মহানায়ক একজনই…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লুৎফুল কবির রনি

আকাশের বুকে অগনিত তারা মিট মিট করে জ্বলে। তবে কিছু তারা সব চাইতে উজ্জ্বল। তেমনি এক মহা নক্ষত্রের জন্ম হয়েছিল বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে। ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম হয় এই মহা তারকার। তিনি তার অভিনয় ও প্রতিভা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়। সাধারণ মানুষ থেকে মহানায়ক সবই হয়েছেন নিজ গুণে।

উত্তম ,সুপ্রিয়া

চলচ্চিত্রের তাঁকে মধ্যবিত্ত ঘরের ছাপোষা এক চাকুরে থেকে উত্তম কুমার বানিয়েছে, তিনিও নিজের জীবনের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছিলেন অভিনয়কেই। বলতেন- “চলচ্চিত্র আমার নিজস্ব জগৎ, আমার ব্যক্তিগত বলে কিছু ছিল না। যেন আমার প্রতিটি মুহূর্ত বিক্রি হয়ে গেছে।”

পর পর তিনটি ছবি ফ্লপ। তবুও ছেলেটি স্টুডিওপাড়ায় একটা রোলের জন্য ঘুরে বেড়ায়। ছেলেটিকে দেখলে সবাই রং-তামাশা করে। ফ্লপ মাস্টার জেনারেল বলে হাসাহাসি করে। ছেলেটির চোয়াল ক্রমশ শক্ত হতে থাকে। মনে মনে আরও কঠিন প্রতিজ্ঞা করে সে। কিন্তু করলেই তো হবে না। সুযোগ পেতে হবে। কিন্তু কে দেবে সুযোগ?

কেউ না জানলেও একজন জানতেন, এই ছেলেটি পারবে। তিনি হলেন পাহাড়ী স্যান্যাল। প্রায় দিন তিনি ছেলেটিকে লক্ষ্য করেন। কিন্তু কোনো কথা বলেন না। ঠিক এমন সময় নির্মল দে তাঁর নতুন ছবি ‘বসু পরিবার’ করার জন্য নায়ক হিসেবে ঠিক করলেন কালী ব্যানার্জিকে। কালী ব্যানার্জি তখন বিখ্যাত নায়ক। কিন্তু নির্মল দে কালী ব্যানার্জির ডেট পেলেন না। নিজের ঘরে বসে ভাবছেন, এখন তাহলে কী করা! এমন সময়ে ঘরে এলেন পাহাড়ী স্যান্যাল। পাহাড়ী স্যান্যালকে সব খুলে বললেন। পাহাড়ী স্যান্যাল অল্প হেসে বললেন, ‘দূর, এত চিন্তা করছ কেন? হাতের কাছেই নায়ক রয়েছে।’

নির্মল দে লাফিয়ে উঠলেন,‘কে?’ তারপর নায়কের নাম শুনে ধপ করে বসে পড়লেন। বললেন, ‘পাহাড়ী’দা আপনি কি আমার সঙ্গে রসিকতা করছেন? ওকে নিলে হলে ঢিল পড়বে, কে সামলাবে বলুন?’

পাহাড়ী স্যান্যাল বললেন, ‘নামটা পাল্টে দাও, কেউ জানতে পারবে না। আমি কথা দিচ্ছি, ওকে নিয়ে ঠকবে না। এখন ও ইস্পাতের মতো কঠিন হয়ে উঠেছে। শুধু অস্ত্র তৈরি করার অপেক্ষা।’

নির্মল দে কি মনে করে, সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটিকে ডেকে পাঠালেন। পাহাড়ী স্যান্যাল বললেন, ‘বাপু, বাপের দেওয়া নামের মায়া কি ছাড়তে পারবে? তাহলে একটা সুযোগ আছে।’

ছেলেটি আস্তে আস্তে মাথা নাড়াল। পাহাড়ী স্যান্যাল বললেন, ‘অন্য নাম আছে তোমার?’

