বিশ্বায়নে ক‌রোনা আশীর্বাদই ব‌টে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রহমান রাফিজা

(লিয়েজ, বেলজিয়াম থেকে):গ্লোবালাই‌জেশন,‌ গ্লোবাল ভি‌লেজ শব্দগু‌লো অনার্স‌ে পড়াকালীন সময় যতদূর ম‌নে প‌ড়ে ড. আহাদুজ্জামান মো.আলী অথবা সুব্রত শংকর ধর স্যা‌রের মু‌খে বহুবার শু‌নে‌ছি।যার বাংলা শাব্দ‌িক অর্থ বিশ্বায়ন ।‌সে সময় এর নিগূঢ় অর্থ ,ব্যাপ্ত‌ি, বিস্তৃ‌তি ততটা বুঝ‌তে না পার‌লেও বু‌ঝে‌ছিলাম পৃ‌থিবী মানু‌ষের হা‌তের মু‌ঠোয় চ‌লে এসে‌ছে।দূর‌দেশ, নগর, প্রান্ত ব‌লে কিছু নেই।এটা সম্ভব হ‌য়ে‌ছে যোগা‌যোগ মাধ্য‌মের অভূতপূর্ব উন্নয়‌নের ফ‌লে ।‌বিশ্বায়ন আমা‌দের প্রযু‌ক্তি ও জ্ঞানপ্রাপ্ত‌ি‌কে অতিমাত্রায় সহজলভ্য ক‌রে‌ছে । মুহূর্ত‌ে জানা যাচ্ছ‌ে গোটা বি‌শ্বের কোথায় কি হচ্ছ‌ে ।পৃ‌থিবীর এক প্রান্ত থে‌কে আরেক প্রান্ত‌ের ভাল-মন্দ, সুখ-দুঃ‌খের খবর নি‌মি‌ষে চ‌লে আসছে। চাইলে পৃ‌থিবীর এক‌  কো‌ণে ব‌সে অন্য কো‌ণের মানু‌ষের দুঃসম‌য়ে পা‌শে দাড়া‌নো ও সম্ভব হচ্ছ‌ে।

এম‌নি ব্য‌ক্তিক চিন্তাধারায় ধারনা জন্ম‌ে বিশ্বায়‌নের ফ‌লে সকল জা‌তি গোষ্ঠী তথা ধনী-দ‌রিদ্র, ধর্ম-বর্ণ নির্ব‌ি‌শে‌ষে একে অপ‌রের প্র‌তি সমান সহানুভু‌তিশীল। এক আকাশ তলায় বসবাসকারী গোটা মানবজা‌তি একে অ‌পরের জন্য‌ কাজ কর‌ছে। কোন ভেদা‌ভেদ নেই  ।মানু‌ষের প্র‌তি মানু‌ষের সহানুভূ‌তি, সমানানুভু‌তি র‌য়ে‌ছে। কল্যাণ‌কে সাম‌নে রে‌খে দে‌শে দে‌শে যে সব ঐক্য‌জোট, চু‌ক্তি, বিশ্বসংস্হা গ‌ড়ে উঠেছে এ সব সামষ্ট‌িক প্রচেষ্টা যথাযথভা‌বে কাজ কর‌ছে।‌কিন্তু প্রকৃতঅর্থে ভাবনা আর বাস্তবতা এক নয়। এটি  কেবলই ধারনা  সে সঙ্গে আমা‌দের  প্রত্যাশা আর কল্পনা। বাস্তব চিত্র একেবা‌রে ভিন্ন।

