পৃথিবীর ছাদে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

বারো.

হাতভাঙা বাদলকে কনটিনিউয়াসলি বুস্ট আপ করে চলেছে টেনশনে টানটান প্রদীপ। যদিও বাইরে সে টেনশনের ছাপ চোখে পড়ছে না, কিন্তু আমি জানি, ভেতরে ভেতরে কী ভীষণ কষ্ট পাচ্ছে প্রদীপ‘দা।

প্রদীপ‘দা এর আগে আমায় অনেক বার বলেছে কথায় কথায়, ব়্যাদার শিখিয়েছে, “ধর তোরা দারুণ একটা পিক ক্লাইম্ব করে

ব্রেকফাস্ট

এলি, কিন্তু তোর টিমের কারও একটা বড় ইনজুরি হয়ে গেলো। তা হলে কি সেটাকে সফল সামিট বলা যায়? বা ধর তোরা পিক ছোঁয়ার কয়েকশো মিটার আগে নেমে এলি প্রতিটা মেম্বারকে সুস্থ নিয়ে। তা হলে কি সেই এক্সপিডিশনকে ব্যর্থ বলা যায়? সাকসেসের সংজ্ঞা কে ঠিক করে দেবে? উচ্চতা, না জীবন? অথচ দেখ, খাতায়-কলমে প্রথম অভিযানটা ‘সাকসেসফুল’ লেখা হবে, আর দ্বিতীয়টা ‘আনসাকসেসফুল’। কিন্তু আমি মনে করি, একটা অভিযানের শেষে যখন সকলে সুস্থ ভাবে ফিরে আসে, সেটার চেয়ে বড় সাফল্য আর কিছু হয় না।”

এই সুস্থতা আর সাফল্যের প্রত্যাশা খানিকটা ভেঙেচুরে দিয়েছে গত দিনের অ্যাকসিডেন্ট। প্রদীপ‘দা মেনেই নিতে পারছে না, এরকম একটা কাণ্ড ঘটে গেলো এক্সপিডিশনে। বুঝতে পারছি, ব্যাক ক্যালকুলেশন করলে বারবারই মনে হচ্ছে, হয়তো এড়ানো যেতে পারতো দুর্ঘটনাটা।

কিন্তু যেটা কোনও ভাবেই এড়ানো যায় না, আর যেটা ঘটে যাওয়ার পরে আর কোনও যুক্তি বা ব্যাখ্যা হয় না, সেটাকেই তো দুর্ঘটনা বলে। সেটা আর মেরামত করার উপায় থাকে না। কিন্তু ফারদার যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই সতর্কতার লাল ফিতেই আরও টানটান করে বেঁধে নিলাম সকলে।

অনেকটা ভোরে বেরিয়ে পড়লাম আমরা। এ দিনও রাস্তা ছিল ৪০০ কিলোমিটার। গন্তব্য ইসফারা। কিন্তু ঠিক হয়েছিলো, সন্ধ্যের আলো থাকতে থাকতে যদি ইসফারা পৌঁছই, তা হলে আর ২৫ কিলোমিটার এগিয়ে বাটকেন চলে যাবো। ইসফারা আর বাটকেনের মাঝে তাজিক আর কিরঘিজ় বর্ডার। বর্ডার পার করা থাকলে কাজ এগিয়ে থাকবে।

এই মাঝের মহিলা আমার চোখ আর ভুরু নিয়ে অবসেসড হয়ে পড়েছিলেন।

বলাই বাহুল্য, শুরু থেকেই গোটা দিন ধরে বাদলদাকে অসম্ভব আতুপুতু করা হতে লাগলো। যেহেতু ডান হাতটা নাড়তেই পারছে না ভাল করে, তাই প্রদীপ‘দা হেলমেট পরিয়ে দিচ্ছে, তো রূপা‘দি জ্যাকেট। আমি একটু আওয়াজ দিলেই সকলে আমায় ঝাড়ছে। হ্যাঁ, আমারও পায়ে চোট, তবু ঝাড়ছে। হাড়ভাঙার কাছে কেটে যাওয়া মোটেই পাত্তা পাচ্ছে না। যদিও যত্নের অভাব হচ্ছে না, সময়ে সময়ে ড্রেসিং, ওষুধ– সবই গুছিয়ে করে দিচ্ছে রূপা‘দি আর প্রদীপ‘দা মিলে।

এ দিন ঈদ ছিলো। এখানে ঈদ  হয় দু’দিন। রাস্তায় অনেক লোকজন। দোকানপাট সব বন্ধ। যদিও ‘অনেক’ লোকজনটা আমাদের পাড়ার মোড়ের জটলার চেয়ে বেশি নয়, আর দোকানপাটের সংখ্যাও খুবই নগণ্য।

