরিয়ড নিয়ে ওপেনলি কথা বলে একটা যৌনতাময় আনন্দ পান। ঐ যেমন ছোটবেলায় টিউশন ক্লাসে প্রজননের চ্যাপ্টার শুনলেই ছেলেপুলেরা হেব্বি উৎসাহী হয়ে যেতো, এরাও তেমন এদের বান্ধবীদের পিরিয়ড হয়েছে শুনলে অকারণে উৎসাহিত হয়ে যায়, ঠিক তেমন। মানে এত উৎসাহ যে পৃথিবীতে পিরিয়ড ছাড়া যেন আর কিছুর অস্তিত্বই নেই। মানে মানুষ মরে যাচ্ছে, ইউনিভার্সিটিতে ঢুকে লোকজন ছাত্রদের শাসিয়ে যাচ্ছে, জুন আন্টিকে শ্রীময়ী ঠাস করে দুউউউটোওওও চড় মারছে, নেতারা বলছে গোমূত্র খেলে সব সেরে যাবে। এত কিছু হয়ে যাচ্ছে কিন্তু এরা পিরিয়ড ছাড়া কিছু ভাবতেই পারছেনা। এদের আমি সাধারণতঃ রামছাগল বলি কারণ অশিক্ষিত বললে লোকে আমায় নাকউঁচু ভাববে।

তৃতীয় দলের লোকজনগুলো আবার বিশুদ্ধ পেছন পাকা। এমনিতে হয়না, ন্যাকড়া জড়ানো। এখানে কিন্তু নারী পুরুষ তৃতীয় লিঙ্গ সমান ভাবে আছে। এদের আবার পিরিয়ড নিয়ে রোম্যান্টিসিজমের চূড়ান্ত। পিরিয়ডের লেখায় শিল্পবোধে তো এক একজন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির বংশধর। এদের সব কিছুর একটাই থিম – পিরিয়ড৷ কবিতা লিখবে, বিষয় কি? পিরিয়ড। ছবি তুলবে, বিষয়? পিরিয়ড। প্রতিবাদ করবে! বিষয়? পিরিয়ড। বোরডম কাটাতে ফেসবুক লাইভ করবে। বিষয়? পিরিয়ড। মানে কোথাও কিছু নেই কিন্তু এরা আছে উইথ এদের শৈল্পিক পিরিয়ড। কিসব ছবি! কিসব কবিতা! লাইকে কমেন্টে শেয়ারে প্রমাণ করেই ছাড়বে এরা আর একটু সুযোগ পেলেই বিদ্রোহে চে, লেখায় সুনীল কিম্বা সুচিত্রা আর ছবিতে ভ্যান গগ টাইপ কিছু একটা হয়ে যেতে পারতো। একটুউউউউউর জন্য হলোনা।

আর চার নম্বর হলো রেস্ট অফ দ্য পিপল (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) এরা কোনো চাপ নেয় না, চাপ দেয়ও না। মানে প্রাকৃতিক কে প্রাকৃতিক আর স্বাভাবিক কে স্বাভাবিক ভাবতে পারে। এরা যেভাবে হিসু কিম্বা পটির কথা বলে তেমন করে দরকারে পিরিয়ডের কথা বলে। সারাদিন শব্দটা জপে না আবার অকারণে ফিসফিস করেনা, কালো প্লাস্টিক নেয় না, আর পিরিয়ড নিয়ে গান ছবি কবিতা দেখলেই  এরকম একটা ফেস বানিয়ে ‘এরা কেন!!! এরা কারা!!! এদের নেয় কে!!!’ বলতে না পেরে চলে যায়। এরা কুলও না, হটও না। নর্মাল মানুষ। এরা অকারণে লোকদেখানো প্রতিবাদ করে না। এদের কাছে শরীর খারাপ মানে জ্বর, পেটখারাপ আর পিরিয়ড মানে পিরিয়ড।

