বাপ্পা- তানিয়ার বিয়ের গুঞ্জন

অনেক দিনে থেকেই চাঁদনী-বাপ্পা আলাদা থাকছেন।তবে আলাদা থাকার ব্যাপারে কখনোই কারো কাছে মুখ খোলেননি তারা।ডিভোর্স হয়ে গেছে কিনা জানতে চাইলেও তারা বিষয়টা এড়িয়ে গেছেন।

তবে গত এক বছর ধরে  উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী তানিয়া হোসেনের সঙ্গে বাপ্পা মজুমদারের প্রেমের সম্পর্ক চলছে এমন কথা হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছিলো।হঠাৎ ২০ মে  রাতে তানিয়ার  তার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন  অনামিকায় আংটি পড়া তার একটি  ছবি। এটি দেখে সবাই ধারণা করছে আংটিটি তানিয়ার হাতে বাপ্পাই পড়িয়েছেন।এ ব্যাপারে বাপ্পার সঙ্গে কথা বললে বাপ্পা বলেন, আমি চাই না বিষয়টি নিয়ে কোনো রকম জল ঘোলা হোক।এব্যাপারে আমি পরে কথা বলবো চার পাঁচ দিন ধরে আমি ভীষণ জ্বরে পড়েছিলাম। আজকেই জ্বর থেকে উঠেছি। কাল পরশুর মধ্যেই আমি এই বিষয়টি সবার কাছে খুলে বলবো।’

তানিয়াও বলেন, এ বিষয়টি আমি এখনই কিছু বলতে চাই না। আমাকে সময় দিন আমি পরে বলবো।

তানিয়া এর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন উপস্থাপক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাসকে। বেশিদিন টেকেনি সেই বিয়ে। এরপর সোলস ব্যান্ডের পার্থ বড়ুয়ার সঙ্গে প্রেম করেছেন অনেকদিন।

২০০৮ সালের ২১ মার্চ ভালেবেসেই বাপ্পা ও চাঁদনীর বিয়ের পিড়িতে বসেন। তবে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের হলেও বাগদানের আগেই বাপ্পা ধর্মান্তরিত হয়ে আহমেদ বাপ্পা মজুমদার হন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বাগদান সম্পন্ন হয়। পরে তাদের দুই পরিবার একসঙ্গে হয়ে ঘরোয়াভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

বাপ্পা-তানিয়ার বিষয়টি নিয়ে চাঁদনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, চাঁদনীর বাবা মারা গেছেন মাত্র চল্লিশ দিন হয়েছে সুতরাং চাঁদনী এবিষয়ে কিছুই জানেন না।তার চিন্তা এখন তার মাকে নিয়ে। তবে বলেন,ওরা যদি বিয়ে করে থাকে তাহলে ভালো থাক এটাই আমি চাই।তবে আমার কাছে কেন বাপ্পার বিষয় জানতে চাইছেন? বাপ্পাকে জিজ্ঞেস করলেই ভালো হবে। এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলবো না।  আমার সম্মান সবার আগে। আমার পরিবারের সম্মান এমনকি বাপ্পার পরিবারের সম্মানও আমি রক্ষা করে চলবো। বাপ্পা যেদিন আমাকে  বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বললেন, ‘কাউকে না কাউকে তো বিয়ে করবে, তবে আমাকে বিয়ে করলে তোমার ক্ষতি কি?’ আমি বললাম, ‘যদি আপনি আমার বাবা-মাকে রাজি করাতে পারেন তবে আমার কোনো আপত্তি নেই। তারপর পরিবারের সম্মতিতেই আমাদের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা আকস্মিকভাবে হয়। কারণ পরিবার থেকে বিয়ের আয়োজন যেদিন করা হয় তার আগের দিনও শুটিং ছিল। অভিনেতা গাজী রাকায়েত ভাইও শুটিংয়ে ছিলেন। তিনিও এসব জানেন। চাঁদনী বলেন, আমি বাপ্পার বাবাকে দেখিনি। তার মাকে দেখেছি। বাপ্পার মায়ের জন্য আজ পর্যন্ত চুপ করে আছি। কারণ আমি শাশুড়িকে ভালোবাসি। তাকে সম্মান করি। আর বাপ্পার ঘনিষ্ঠ বন্ধু দলছুটের সঞ্জীব চৌধুরী বেঁচে থাকলে আমার লাইফটা হয়তো আজ এমন হতো না।

 ছবিঃ গুগল