গোড়া থেকেই সুন্দর চলছিলাম আমরা। রাস্তা মসৃণ, মেঘলা আবহাওয়া। আগের দিন রেস্ট হওয়ায় শরীরও ঝরঝরে সকলের। প্রায় ১০০ কিলোমিটার পার করে ফেলা গেল ঘণ্টা দেড়েক সময়ে। বাদল‘দারও চালাতে তেমন অসুবিধা হয়নি। কিন্তু প্রতি বার বাইকে বসার সময়ে নিজের ডান হাতটাকে বাঁ হাত দিয়ে তুলে হ্যান্ডেলে রাখছে। তার পরে চালাচ্ছে। কতটা ব্যথা সহ্য করছে, বোঝাই যাচ্ছে।

খানিক পরে ব্রেকফাস্ট সারা হলো, রাস্তার ধারের একটা ছোট্ট দোকানে। দোকান বন্ধই ছিলো। ঈদ বলে। দোকানের সঙ্গেই বাড়ি বলে, খোলা ছিলো বাইরেটা। আমাদের খেতে দিতে রাজি হয়ে গেলো যা হোক। স্যুপ আর পাঁউরুটি খাওয়া হলো। সঙ্গে তরমুজ। এক মহিলা এসে প্রচুর গল্প করলেন। প্রচুর মানে প্রচুর। আমিও চালিয়ে গেলাম। তবে শেষ অবধি উদ্ধার করতে পারিনি, উনি কী বলতে চাইছিলেন। বারবার আমার চোখে আর ভুরুতে হাত বুলিয়ে কিছু একটা বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন।

সকাল

এ দিনের রাস্তা অনেকটাই সমতল দিয়ে। পাহাড়ি বাঁক বিশেষ নেই। দু’ধারে প্রচুর চাষাবাদের জমি রয়েছে। আপেল, খুবানি, পিচ– এ সব গাছ তো আছেই। আমরা খানিক ক্ষণ করে চলে, ফের রেস্ট নিয়ে, গল্প করে করে এগোচ্ছি। সময়মতো জল, ওষুধ খাচ্ছি। এ দিন থেকে আমার মোবাইলে আর বিশেষ ভাল ছবি তোলা হয়নি। এক তো পায়ের ব্যথায় কাবু, আর দুই, আগের দিন পড়ে গিয়ে ফোনটাও জখম হয়েছে। ফোকাস হচ্ছে না ভালো। মন খারাপ।

লাঞ্চ সারা হলো ব্রেকফাস্টের মতোই। দোকান বন্ধ, কিন্তু ভালমন্দ রান্না চলছে নিজেদের জন্য। ইদের খুশিতে। আমরাও রোজকার পাঁউরুটি-সসেজের বদলে কাবাব-টাবাব পেয়ে গেলাম বেশ।

ইসফারা পৌঁছে গেলাম বেশ বিকেল বিকেল। ইসফারা নামটা বড় সুন্দর। শুধু এই নামটার জন্যই আমার ইচ্ছে ছিলো সেখানে থাকার। কিন্তু সিদ্ধান্ত হলো বর্ডার পেরিয়ে বাটকেন চলে যাওয়া হবে আজই। এগিয়ে থাকলে সুবিধা। কিন্তু বর্ডার পেরোতে গিয়ে আমাদের বিশাল ঝক্কি হয়ে গেলো। তাজিক বর্ডার সহজে পেরিয়ে চলে এলেও, কিরঘিজ় বর্ডারে ঢুকতে গিয়ে ঝামেলায় পড়ে গেলাম। বাদল‘দার পাসপোর্ট নিয়ে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে কী সব করতে লাগলো ওরা। সম্ভবত কিছু মিলছিলো না বা কিছু সমস্যা হচ্ছিলো না। বলেও না কিছু, আর জিজ্ঞেস যে করবো, সে তো বোঝেও না।

আমার পায়ে ততোক্ষণে অসহ্য ব্যথা। এই এতটা রাস্তা কনটিনিউয়াসলি ঝুলিয়ে রাখার ফল। পাটা ফুলে গিয়েছে, দাঁড়াতে পারছি না। বাদল‘দাও চাইছে, কত ক্ষণে গিয়ে পৌঁছবে। সকলেই তাই চাইছে। কিন্তু সেই কাস্টমসের লোকগুলো কিছুতেই চাইছে না। আমরা অন্য একটা বর্ডার দিয়ে বেরিয়েছিলাম কিরঘিজ়স্তান থেকে। সেই ঘুষ দেওয়া কেসটা। আর ঢোকার সময়ে অন্য বর্ডার দিয়ে ঢুকছি। সম্ভবত দু’টো চেকপোস্টের মধ্যে কো-অর্ডিনেশনের অভাবে বাদল‘দার ডেটা মিসিং হয়ে গিয়েছিলো।

