মাঠকর্মী ছিলেন তিনি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শামীম

গ্যারি স্টিড, নিউজিল্যান্ডর বিশ্বকাপ দলে প্রধান কোচ। এক সময়ের মাঠকর্মী স্টিড, খেলেছেন সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেট। ১৯৯৯ সালে ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক।আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার একদমই সাদামাটা, ৫ টেস্টেই থামতে হয়েছে স্টিডকে।
প্রথম শ্রেণীতে ও রেকর্ড ভাল ছিল না। মনের জোড়েই ক্রিকেটই ধরে রেখেছিলেন। আর সেখান থেকেই কোচ, নিউজিল্যান্ড নারী দলের। সফলভাবে কোচিং করিয়ে ছেলেদের জাতীয় দলের সাথে যুক্ত হন ২০১৮ সালে আগস্টে। খেলোয়াড় হিসেবে তো বটেই, কোচ হিসবেও তার নাম-ডাক খুব একটা নেই।তিনি এখন নিরবে, নিভৃতে কিউইদের নিয়ে এগিয়ে চলেছেন সেরা হওয়ার দিকে। আর একটা ম্যাচ জিতলেই ইতিহাসেই ঠাঁই হয়ে যাবে তাঁর নাম।
১৯৯০ সালে মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের মাঠকর্মী হিসেবে কাজ পান তখনকার ১৮ বছরের তরুণ গ্যারি স্টিড। লর্ডস মাঠে খেলা হলে জানালার কাঁচ পরিষ্কার থেকে স্কোরকার্ড বিলি, এসবই করতে হতো।২৯ বছর পর সেই মাঠেই স্টিড সেই লর্ডসের মাঠেই রোববার থাকবেন অন্য ভূমিকায়। এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ হিসেবেই , তিনি বসবেন ড্রেসিং রুমে, সাজাবেন রণকৌশল।
এবারের বিশ্বকাপে গ্যারি স্টিড আরেকবার এসেছিলেন লর্ডসে,অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লিগ পর্বের ম্যাচে, ৮৬ রানে হেরেছিল।তখনই ব্যাক্তিগত জায়গা থেকে ভিন্নরকম অনুভূতিতে ভেসেছিলেন স্টিড।ফাইনালে নিজের অতীতের গল্পের সাথে আরও বড় কিছু প্রমানে লর্ডসকে একেবারেই জড়িয়ে রাখতে চান গ্যারি স্টিড। ইংলিশদের বিপক্ষে ফাইনালে ১১ বার কাছে এসেও বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে না কিউইদের আফসোসটা মিটাতে চান স্টিড, বিশ্বকাপ জয় করে।

ছবি: গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]