ফিদেলের প্রিয় নায়িকা সোফিয়া লরেন

তথ্যচিত্রের নাম ‘কমান্দান্তে’। ছবিটি ২০০৩ সালে তৈরী করেন অস্কার বিজয়ী পরিচালক অলিভার স্টোন। তিনদিন ধ434c6f36a5a629ed3340eb21486940a1রে টানা শ্যুট করা এই তথ্যচিত্রে স্থান করে নিয়েছে কিউবার এই বিপ্লবী নেতা, সদ্য প্রয়াত ফিদেল ক্যাস্ট্রোর জীবনের ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গ।

১৯৫৯ সালে স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারের পতন ঘটানোর পর থেকে টানা ৪৪ বছর কিউবার ভাগ্যবিধাতা ছিলেন এই মানুষটি। কিন্তু খুব সহজেই স্টোনের ক্যামেরার সামনে বলেছেন, “লোকে মাঝে মাঝেই বলে, আমি বেশী কথা বলি।কিন্তু আমি তো মানুষকে কথা বলে বুঝিয়ে পাশে রাখার পক্ষপাতি। পুলিশি জুলুম চালিয়ে নয়”।

পৃথিবী জুড়ে বিংশ শতাব্দীতে গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত মানুষ ছিলেন ক্যাস্ট্রো।বিপ্লব করেছেন, দেশের মানুষের খাওয়া-পড়ার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। এড়িয়েছেন মার্কিন সরকারের বহু হত্যা-প্রচেষ্টা। কিন্তু এরই মাঝে হলিউডি সিনেমা দেখার অবসর তৈরী করে নিতে পেরেছিলেন তিনি। তথ্যচিত্রে জানিয়ে দিয়েছেন, যৌবনে প্রিয় নায়িকা ছিলেন সোফিয়া লরেন আর ব্রিজিত বার্দো। সাম্প্রতিককালে দেখেছেন ‘গ্ল্যাডিয়েটর’, ‘টাইটানিক’ সিনেমা।

সিনেমায় মজার তথ্য দিয়েছেন দাড়ি কাটা নিয়ে। ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিপ্লবী সরকারের সমস্ত প্রতিশ্রুতি পালন না করে দাড়ি কাটবেন না। আলিভার স্টোনকে জানিয়েছিলেন,“এখন তাঁর কাছে দাড়ি কাটাকে মনে হয় পনেরো মিনিট সময় নষ্ট। ভাবা যায় সারা জীবন এই কাজে কতটা সময় নষ্ট হয়”।

দুঃখ-বেদনা কি এই লৌহ-পুরুষকে স্পর্শ করে? এমন প্রশ্ন করেছিলেন স্টোন ক্যাস্ট্রোকে। উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, বন্ধু, কমরেড চে গুয়েভারার মৃত্যু তাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছিল। কষ্ট পেয়েছিলেন মায়ের মৃত্যুতে।

বিনোদন প্রতিবেদক

তথ্যসূত্রঃএই সময়