ছেলেটি একটু থেমে বলল, ‘দাদু আমাকে উত্তম বলে ডাকতেন।’

লাফিয়ে উঠলেন পাহাড়ী স্যান্যাল। বললেন, ‘নির্মল, দেরি করো না। উত্তম নামটা লাগিয়ে দাও। লেগে যাবে।’

তা-ই হলো। লেগে গেল। হিট হলো বসু পরিবার। বাঙালি পেয়ে গেল এক নতুন নায়ক—উত্তম কুমার।

“ও যদি বিশাল কোন ক্রাইম করে এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে একটা হাসি দেয়, তাতেই আমি ওকে ইনোসেন্ট ভাবতে বাধ্য হবো’’- কথাটি বলেছিলেন সৌমিত্র‍্ চট্টোপাধ্যায়। আর যাকে নিয়ে বলেছিলেন, তিনি আর কেউ নন, কিংবদন্তী মহানায়ক উত্তম কুমার।

ভুবনভোলানো হাসি, অকৃত্রিম রোমান্টিক চোখের দৃষ্টি আর অতুলনীয় অভিনয়ের গুণে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পেরিয়েও বাঙ্গালি দর্শকদের হৃদয়ের মণিকোঠায় তিনি মহানায়ক।

উত্তমকুমার বাঙালির মনে উত্তম হয়েই রয়ে গিয়েছেন, কখনও মধ্যম হননি। মৃত্যু পরবর্তী সময়ে ৪০ টি বসন্ত পেরিয়েও এখনও অম্লান অশরীরী উত্তমের আবেদন। একজন অভিনেতার মোহ, এভাবে একটি জাতি, একটি জনগোষ্ঠীকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে কি এক দুর্বোধ্য ম্যাজিকে। এ নজির বিশ্বেই মেলা ভার। আপামর বাঙালি নাগরিকের মনে উত্তম-স্বপ্ন বোধহয় এতদিনে প্রমাণ করে দিয়েছে, যে, উত্তম বোধহয় একটা সামাজিক ফেনোমেনন। নায়ক ছবিটি করার পর, সত্যজিৎ রায় উত্তমকুমার সম্পর্কে বলেছিলেন, — ”হি ইজ দি ফার্স্ট অ্যান্ড লাস্ট হিরো অফ বেঙ্গলী ফিল্ম।” উত্তমকুমার বোধহয় বাঙলা ছবির সেই শেষ মহানক্ষত্র, যাঁর আবির্ভাবে নতুন স্বপ্নে অঙ্কুরোদগম হয়েছিলো।

সিলভার স্ক্রিনে প্রায় তিন দশকের উপর রাজত্ব করেছেন বাঙালির চিরকালের মহানায়ক উত্তমকুমার। মৃত্যুর পরেও এতটুকুও ম্লান হয়নি ব্র্যান্ড ‘উত্তম’।

সময়ের সঙ্গে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে ‘উত্তম-ম্যানিয়া’। কেমন ছিল মহানায়কের ব্যক্তিগত জীবন? বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির আলোকবৃত্তে থাকার জ্বালা বোধহয় তাঁর মতো আর কাউকে পোহাতে হয়নি। তাই নিজের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলিকে তিনি করে তুলেছিলেন গোপনতর। বাড়ির ভিতরে যখন উদ্দাম পার্টি চলছে, তখন সদর দরজায় ঝুলত তালা। বাইরের কোনও মানুষ দেখা করতে এলে, সোজা বলে দেওয়া হত, ‘‘উনি বাড়ি নেই।’’

বাঙালি জীবনের এমন কোনো চরিত্রচিত্রণ নেই, যেখানে আমরা উত্তম কুমারকে পাইনি। পাঁচ ফুট এগারো ইঞ্চির এই মানুষটি কখনো ধুতি, কখনো ট্রাউজার, কখনো স্যুট, কখনো পাঞ্জাবি আবার কখনো বা গ্রামবাংলার আটপৌরে রূপে যেন বহুরূপী। অরুণ কুমার চ্যাটার্জি থেকে জীবন-সংগ্রামে ক্রমাগত চড়াই-উতরাই পেরিয়ে উত্তম কুমার হন তিনি।

মহানায়ক শব্দটি সেটে আছে এই লোকটির গায়ে।

সপ্তপদী সিনেমায় তার হাস্যমুখ থেকে গম্ভীরতায় পরিবর্তন,এন্টনি ফিরিঙ্গী তে কবিয়াল চরিত্রে তার নিষ্ঠা,ব্রজবুলিতে তার হাস্যরসের ঝর্নাধারা, শেষ অঙ্ক তে তার ভিলেন হয়ে যাওয়া কিংবা আনন্দ আশ্রমে তার স্ত্রী প্রেম।

একটা লোক কি প্রবল ক্ষমতা নিয়ে জন্মালে যে কোন চরিত্রে মিশে যেতে পারে?

