রোদের শরীরে ছায়া টেনে চলে গেলেন মুহম্মদ খসরু

লুৎফুল হোসেন, কবি, লেখক

খোলামকুচির মতো জীবন তোমার, সারাটা সময় ছিলো প্রখর দুপুর। কি অকস্মাৎ সেই রোদের শরীরে ছায়া টেনে তুমি গেলে চলে!

বাংলাদেশের সৎ চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধাপুরুষ। যাঁর উদ্যোগ্যে আর উদ্যমে ১৯৭৫ সালে অভ্যুদয় ঘটেছিলো ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’-এর। বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রণিধানযোগ্য চলচ্চিত্র বিষয়ক সাময়িকী ‘ধ্রুপদী’ ও ‘চলচ্চিত্রপত্র’ এর সম্পাদক। ‘ক্যামেরা যখন রাইফেল’ এর মতো সংকলন যাঁর, তাঁর হাত ধরেই অন্ধকারে আলো জ্বলেছে এদেশে চলচ্চিত্র বুঝবার সক্ষমতা অঙ্গনে।

এই মানুষটির কথা বলতে যাবার কিছু নেই। যারা চেনেন চেনেন। যারা জানেন জানেন। তিনি আজ মধ্যাহ্নের কিছু সময় পরে বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

প্রবাদপ্রতিম মানুষটি আজ চলে গেলেন তাঁর ক্ষুদ্র পার্থিব জীবন ফেলে অনন্ত জীবনের পথে। বুক ভারি লাগে। চোখ ঝাপসা লাগে। মনের মধ্যে ঢেউ তোলে অযুত কথার ভীড়। সব জমা থাক, সব জমা থাক।

নষ্ট ও নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে তুমি ভালো থাকো খসরু ভাই। ভালো থাকো।