এবার বরং আপনাদের বলি পিরিয়ড হলে বাইরে থেকে কি হয়? কেন বলছি? সেটাও পরে বলবো। তা যা বলছিলাম। আজ সকাল থেকে আই এম হ্যাভিং মাই পিরিয়ড। সাধারণ ক্ষেত্রে তিন চার দিন আগে থেকে লোয়ার অ্যাবডমেন মানে আমাদের তলপেটে হালকা চিনিচিনে একটা ব্যথা হয়, সেম হিয়ার। পিরিয়ড শুরু হলে ম এই ব্যথাটা বাড়বে। আর একটা জিনিস একটু বাড়বে সেটা হল মেজাজ, যাকে বলে মুড সুইং। কেসটা কিরকম বুঝিয়ে বলি? এই যেমন ধরুন আমি। সকালে ঘরে বই পত্তর নিয়ে বসলাম আজি এ বসন্তে চার পাঁচটা প্রেমের কবিতা লিখবো বলে। তা কিসের প্রেম? এত প্ল্যানিং করে শেষ অব্দি নামালাম বীভৎস দুটো প্রতিবাদ আর দুটো হেব্বি অভিমানের কবিতা। প্রোডাকশন খারাপ হলো তা নয় কিন্তু প্রপার প্রেম লিখতে পারলাম না বলে কিরম যেন একটা বিচ্ছিরি রাগ হলো। গান শুনলাম। স্যাড সং। এবার একটু মনমরা ফিলিং যেন জীবন চলছে না আর সোজাপথে। ফ্রিজ খুলে ঝপাং করে একটা ক্যাডবেরি সিল্ক মেরে দিলাম। তারপর থেকে বেশ ভালই আছি, বুঝলেন? কিন্তু আমি জানি বিকেলের দিকে আমার এমনিই একটু কান্না পেতে পারে কিম্বা হতেই পারে এই যে আমি সারা সপ্তাহ ধরে করোনার জন্য চিকেন থেকে বিরত রাখা আমার মাকে ‘চিকেন করোনা, চিকেন করোনা’ বলে চিকেন করিয়েই ছাড়লাম, সেই আমিই খেতে বসে চিকেন রিজেক্ট করে শুধু মাখন দিয়ে ভাত খেয়েও উঠে যেতে পারি। এসময় অনেক কিছু খেতে ভাল্লাগে না আবার হঠাৎ হঠাৎ অনেক কিছু খেতে হেবি ভাল্লাগে। তা যা বলছিলাম এভাবেই চলে এ ক’দিন। তারপর সন্ধ্যের দিকে একটু উদাস হয়ে একটা প্রপার প্রেমের কবিতা হয়েও যেতে পারে কিন্তু। আবার রাত্তিরে একটা আইসক্রিমের ডাব্বার জন্যে হাপিত্তেশ করে চাঁদও দেখতে পারি। পিরিয়ডের দ্বিতীয় আর তৃতীয় দিনটা একটু ঝামেলার- অপেক্ষাকৃত হেভি ফ্লো, ক্র‍্যাম্প, ইরিটেশন আর মুড সুইং। এসব নিয়েই বেরোতে হবে, পড়তে হবে, পড়াতে হবে, যা যা মাসের বাকি দিনগুলোয় করি, সব করতে হবে। এরকমই তাও হয়। সেই ক্লাস সেভেন থেকে প্রত্যেক মাসে এমনই হয়। শুধু এই সবকটা কাজের সঙ্গে পিরিয়ডের পাঁচ ছটা দিন জুড়ে থাকবে একটা অস্বস্তি আর হয়তো বা কিছু ব্যাপারে একটু অনীহা। ব্যাস। তারপর আবার সব আন্ডার কন্ট্রোল। (তবে এখানে একটা জরুরি কথা- PCOD বা অন্য কোনো ফাইব্রয়েড, সিস্ট জাতীয় সমস্যা থাকলে কিন্তু এক্ষেত্রে কষ্ট অনেক বেশি। আমার কিছু বন্ধুর আছে, তাই জানি। সেক্ষেত্রে অসুস্থ মানুষের মতই তাদের যত্ন নিতে হয়)

এবার প্রশ্ন, এসব কেন বললাম? এর কটা কারণ। প্রথমতঃ পিরিয়ড যে নিতান্তই স্বাভাবিক বিষয়, সেটা বোঝানো কারণ দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেকেই আজও সেটা বুঝতে পারেনা। ফলে দুপক্ষেরই স্ট্রেস বাড়ে দ্বিতীয়তঃ কিছু কিছু বিষয়ে কিছু মানুষকে কিছু অনুরোধ করা। যাতে আমাদের মাসের এই একটু অস্বস্তির পাঁচ ছদিনে নতুন কিছু অকারণ অস্বস্তির মুখোমুখি না পোরতে হয়। তৃতীয়তঃ কিছু হিপোক্রেসি আর কিছু ট্যাবুকে নিজের মত করে একটু ভাঙার চেষ্টা। এক্ষেত্রে কয়েকটা কথা একটু বলবার। এটুকু চাইলে মাথায় রাখাই যায় বোধহয়। আফটার অল প্রত্যেক মাসের একটা নির্দিষ্ট সময় এই ধরণের কষ্টটা মেয়েদের অভ্যেস বলে সেটার কষ্টটা তো কষ্টই। কি, তাই না?

