প্রয়োজন সচেতনতা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এখন ভিড় এড়িয়ে চলা এবং নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করাই করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচার অন্যতম পন্থা বলে বলছেন চিকিৎসকরা। কারণ যেসব মানুষ নিজেদের অজ্ঞাতেই শরীরে এই ভাইরাস বহন করছেন তারাই রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বড় হুমকী হয়ে উঠেনে বলে চিকিৎসক ও গবেষকরা ধারণা করছেন। এই সংক্রমণকে তারা বলছেন ‘নিঃশব্দ সংক্রমণ বা স্টিলথ ট্রান্সমিশন’। চীনের একদল গবেষক সম্প্রতি এ আশংকা প্রকাশ করেছেন তাদের গবেষণায।

গবেষণা বলছে, যাদের শরীরে সংক্রমণের মাত্রা খুব সামান্য অথবা যারা আগে থেকেই অ্যাজমা রোগে ভুগছেন তারাই এখন রোগ ছড়ানোয় বড় ভূমিকা পালন করছেন।

কারো শরীরে জ্বরের মাত্রা এত সামান্য যে তিনি হয়তো বিষয়টা লক্ষ্যই করেননি। হয়তো তার অনুভূতিতে ধরা পড়েনি সর্দি অথবা অ্যালার্জি। গুরুত্বই পায়নি এ ধরণের লক্ষণগুলো। কিন্তু বিপদ ঘটছে এখানেই। তাদের মাধ্যমেই আরেকটু বেশি অসুস্থ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন সহজেই।

ডাক্তাররা বলছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের লক্ষণ শরীরে দেখা দিতে প্রায় ৫ দিন সময় লাগে। সম্প্রতি জার্মানীতে চালানো এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ভাইরাসটি তার সকল উপসর্গ নিয়ে প্রকাশিত হওয়ার অনেক আগে থেকেই অন্যের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। ঘটনাটা ঘটতে পারে একেবারে প্রথম দিন থেকেই। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা প্রথম দিন থেকে অষ্টম দিনে গিয়ে কিছুটা কমে আসে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ হচ্ছে, এই রোগ না হওয়ার আগে থেকেই সকল সচেতন মানুষকে রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ভেবেই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আর এই সাবধানতা অবলম্বনের ক্ষেত্রে প্রধান পদক্ষেপ হচ্ছে পরিচ্ছন্ন থাকা, অন্যদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, যে কোনো ধরণের অসুস্থতাকে অবহেলা না করা।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ হাফিংটন পোস্ট

ছবিঃ গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]