রবীন্দ্রনাথের পিয়ানো মেরামত হচ্ছে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রায় তিন‘শ বছরের ইতিহাস নিয়ে এখনো বেঁচে আছে পিয়ানোটি। মাঝখানে বেশ অনেকটা পথ যাত্রা এবং যাত্রা বিরতি হয়েছে এই পিয়ানোর। কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতন আবার শান্তিনিকেতন হয়ে পুরুলিয়া ঘুরে আবার কলকাতা। বলা যায় সুরের ইতিহাসের যাত্রা। পিয়ানোটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। একদা এই পিয়ানোতেই সুর তুলেছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। আর শুধু তিনিই নন এই পিয়ানোর রীডে আঙুলের ছোঁয়া পড়েছে ঠাকুরবাড়ির অনেক বিখ্যাত মানুষদের।

বেশ অনেকদিন ধরেই পিয়ানোটির অবস্থান ছিলো কলকাতার ঠাকুর বাড়িতে। তারপর এক সময় এই যন্ত্রটি চলে যায় শান্তিনিকেতনে, রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভারতীতে। পরবর্তীকালে এই পিয়ানোটি রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে পান প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী এবং বিশ্বভারতীর ছাত্র সন্তোষ সেনগুপ্ত। কিন্তু তাঁর কাছে এই বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্রটি খুব সমাদর পায়নি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পিয়ানোর বেহাল দশা হয়। মৃত্যুর আগে সন্তোষ সেনগুপ্ত এটি দান করে দিয়ে যান পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠকে। ২০০৪ সালে ওই স্কুলের এক ছাত্র খেলতে খেলতে ভেঙে ফেলে পিয়ানোটির একটি পা। ভাঙা পা নিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে ইতিহাসের গন্ধমাখা বাদ্যযন্ত্রটি।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর পিয়ানোটির আবার প্রত্যাবর্তন ঘটেছে কলকাতায়। এবার সোজা যন্ত্রটি এসেছে একটি বাদ্যযন্ত্র সারাই করার কারখানায়। কারখানার মালিক টনি ব্রিগেঞ্জা দায়িত্ব নিয়েছেন পিয়ানোটিকে আবার সারিয়ে তোলার। তবে এটিকে সারিয়ে তুলতে বেশ অনেকটা সময় লেগে যাবে বলে মনে করছেন টনি।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক
তথ্যসূত্র ও ছবিঃ ২৪ ঘন্টা, কলকাতা

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]