বিশ্বকাপ কি তবে ইংল্যোন্ডের ঘরে

অদ্ভূত এক সমীকরণে একজন পেপ গার্দিওলা  নামটি উঠে এসেছে।  ফুটবলের জন্য আশির্বাদ এই পেপ গার্দিওলা। ২০১০ সালে দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার। ম্যারাডোনার জন্য সে সুযোগ হয়নি। তবে ২০১০ সাল থেকেই তিনি প্রতিটি বিশ্বকাপে রয়ে গেছেন নিরবে। বিশ্বকাপের সময় গার্দিওলা যে দেশের লিগে দায়িত্ব পালন করেন, সেই দেশই চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১০-এ তিনি ছিলেন স্পেনে, ২০১৪-তে জার্মানি। এবার তিনি কাজ করছেন ইংল্যান্ডে। এবারও কি একই ব্যাপার ঘটতে যাচ্ছে? হতেই পারে, তার কোচিংয়ে থাকা ম্যানসিটির ইংলিশ খেলোয়ারেরা শেষ হাসি হাসবেন। কারণ, তার ইংলিশ শিষ্যরা নিজেরা যা শিখেছেন গার্দিওলার কাছ থেকে সেটা ছড়িয়ে দিয়েছেন পুরো ইংল্যান্ড দলে। তারা মনে করছেন, গার্দিওলার শিক্ষা কাজে দিচ্ছে ইংলিশদের……
একইভাবে কাল ব্রাজিলকে হারিয়ে দেয়া ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়া বেলজিয়ামের প্লেয়ার কেভিন ডি ব্রুইনাও গার্দিওলার অধীনে খেলছেন ম্যানচেস্টার সিটিতে……
একজন মরিনহোকে যখন দেখতাম ডাগ আউটে উত্তেজিত, বেপরোয়া, মারকুটে ফুটবলের প্রচারক হিসেবে গার্দিওলা তখন মিষ্টি হাসিতে, চমৎকার ফুটবলে পৃথিবী মাতিয়েছেন……..
শোনা যাচ্ছে কাতার চেষ্টা করছে এই গার্দিওলাকে কোচ বা পরামর্শক হিসেবে তাদের দলে ভেড়াতে। যদি সেটা হয় আগামী বিশ্বকাপে নতুন এক কাতার ফুটবল দলের দেখা পাবে বিশ্ব……….
এও শোনা যাচ্ছে, আর্জেন্টিনার দায়িত্ব নিতে পারেন পেপ। সেটা হলেও দারুণ ব্যাপার হবে। তরুণ আর উদ্যমীদের জন্য পেপ একজন আদর্শ শিক্ষক। নিত্য নতুন ট্যাকটিসে নান্দনিক ফুটবল ও খেলাধুলার মানচিত্রে মানবিকতার………
আপাতত, ইউরোপা লীগ বিশ্বকাপে ম্যানসিটির কোচ গার্দিওলার ফুটবল দর্শনের জয় দেখার অপেক্ষায়…

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্র: ফেইসবুক