আমা‌দের চারপা‌শে কি দে‌খি ? সর্হমম‌িতা ? কোথায় তা?  কোথায় সম‌ঝোতা ? কোথায় শান্ত‌ি প্রতিষ্ঠার প্র‌চেষ্টা ? লক্ষ্য কর‌লে দেখা যা‌বে আজ‌কের পৃ‌থিবী‌তে যত উদ্যোগ গৃহীত হ‌য়ে‌ছে তা যতটা না কল্যাণ চিন্তায় তার চে‌য়ে বেশী র‌য়ে‌ছে স্বার্থ‌সি‌দ্ধি, আগ্রাসন। অর্থ‌নৈ‌তিক সহায়তা, নিরাপত্তা বেষ্টনী, সন্ত্রাস‌রো‌ধের না‌মে ভিন্ন উপা‌য়ে দে‌শে দে‌শে আগ্রাসন চালা‌নো হচ্ছ‌ে। দাতা ম‌নে হ‌লেও নির্ভরতা, সহায়তা আর সহম‌র্মিতার দিক থে‌কে বিশ্ব যেন এক‌টি প‌রিনত সহায়ক বিশ্বে রূপ নি‌তে পা‌রে‌নি।

চার‌দি‌কে ভেদা‌ভেদ, হানাহা‌নি, দুর্ব‌লের ওপর সব‌লের আঘাত, সম্পদ লুন্ঠন, যুদ্ধ‌বিগ্রহ লে‌গে আছে।ক্ষমতাশালীরা জোট আর গোষ্ঠীবদ্ধ হ‌য়ে নি‌জে‌দের‌কে আরও শক্ত‌ি‌শালী ক‌রে তু‌লে‌ছে।তাই‌তো বহু দেশ‌কে আজও মাথা তু‌লে দাঁড়া‌তে দেয়া হয়‌নি ।তা‌দের সম্পদ লুন্ঠন ক‌রে তা‌দেরই ভূ‌মি‌তে তা‌দের‌কে পরবাসী করা হ‌য়ে‌ছে।আমরা দে‌খে‌ছি ইরাক, ইরান, আফগা‌নিস্তান, পা‌কিস্তান, ইথু‌য়ুপিয়া, সি‌রিয়া , ঘানাসহ  বহু‌দে‌শে যুদ্ধ বা‌ধি‌য়ে আধিপত্য বিস্তা‌রের জন্য‌ জিয়িয়ে রাখা হ‌য়ে‌ছে।শান্ত‌ির না‌মে ধ্বংস করা হ‌য়ে‌ছে বহু যু‌গের সমৃদ্ধি। লুন্ঠন করা হ‌য়ে‌ছে মূল্যবান সম্পদ। লা‌খো নর-নারী শিশু মারা‌ গে‌ছে, যাচ্ছ‌ে।দুর্ভ‌িক্ষ তেরী হ‌য়ে‌ছে, ক্ষুধার যন্ত্রনায় কষ্ট পাচ্ছ‌ে মানুষ পশুপা‌খি এদি‌কে কা‌রোরই ভ্র‌ক্ষেপ নেই  বরং সাহা‌য্যের না‌মে নতজানু ক‌রে রাখা হ‌য়ে‌ছে।‌শোষক‌দের এ শোষ‌নের বিরু‌দ্ধে কোন প্র‌তিবাদ নেই।তথাক‌থিত ‌বি‌বেকবানরা বল‌তে পার‌ছি না, থামাও যুদ্ধ, বন্ধ কর নৈরাজ্য, শোষন।বন্ধ কর সাহা‌য্যের না‌মে আগ্রাসন । সি‌রিয়ার সেই  বাল‌কের করুন ক্রন্দন আর আল্লাহ‌কে বিচার দে‌বে ব‌লে যে, সে চ‌লে গেল, তা‌তে এতটুকু ও বুক কাঁপেনি কা‌রুর।স‌ত্যি বল‌তে আধু‌নিকতার শী‌র্ষে এসে আজ‌কে মানুষ তার মনুষ্যত্ব হা‌রি‌য়ে‌ পশু‌তে প‌রিণত হ‌য়ে‌ছে।ভু‌পেন হাজা‌রিকার গা‌নের  সেই  ক‌লিগু‌লো‌তে  যথার্থই ব‌লে‌ছি‌লেন – মানুষ মানু‌ষের জন্য , জীবন জীন‌নের জন্য একটু সহানুভূ‌তি কি মানুষ পে‌তে পা‌রে না ও বন্ধু…… দানব য‌দিও বা হয় মানুষ লজ্জা কি তু‌মি পা‌বে না ‘।আস‌লেই তাই আজ‌কে মানুষ লজ্জা , বি‌বেক হা‌রি‌য়ে দান‌বে প‌রিনত হ‌য়ে‌ছে ।