কাজাকিস্থান

দু’ঘণ্টা ঝাড়া নষ্ট। আমি তো প্রথমে মেঝেতে বসে, তার পরে শুয়েই পড়লাম। বাচ্চা-বুড়ো যারা সব ঈদের জন্য আসা-যাওয়া করছে, তারা হাঁ করে দেখতে দেখতে গেলো, একটা ভিন্ দেশি পাগলি ভেবে। যাক গে।

শেষমেশ, অন্ধকার নামার মুখে সমস্ত ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়ে চলে এলাম বাটকেন। সন্ধ্যে হয়ে গিয়েছে তখন। এইটুকু ছোট্ট একটা জায়গা, তা-ও ঈদের জন্য বন্ধ সব। কোথাও আর কিছু হোটেল খুঁজে পাই না। অবশেষে একটা হোমস্টে-তে ঢুকে পড়লাম। তারা আবার শুধু থাকতে দেবে, খেতে দেবে না। ঈদের জন্য তাদের খাবার সার্ভিস বন্ধ।

আমরা ভাবলাম, নিজেদের জন্য তো রান্না কিছু করবেই, সেখান থেকেই দিতে বলবো। কাকুতিমিনতি করলে ঠিক দিয়ে দেবে। কারণ ৪৩০ কিলোমিটার পার করে এসে, এক বার রুমে ঢুকে পড়ার পরে, আবার বেরিয়ে খেতে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই কারও। আমি তো দাঁড়াতেই পারছি না ডান পায়ে। ছোঁয়াতে পারছি না মাটিতে পা। এই সময়টা মনে হয়েছিল, পা কেটে বাদ দিতে হবে।

রুমে ঢুকে অনেক ক্ষণ পা উঁচু করে শুয়ে থেকে ফোলা একটু কমল। টনটনে ব্যথা। নতুন করে রক্তও পড়েছে। ড্রেসিং এবং আরও যা দরকার করা হলো। রাতে ওদের খাওয়ার কথা বলা হলো, বললো যা আছে তাই খাবে। আমরা প্রচণ্ড ভালছেলের মতো ঢক করে ঘাড় নেড়ে পেলাম আলুভাজার সঙ্গে মাংসের টুকরো ভাজা মেশানো। পাঁউরুটি দিয়ে তাই সাঁটানো হলো। ওষুধপত্র খেয়ে ঘুমোনো হলো।

পরদিনও  দিন রাস্তা বেশ ভাল ছিলো। আমাদের ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হলো, তাই বেরোতেও দেরি হলো। বাদলদা রাতে ব্যথায় কষ্ট পেয়েছে খুব। আমি সকালে উঠে দেখলাম আগের রাতের অসহ্য ব্যথা অনেকটাই কম। সারা রাত পা হরাইজ়ন্টাল ছিলো বলে অনেকটা রিলিফ হয়েছে। তবে একটু হাঁটাচলা করেই টের পেলাম, কেস মোটেই সুবিধার নয়। সুবিধার না হয়েও লাভ নেই, যেতে সেই হবেই। বরং বেশি বললে বাকিরা চাপ নেবে। তাই গরুচোরের মতো মুখ করে, ব্যথা গিলে বেরিয়ে পড়লাম, আর কী।

ঈদ তাই

শুরুর দিকে একটু কষ্ট হলেও পরে সয়ে গেলো ।

এই দিনের বেস্ট পার্ট ছিলো, যেটা নিয়ে আমি যত বার কথা বলি ততো বার উত্তেজিত হয়ে পড়ি, সেটা হলো, প্রায় গোটা রাস্তাটা উজবেকিস্তানের সীমান্ত ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাওয়া। একেবারে লাগোয়া। মাঝের যে নো ম্যান্স ল্যান্ড, সেটাও বড়ই সংক্ষিপ্ত। বাড়িঘরগাছমানুষপথ দেখা যাচ্ছে একেবারে কাছে। সীমান্ত বরাবর খুঁটি পোঁতা আছে বটে, তবে তা বেঁটে বেঁটে খুটি, জাল দিয়ে জোড়া। কাঁটাতার বা দেওয়ালের চিহ্নই নেই। নেই তেমন প্রহরাও।

আমি হাতে গুগল ম্যাপ খুলে রেখেছিলাম, রাস্তাটা মেলাতে মেলাতে যাচ্ছিলাম। কখনও কখনও তো উজবেকিস্তানের সীমানার ভিতর দিয়েও যাচ্ছিলো রাস্তাটা! মানে কোনও কোনও বাঁক সীমান্তের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে আর কী। সেখানে হারিয়ে যাচ্ছে সীমান্ত নির্ধারক খুঁটিগুলো।

এই যে দেশান্তরকে ছুঁয়ে ফেলা বিনা আয়াসে, এ যে আমায় কী শিহরিত করে, আমি লিখে বা বলে বোঝাতে পারবো না। এক একটা জায়গা এমন আসছিলো, একেবারে সীমান্ত ঘেঁষা পথের ধারে যে গাছগুলোর ছায়া পড়েছে, তাজিকিস্তানের রাস্তায় পড়েছে, সে গাছগুলোর গোড়া উজবেকিস্তানের মাটিতে গেঁথে রয়েছে। তোমার মাটি, আমার ছায়া– এর চেয়ে সুন্দর ও সহজ সহাবস্থান আর কী হতে পারে!