কি প্রবল ক্ষমতা নিয়ে যুগের পর যুগ মানুষের মনে শ্রেষ্ঠত্বের আসন দখল করে রাখতে পারে।

অনেকেরই মত, একটু ভারী গোছের চওড়া মুখ, চ্যাপ্টা নাক, পুরু ঠোঁট, মোটামুটি উচ্চতা— সব মিলিয়ে যেন গড়পড়তা বাঙালির বেশি কিছু নয়। তবু ‘প্রেমিক উত্তম’-এ কেন আজও বাঙালি মন্ত্রমুগ্ধ? কী সেই রসায়ন, যাতে দশকের পর দশক মজে আছে বাঙালি? এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগেও উত্তম-ক্যারিশমা অটুট। পোর্ট কমিশনার্সের এক সামান্য কেরানি অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় কী করে হয়ে উঠলেন বাঙালির রোম্যান্টিক বিপ্লবের অবিসংবাদী নায়ক?

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “উত্তমকুমার ছবিতে যে প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করতেন, তার থেকে বলরাজ সাহনি বা দিলীপ কুমার অনেক বাস্তবসম্মত অভিনয় করতেন। কিন্তু, ইচ্ছাপূরণ করতে পারতেন উত্তম। তিনি এক রোম্যান্টিক কল্পনার চিত্র রূপায়ণ করতেন।” একই সঙ্গে সেলুলয়েডের পর্দায় নিজেকে ‘লেডিজ হার্টথ্রব’ রূপে তুলে ধরে বাঙালি পুরুষকে নারী হৃদয় জয়ের এক অজানা কৌশল শিখিয়েছিলেন উত্তম।

এখানেই তিনি অনন্য। ব্যতিক্রমও।

‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’ ছবিতে কবিগানের দল নিয়ে কলকাতা যাওয়া ঠিক করেছেন অ্যান্টনি ওরফে উত্তম। কিন্তু, তার আগে চাই নিরূপমার (নায়িকা তনুজা) অনুমতি। এই অনুমতি চাওয়ার প্রাক-মুহূর্তে উত্তম বলেন— “আমি কি যাব?” এই কথাটা বলার সময়ে একটা চোখ বন্ধ করে ঠোঁটটা একটু ফাঁক করে, এ বার বকুনি খেতেও পারি গোছের যে অভিব্যক্তিটা উত্তম দেখান, তা আসলে যে বউকে নকল সমীহ আর ভালবাসার চিরন্তন থিওরি মেনে চলা সাধারণ বাঙালিরই প্রতিনিধিত্ব করা, তা সেলুলয়েডের পর্দা থেকে নিমেষে ছুঁয়ে যায় দর্শক-হৃদয়। নারীর একান্তপুরুষ হয়ে ওঠার তাগিদে প্রেমিক যে ছলনা করে, এ যেন তারই প্রতিচ্ছবি। বাঙালি পুরুষ তার প্রিয় নারীকে প্রেম নিবেদনই করুক অথবা ‘বাঁচাও মরেছি যে প্রেম করে’ বলে খুনসুটি, নারীর পছন্দের সবকটি আইটেমেই চাই ‘উত্তমোচিত’ অভিব্যক্তি।

মধ্যবিত্ত বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক রূপে উত্তম ধরা দিয়েছেন বাঙালি কল্পনায়। যিনি তারকা হবেন, যিনি সাধারণ মানুষের ‘রোল মডেল’ হবেন, তাঁকে জনতার রুচি, আশা-আকাঙ্ক্ষা, কল্পনাবোধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। যুবক-যুবতী থেকে প্রৌঢ়, বিগতযৌবনা সব ধরনের দর্শকের কল্পলোকের সঙ্গে সেলুলয়েডের যোগ স্থাপন করতে গেলে যে রসায়ন চাই, তার সবটাই আয়ত্ত করেছিলেন উত্তম। পোশাক নির্বাচনেও ছিলেন পূর্ণমাত্রায় সচেতন। যত দিন স্বাধীনতা আন্দোলনের আদর্শ আর বিপ্লবীয়ানা বাঙালির মনে বেঁচে ছিল, তত দিন তাঁর ‘পেটেন্ট পোশাক’ ছিল ধুতি-পাঞ্জাবি। বাঙালি মধ্যবিত্তের স্বপ্ন যতই পশ্চিমমুখী হয়েছে, ততই উত্তমের শরীরে উঠে এসেছে আধুনিক ফ্যাশনের শার্ট-ট্রাউজার্স। ধুতি পরিহিত উত্তমের পাশাপাশি সমান জনপ্রিয় হয়েছেন বিদেশি পোশাকের উত্তম। শিক্ষিত বাঙালি যুবক উত্তমের অনুকরণে ভুল উচ্চারণে হলেও ইংরেজি বলা শুরু করলো প্রেমিকার সামনে। দেখতে দেখতে উত্তম হয়ে উঠলেন বাঙালির ‘স্টাইল আইকন’।