মানবজা‌তির এ অন্ধত্ব, ব‌ধিরতা, নিষ্ঠুরতা সহ্য কর‌তে পা‌রে‌নি প্রকৃ‌তি ।প্রকৃ‌তি যেন নি‌জে রুখে দা‌ড়ি‌য়ে‌ছে। পৃ‌থিবী রক্ষার দা‌য়িত্ব নি‌য়ে‌ছে।অদৃশ্য এক ক্ষুদ্র জীবাণু তার অস্ত্র । ‌যে কিনা পাল্ট‌ে দিচ্ছ‌ে  একশ বছ‌রের নিয়মনী‌তি ।ক্ষুদ্র জীবাণু‌টি বু‌ঝি‌য়ে দি‌তে চাই‌ছে সম্প‌দের বড়াই নয়, নয় প্র‌তিপত্ত‌ি আর  ঔদ্ধত্য প্রর্দশন।‌মি‌ছে জোট বা  ঐক্য নয়।‌লোক দেখা‌নো সম‌ঝোতা নয় বরং মানবতার জয় হোক। প্রকৃ‌তি আমা‌দের দ্বৈত চ‌রি‌ত্রে রুষ্ঠ, বিক্ষুব্ধ তাই পৃ‌থিবী‌তে নি‌য়ে এসে‌ছে ক‌রোনা।ক‌রোনাভাইরাস পৃ‌থিবীর বু‌কে  আর্শীবাদই ব‌টে।এটি যেন বি‌বেক হ‌য়ে দেখা দি‌য়ে‌ছে আমা‌দের মা‌ঝে।‌বিশ্ব আজ ক‌রোনা আক্রান্ত।ক্ষুদ্র জীবাণুর কা‌ছে ধনী – দ‌রিদ্র, ধর্ম- বর্ণ বা কোন শ্রেনী‌ভেদ নেই।‌ নেই  ক্ষমতাধর আর দুর্ব‌লের বাচ-‌বিচার।‌ভে‌ঙ্গ‌ে দি‌য়ে‌ছে ক্ষমতা প্রদর্শন, ম‌নোবল, ম‌নের গভী‌রে ঢু‌কি‌য়ে‌ছে মৃত্যু ভয়।‌কোন  ক্ষমতা আজ কাজ কর‌ছে না।মানব শক্ত‌ি ছোট জীবাণুর কা‌ছে হে‌রে যাচ্ছ‌ে।‌ কি লজ্জা।

ক‌রোনা যেন বল‌ছে হে ইউরোপ, হে আমেরিকা, হে আফ্রিকা, হে এশিয়া …… আজ কেউই তোমরা নিরাপদ নও।পৃ‌থিবীর একচ্ছত্র অধিপ‌তি মানবজা‌তি তোমরাও একা নও। পৃ‌থিবী‌তে হাজা‌রো প্রাণশক্ত‌ি অণুজীব র‌য়ে‌ছে তা‌দের প্র‌ত্যে‌কের বাঁচার অধিকার র‌য়ে‌ছে। সৃষ্ট‌িকর্তা প্রতি‌টি প্রাণশক্ত‌ি‌কে একে অপ‌রের প‌রিপূরক ক‌রে সা‌জি‌‌য়ে‌ছে যা তোমরা বুঝ‌তে পার‌নি। নি‌জে‌দের সুখ শান্তি‌র কথা চিন্তা ক‌রে পৃ‌থিবী‌কে বা‌সের অযোগ্য ক‌রে তু‌লে‌ছো।তা করার কোন অধিকার কি তোমাদের আছে ?ক‌রোনার এ প্র‌শ্নের জবাব আমরা কে কিভা‌বে দিব? আদৌ কি আমা‌দের কাছে এর কোন উত্তর র‌য়ে‌ছে?