১. যে মেয়েটির পিরিয়ড হয়েছে, মাসের মাত্র চার পাঁচটা দিন তার মুড সুইং গুলোকে একটু সহনশীলতার সঙ্গে সামলানো দরকার। কারণ বিশ্বাস করুন হরমোনাল চেঞ্জে কারোর হাত থাকে না। মনের নিয়ন্ত্রণ এই কটা দিন পিরিয়ডের হাতে। অতএব, একটুখানি বোঝদার হওয়া। তুমি কেন আমার ওপর মেজাজ দেখালে- এটা না বলে তার মন ভাল করার জন্যে হয়ত একটু বেশি গল্প করা, দু একটা জোকস বলা, তার কাজের একটু ভাগ নিজেরা নেওয়া।

২. এইসময় আনুসঙ্গিক কিছু ন্যাচারাল সমস্যা হয়। যেমন ক্র‍্যাম্প পেইন, ব্যাক পেইন, অনেকের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া। তাই যদি দেখা যায়, কেউ কষ্ট পাচ্ছে ব্যথায়। তাহলে তাকে হট ওয়াটার ব্যাগটা একটু গরম করে দেওয়া। অনেকের ইমার্জেন্সি কিছু পেইনকিলার দরকার পড়ে মাঝে সাঝে। দরকার হলে তা তাকে এনে দেওয়া। টানা কিছুক্ষণ দাঁড়ালে এসময় কোমরে ব্যথা হয় খুব। বিশ্বাস করুন, যারা বলেন- ‘লেডিস সিটে বসে মেয়েরা ইক্যুয়ালিটির দাবি করতে লজ্জা করেনা?’ তারা যে তাদের মা, বোন, বান্ধবী, স্ত্রী বা সন্তানের প্রতি যত্নশীল জীবনে হবেন না এবং একটি বিশুদ্ধ গাধাই রয়ে যাবেন এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। পিরিয়ড এবং প্রেগন্যান্সির সময় দাঁড়িয়ে ট্রাভেল করার চাপটা কিন্তু মেয়েরাই বোঝে। আপনি বলবেন- তাদের বিষয় তারাই তাও বুঝবে। নিশ্চই, তাই। তাহলে আপনিও নাহয় নিজের মানসিক অপরিপক্কতাটা অম্য জায়গায় দেখাবেন।

৩. স্যানিটারি ন্যাপকিনটা এনটি এজিং ক্রিমের মত কোনো প্রসাধনী নয়। অতএব সরকার এই বেসিক নিডটির দাম বাড়ালে তার প্রতিবাদ করতে শিখুন। আর প্রতিটি পরিবারে সংসারের মধ্যেকার যে ছোট্ট সরকার, সেখানেও এই সচেতনতাটা তৈরি করুন যাতে বাড়ির মহিলাদের জন্য এই অর্থটা আলাদাভাবে বাজেট করা হয় কারণ এই সময় সঠিক হাইজিন রক্ষা না হলে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের শিকার হতে পারে একজন নারী। তাই এই বিষয়ে যেকোনো সমস্যায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটা জরুরি।

৪. আর দয়া করে ২০২০ তে দাঁড়িয়ে ঠাকুরঘর, রান্নাঘর, ধর্মীয় অনুষ্ঠান নামন যে যে ফালতু বাধা গুলো দেওয়া হয়, সেগুলোকে পাত্তা না দেওয়া এবং অন্তত এই সময়ে দাঁড়িয়ে হাতে স্মার্টফোন নিয়ে একটু কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করা। মাক্কালি বলছি (কেননা এটা বললেও অনেকে বিশ্বাস করতে পারেন) কোনো ধর্মগ্রন্থে কিন্তু বলা নেই রজঃস্বলা নারী পুজোয় অংশ নিতে পারে না।

৫. প্রতিটি কাজের জায়গায় একটি পরিষ্কার ওয়াশরুম ও ইমার্জেন্সি কিটের ব্যবস্থা রাখা যেটা বেশিরভাগ জায়গাতেই শুরু হলেও শেষ অব্দি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় না।

৬. প্রতিটি ছেলে সন্তানকে শুরু থেকেই এই পিরিয়ড শব্দটার সঙ্গে, তার ব্যথাগুলোর সঙ্গে আর সম্ভাব্য কি কিভাবে যত্ন নেওয়া যায় সেই উপায়গুলোর সঙ্গে পরিচয় করানো।

এটুকুই বলবার ছিলো। অতএব, ডোন্ট বি কুল। ডোন্ট বি হট। মারামারি দরকার নেই আবার ওসব ২য় আর ৩য় দলের মত বাড়াবাড়ি করার দরকারও নেই। স্বাভাবিক কে স্বাভাবিকের মত করে দেখতে শিখলে আর একটু সহানুভূতি আর পরিবার বা কর্মজগতে যত্ন দিলে প্রত্যেক মাসের নির্দিষ্ট সময়ে আমাদের এই ব্যথাটা বওয়া একটু সহজ হয় এই আর কি…

আর তা না হলেও কোনো সমস্যা নেই। সেক্ষেত্রে পিরিয়ড পিরিয়ডের মত, আমরা আমাদের মত অবিচল, একগুঁয়ে গাধারা গাধাদের আর কখনো কখনো খচ্চরের মত আর সবশেষে যত্ন নেবার মানুষগুলো একদম মায়ের মত…

ছবি: গুগল 

 

 

 

 

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]