ক্যামেরায় সব ধরা যায় না। ব়্যাদার কিছুই ধরা যায় না। ক্যামেরা আঁকে, একটা ঝকঝকে নীল আকাশের নীচে কালো কুচকুচে রাস্তার ধারে সবুজ বনানী।

উজবেকিস্তান..

কিন্তু আমার মনে তো তখন অন্য ছবি তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে। সীমান্তহীন যে মুক্তির ছবির ছাপ স্বপ্নের ট্রেসিং পেপারে তুলে রেখেছি, তাতে হুবহু আঁচড় কাটছে বাস্তব! একে ধরবে কোন ক্যামেরা! এই মুহূর্তটাকে ফ্রিজ় করবে কে!
আমি বরং ক্যামেরা খুলিইনি তখন। মনের ভিতরের সর্ব শরীর দিয়ে মুহূর্তগুলোকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করছিলাম। সেই চেষ্টার সামনে ক্যামেরা একটা বাধা ছাড়া আর কিছু নয়।

একটা সময় পরে সীমান্ত থেকে সরে এলো রাস্তা। ওশ শহরে ঢুকব এবার। আচমকা এক ঝটিতি মন খারাপ। সুতীব্র অভিমান। প্রদীপ‘দার ওপরে খানিক চেঁচালাম, কেন আমাদের এক্সপিডিশনে উজবেকিস্তানও ঢোকানো হল না! উজবেকিস্তানের গা দিয়ে চলে আসা সে দেশে না গিয়ে, এটা কেমন অসভ্যতা! এই একই ঝামেলা আগের দিন আফগানিস্তান নিয়েও করেছিলাম। দু’বারই একই উত্তর পেলাম। টাকার গাছ লাগাতে হবে, আর ক্যালেন্ডারের হিসেব ভুলতে হবে।

সে আমি এক দিন ভুলবোই। আর টাকাও ঠিক হবে কিছু না কিছু করে। এক দিন আমি ফেরার টিকিট না কেটে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়বোই। ঠিক পড়বো।

বিকেলের ওশ শহর…

ওশ এসে গেলো বিকেলের মধ্যে। যাওয়ার সময়ে ওশে যে হোটেলে ছিলাম, এবারেও সেখানেই ঢুকে পড়লাম আবার। বেকা, মানে হোটেলের সেই ছেলেটি জানিয়ে দিলো, মোবাইল পাওয়া যায়নি। আমরা আশাও করিনি যাবে বলে।

তবে ওই দিন তাড়াতাড়ি ওশে পৌঁছেও আমাদের তেমন লাভ হলো না। আসলে আমাদের পরিকল্পনা ছিলো, ওশের বাজারে যাওয়ার। প্রদীপ‘দা বলে, যে কোনও জায়গাকে সহজে চিনতে ও বুঝতে গেলে তার পরিচিত বাজারটা এক বার ঘুরতে হয়। কিন্তু সোমবার ওশের বাজার বন্ধ। তার উপরে ঈদ ছিলো এই দিনও। আরওই সব বন্ধ।

তবে হাঁটতে বেরিয়ে আমরা অন্য একটা বাজার আবিষ্কার করলাম। অবিকল আমাদের ফ্যান্সি মার্কেটের মতো। বিশাল দাম-দর করে জিনিস কিনতে হবে। গড়িয়াহাটের প্রতিভা নিয়ে মাঠে নামলেও, ভাষা ও এক্সপ্রেশনের সমস্যায় মার খেয়ে গেলাম। আর একটা জিনিস আবিষ্কার করলাম বেরিয়ে, সেটা হলো গোটা শহরে অসংখ্য বিউটি পার্লার আছে। এবং সর্বস্ব বন্ধ থাকলেও সেগুলো খোলা। এবং প্রতিটিতে মেয়েরা কিছু না কিছু করতে এসেছে।

ফিরে, হোটেলেরই রেস্তরাঁয় খেয়ে নেওয়া হলো। ঘুমোনোর আগে টয়লেটে যেতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, পুরুষদের এখানে ‘ক্যাবলারস’ বলা হয়। কেউ বিশ্বাস করবে না বলে ছবিও তুলে এনেছি।

তার পর...(চলবে)

ছবি: লেখক

 

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]