আজ যখন আকা‌শের দি‌কে তাকাই , দে‌খি , নীল আকাশ তার রং হা‌রি‌য়ে‌ছে, কা‌লো ধোয়ায় ছে‌য়ে গে‌ছে , পাহাড় সমতল ক‌রে গ‌ড়ে তোলা হ‌য়ে‌ছে নগর , নদ-নদী, খাল -‌বিল স্বচ্ছতা হা‌রি‌য়ে‌ছে।স্বাথা‌ন্বেষীরা বন-বনানী নিঃ‌:শেষ ক‌রে দি‌য়ে মুনাফা লুট‌ছে। আজ‌কে মানু‌ষের ভ‌য়ে পাখীরা লোকালয় ছে‌ড়ে পা‌লি‌য়ে‌ছে, নদীর মাছ লু‌কি‌য়ে‌ছে অতল গভী‌রে, ব‌নের পশুরা বন হা‌রি‌য়ে বন্দী হচ্ছ‌ে খাঁচায়।শুধু তাই নয় , উন্নত‌ দেশগু‌লো নি‌জে‌দের ক্ষমতা শক্ত‌ি  প্রদর্শ‌নে আত্মঘাতী নিউক্লিয়ার, বা‌য়োল‌জিক্যাল অস্ত্র উৎপাদন ক‌রে চ‌লে‌ছে।কার্বন নি:সরন ব‌ন্ধের কোন প্র‌ক্রিয়া নেই।  ধনী দেশগু‌লো দ‌রিদ্র‌ দেশগু‌লো‌কে আস্তাবর হি‌সে‌বে ব্যবহার কর‌ছে ।তা‌দের আকাশ পা‌নি মা‌টি‌কে বিশুদ্ধ রে‌খে অপ‌রিকল্প‌িত  কলকারখানা গ‌ড়ে তু‌লে‌ছে দ‌রিদ্র‌ দেশগু‌লো‌তে ।আর গরীব দেশগু‌লোর ক‌তিপয় মুনাফা‌লোভী অধিক মুনাফার আসায় অপ‌রিকল্পিতভা‌বে উৎপাদন ক্ষেত্র তৈরী ক‌রে‌ছে যার কুফল ভোগ কর‌ছে গরীব জন‌গোষ্ঠী ।তাই আজ এসব‌রে খেসারত দি‌তে হচ্ছ‌ে গোটা‌ বিশ্ব‌কে।তবুও আমা‌দের চেতন ফি‌রে আস‌ছে না।

আমরা মানবজা‌তি এতটাই নির্ব‌োধ , উন্মাদ যে পৃ‌থিবীর এ সংকটময় সম‌য়েও নি‌জে‌দের অবস্হার উন্ন‌তি চিন্তা না ক‌রে একে অপর‌কে দোষা‌রোপ ক‌রে চ‌লে‌ছি।‌কে এই ভাইরাস‌কে জা‌গি‌য়ে তু‌লে‌ছে তা ‌নি‌য়ে চ‌লে‌ছে জল্পনা কল্পনা।হয়ত  এ ক্রান্তিকাল কে‌টে গে‌লে বিশ্বের নেতৃত্বরা আবা‌রো লা‌ঠি হা‌তে বিচা‌র বসা‌বেন । একঘ‌রে ক‌রে দে‌বেন অপরাধীকে।

