বিমানবালা না হয়ে হলাম অভিনেত্রী : অক্ষি

ইমরুল শাহেদ

ব্রিটিশ ভারতের পূর্বাঞ্চলে ১৮৫৫ সাল থেকে শুরু হওয়া সাওতাল বিদ্রোহ যুক্ত হয় স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে। এরই মাঝখানের একটি ঘটনা নিয়ে পরিচালক দেওয়ান নাজমুল নির্মাণ করেছেন টেলিফিল্ম তোরে কত ভালোবাসি। এই টেলিফিল্মে নায়িকা হিসেবে নেওয়া হয়েছে একজন নবাগতকে। তিনি হলেন নীহারিকা অক্ষি। এছাড়াও এই নবাগত কাজ করছেন দেওয়ান নাজমুলের হাজার পর্বের ধারাবাহিক সুয়োরাণী দুয়োরাণীতে। তোরে কত ভালোবাসিতে অক্ষি কাজ করছেন একটি পাহাড়ি মেয়ের চরিত্রে এবং ধারাবাহিকে কাজ করছেন মৎস্যকন্যার চরিত্রে। ক্যারিয়ারে নবাগত হিসেবে অক্ষি পেয়েছেন চরিত্রের বৈচিত্র্য। পাহাড় থেকে নদী – মধু থেকে মৎস্যকন্যা – এমন চারিত্রিক বৈচিত্র্য কম নবাগতর ভাগ্যেই ঘটে থাকে এবং দুটোরই কাজ চলছে পাশাপাশি। অন্য নবাগতরা আসেন এবং রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে উপস্থাপন হন। ছবিতে নাচ-গান করা ছাড়া তাদের আর করণীয় কিছু থাকে না। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অক্ষিকে অনেকটা ভাগ্যবানই বলতে হবে। তিনি দেওয়ান নাজমুলের চলচ্চিত্রের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এখন ধারাবাহিক এবং টেলিফিল্মের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলছেন। এই নবাগত সম্পর্কে দেওয়ান নাজমুল বলেন, ‘নবাগত হিসেবে আমি যা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে ভালো কাজ পেয়েছি তার কাছ থেকে। এখন আমি সন্দেহাতীতভাবেই তাকে নিয়ে ছবিতে কাজ করতে পারি।’
অক্ষি বলেন, পরিচালক নির্ধারিত মাত্রায় থেকেই দর্শক পছন্দকে আস্থায় নিয়ে আমি এমন একটা অবস্থানে যেতে চাই, যেখান থেকে আর যেন পেছনে ফিরে তাকাতে না হয়। আমার মধ্যে প্রচন্ড একটা আকাঙ্ক্ষা ছিল কাজ করবো। এমপ্যাথী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আমাকে সে সুযোগ দিয়েছে।
অক্ষি জানান, তিনি স্কুলে পড়ার সময়ে আবৃত্তি করতেন, গজল গাইতেন। তার এই মঞ্চ পারফর্মেন্সের জন্য তিনি পুরস্কারও পেয়েছেন। কখনো কখনো পেয়েছেন প্রথম পুরস্কার। এছাড়া বলতে গেলে প্রতি বছর দ্বিতীয় পুরস্কারটি তার জন্য নির্ধারিতই ছিলো।
অক্ষি বলেন, শখ ছিল বিমানবালা হবো। আর অভিনয়টা ছিল আন্তরিকতার বিষয়। শেষ পর্যন্ত আন্তরিকতারই জয় হয়েছে। তাই শখের বিষয়টা স্থগিত হয়ে গেছে। আমি নিজেকে একজন স্বনামধন্য তারকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী অক্ষি বলেন, আমার কোনো বয়ফ্রেন্ড নেই। কারো সঙ্গে প্রেমও করি না। কেরানীগঞ্জের মেয়ে অক্ষিরা তিন ভাই ও তিন বোন। তিনি সবার ছোট।