‘বসন্ত বিলাপ’-এর সেই অমর হয়ে যাওয়া দৃশ্য মনে আছে নিশ্চয়। পুকুর পাড়ে প্রেমিক চিন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বসেছেন প্রেমিকা জুঁই বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। একটু হাতে হাত, একটু চোখে চোখ রেখে গদগদ চিন্ময় হঠাৎ জুঁইকে বলে ওঠেন, ‘তুমি আমায় একবার উত্তমকুমার বলো!’

তিনি সর্বদা বলতেন, “আমার কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে যদি কখনও কোনো মৃত্যু সংবাদ আসে, আমি কিছুটা থমকে যাই। আবার আমি আমাকে বোঝাই, ‘মৃত্যুই তো একমাত্র সত্য’।” কাজই ছিলো তার কাছে মুখ্য বিষয়। সেটা তিনি তার নিজের জীবন দিয়েই প্রমাণ দিয়ে গেছেন। মহানায়ক হয়ে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই মৃত্যুবরণ করেন এই নক্ষত্র। ‘ওগো বধু সুন্দরী’ সিনেমাটির কাজ চলছিলো তখন।

উত্তম কুমারের শ্রদ্ধার্ঘ্যে কলকাতা মেট্রো টালিগঞ্জ অঞ্চলের স্টেশনটির নামকরণ করা হয় ‘মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশন’।

দিনটা ছিলো ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই। রাত ৯ টা ৩২ মিনিট হয়ে ২৬ সেকেন্ড। স্থান বেলভিউ নার্সিংহোম। সমগ্র বাঙালী জাতির কাছে এই দিন টি তাদের বড় কাছের মানুষটি কে চিরতরের জন্য হারানোর দিন হিসাবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে। আজ প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছরেও বাংলা চলচিত্রে তাঁর অভাব পূর্ণ হয়নি। বহু তাবড় তাবড় অভিনেতা বা নায়ক বাংলা সিনেমা জগতে আছেন বটে,কিন্তু তাঁরই শূণ্য সিংহাসন টি আজও পর্যন্ত কেউ স্পর্শ করতে পারেননি। তাই আজ ও উত্তম কুমার প্রাসঙ্গিক । তিনি আমাদের চিরদিনের এবং চিরকালের বাঙালী মনের হৃদয়ে গেঁথে থাকা স্বপ্নের মহানতম মহানায়ক উত্তম কুমার।

কথায় বলে, মানুষ চলে গেলেও ইতিহাস বেঁচে থাকে। তিনি যে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন, সেটা অমলিন থাকবে যুগ যুগ ধরে। ইন্ডাস্ট্রিতে তার মতো হৃদয়কাড়া অভিনেতা না তার আগে ছিল, না তিনি চলে যাবার পর এসেছে। মহানায়ক একজনই, তিনি অদ্বিতীয়।

তিনি ছিলেন আদি ও অকৃত্রিম বাঙালি ৷ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তিনি ছিলেন বাঙালির স্বপ্নের পুরুষ ! দাদু থেকে নাতি , ঠাকুমা থেকে নাতনি —- সবাইকে আবিষ্ট করে রেখেছিলেন ৷ তিনি এক এবং অদ্বিতীয় মহানায়ক উত্তমকুমার ৷

‘জীবন খাতার প্রতি পাতায় , যতই করো হিসাবনিকাশ , পূর্ণ হবে না’…… জীবনের হিসাব অসম্পূর্ণ রেখেই তিনি বিদায় নিয়েছেন ৷ তবু তিনি ছিলেন , আছেন বাঙালির অন্তরে , থাকবেনও চিরকাল …..

ছবি: গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]