করোনার দুর্দান্ত প্রতা‌পে চার‌দি‌কে মৃত্যুর মি‌ছিল। তা দে‌খে উন্নত‌দেশ প্রধা‌নেরা হত‌বিহ্বল। তারা কখনও মৃত্যুর মি‌ছিল দে‌খে‌নি।অনুন্নত দেশগু‌লো‌তে অহরহ এ চিত্র দেখা গে‌ছে।তারা কখনও এত মৃত্যুর কষ্ট বুঝ‌তে পা‌রে‌নি বা বোঝার চেষ্টা ও ক‌রে‌নি। তারা দু‌র্যো‌গের ভয়াল রূপ দে‌খে‌নি,‌শো‌নে‌নি অসহা‌য়ের কান্না, ক্ষুধার যন্ত্রনা ভোগ ক‌রে‌নি, হারায়‌নি নিজভূ‌মি, হয়‌নি উদ্বাস্তু।ক‌রোনা ছি‌নি‌য়ে নিচ্ছ‌ে একেরপর এক প্রাণ।আক্রান্ত হচ্ছ‌ে লা‌খো জন।মানু‌ষের জীবনব্যবস্হা‌কে স্হ‌বির ক‌রে দি‌য়ে‌ছে।প‌রিত্রা‌ণের জন্য সবাই দিক‌বি‌দিকহারা হ‌য়ে ছুট‌ছে ।গ‌বেষনাগা‌রে প্র‌তি‌ষেধক তৈরীর প্রানান্ত চেষ্টা চল‌ছে।ক‌বে কখন কর্ম সাধিত হবে কে জা‌নে –  এখনও সব অনিশ্চি‌ত।

‌নিরুপায় বিশ্ব‌নেতৃত্ব তাই আজ একাত্নতার কথা বল‌ছে।পার্শ্ববর্তী দেশগু‌লো‌তে সাহায্য প্রার্থনা কর‌ছে।‌বিশ্ব স্বাস্হ্যসংস্হা প্র‌ত্যেক‌টি দেশ‌কে এক হ‌য়ে কাজ করার আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছে।‌গোষ্ঠী বা সমষ্ট‌ি নয় সক‌লের স্বার্থ রক্ষার কথা মু‌খে মু‌খে উচ্চা‌রিত হচ্ছ‌ে ।অথচ এই সে‌দিন ও ছোট দেশগু‌লো কার্বন নিঃসর‌ণের প্র‌তিকার চে‌য়ে‌ চে‌য়ে যখন গলা ফা‌টি‌য়ে‌ছে সে  সময় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ যেন ব‌ধির হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছি‌লেন।আজ তা‌দেরই মু‌খে ভিন্ন গীত- একাত্বতা,এক‌যো‌গে, সহ‌যো‌গিতা!!

তাই পৃ‌থিবীর বু‌কে ক‌রোনা আর্শীবাদই ব‌টে।আজ যেন সে বল‌ছে-অন্যের দরজায় হাত পে‌তো না, সাহায্য বা‌ ভিক্ষা চেও না, নি‌জে‌দের‌কে আর নী‌চে না‌মিও না।‌তোমরা যারা দুর্বল দ‌রিদ্র অসহায় তা‌দের সঙ্গে কেউই নেই। বরং নি‌জে‌দের শক্ত‌শালী করে  তোল , নি‌জে‌দের জ্ঞান , বুদ্ধ‌ি,দক্ষতা , সম্পদ‌কে মজবুত ক‌রে নি‌জে‌দের উজ্জ্বল প‌রিচয় নি‌য়ে পৃ‌থিবীর সাম‌নে আর্ব‌িভূত হও।একইসঙ্গে বিশ্ব নেতৃত্ব‌কে ঘু‌রে দাঁড়া‌তে হ‌বে‌  সেই  দর্শন‌কে কেন্দ্র ক‌রে– ‘প্রভুত্ব নয় ভাতৃত্ব আর বন্ধুত্ব হোক মূল চা‌লিকাশক্ত‌ি।’ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দি‌য়ে পৃ‌থিবী‌কে নতুন সা‌জে সাজা‌তে হ‌বে। তাহ‌লে হয়ত বে‌চে যা‌বে আমা‌দের পৃ‌থিবী। পৃ‌থিবী বাঁচ‌লে ত‌বেইতো বাঁচ‌বো আমরা মানুষসহ সকল প্রাণীকুল।

ক‌রোনাকালে এটাই হোক আমা‌দের সক‌লের প্রার্থনা।

ছবি: গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]