রোস্ট…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঊর্মি রহমান

আমাদের হেঁশেলে সহজ ভাবে নিত্যদিন রান্না করা যায় এমন কিছু  রান্নার রেসেপি নিয়মিত দিচ্ছেন সাংবাদিক উর্মি রহমান। এ রান্নাগুলো আপনি যে কোন সময়ে চটজলদি করে ফেলতে পারেন। অবশ্যই আপনার খেতে ভালো লাগবে। মুখের রুচিও বদল হবে।

এই রান্নাটা আমার অত্যন্ত প্রিয়ভাজন সামিয়া জামান ওরফে লীসার কাছে শেখা। ও সবসময় বলে ওর রাঁধতে ভাল লাগে না, কিন্তু সত্যি কথা হলো, ও খুব ভাল রাঁধে। ওদের জেনিভার বাড়িতে এটা শিখেছিলাম।

উপকরণ:
মাংস – ১টা খাসী/ছাগলের আস্ত রান
পেঁয়াজ বাটা – আধা কাপ
আদা বাটা – আধা কাপ
রসুন বাটা – ২ টেবিল চামচ
রসুনের কোয়া – ৪/৬টা
মরিচের গুঁড়ো – আধা চা চামচ
জায়ফল – ১ চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো – আধা চা চামচ
দই – ২ কাপ
শুকনো মরিচ – ৪/৬টা
নুন – স্বাদমত
তেল – আধা কাপ

প্রণালী:

খাসী/ছাগলের আস্ত রান ভাল করে ধুয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে ভাল করে কাচাতে হবে। এবার তাতে পেঁয়াজ-আদা-রসুন বাটা, গরম মশলা গুঁড়ো, মরিচের গুঁড়ো, জায়ফল, দই ও নুন দিয়ে ভাল করে মেখে অন্ততঃ ৩/৪ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এবার ছুরি দিয়ে তার রানের বিভিন্ন জায়গায় চিরে শুকনো মরিচ ও রসুনের কোয়া গুঁজে দিতে হবে।এবার একটি আভেনপ্রুফ পাত্রে রেখে তেল ঢালতে হবে। আভেনে ২০০ ডিগ্রি তাপে বসিয়ে দিতে হবে। মাঝে মাঝে খুলে দই ও তেলের তরল মিশ্রণ বড় হাতা দিয়ে মাংসের ওপর ঢেলে দিতে হবে। এক পর্যায়ে ছুরি ঢুকিয়ে দেখতে হবে মাংস নরম হয়েছে কিনা। ছুরি যদি অনায়াসে ঢুকে যায় তাহলে বোঝা যাবে রোস্ট তৈরী হয়ে গেছে। তখন অভেন থেকে বের করে নিতে হবে।

পুনশ্চ: যাঁদের আভেন নেই, তাঁরা গোটা রান নেবেন না। সেটাকে মাঝখানের জয়েন্টে কেটে দু’টুকরো করে নেবেন। তারপর এই রান্নাটাই চুলোয় বড় কড়াই/ওয়ক’এ করবেন। আঁচ কমিয়ে একটু বেশক্ষিণ ধরে রাঁধতে হবে। নামাবার আগে আঁচ বাড়িয়ে দেবেন যাতে মাংসটা একটু পোড়া পোড়া হয়।


প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না, তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]


Facebook Comments Box